ঢাকা বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যাটালগার পদে জনবল কাঠামোর সিদ্ধান্তই যুক্তিযুক্ত বাস্তবসম্মত তাই তা যথাযথ রূপেই বহাল রাখতে হবে জমিয়াতুল মোদার্রেছীন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি | প্রকাশের সময় : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:২২ এএম

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মাননীয় সভাপতি আলহাজ্জ এ এম এম বাহাউদ্দিন ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, দাখিল ও আলিম মাদরাসায় সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যটালগার এবং ফাজিল ও কামিল মাদরাসায় লাইব্রেরিয়ান পদ প্রবর্তন করা মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্যে বহুদিনের দাবি। সরকারের পক্ষ থেকে জনবল কাঠামোতে এ দুটি পদ প্রবর্তন ও এ জন্য বরাদ্দ দেয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। বর্তমান সরকারের উদারতা ও আন্তরিকতায় নতুন শিক্ষানীতির আলোকে কারিকুলাম ও সিলেবাসে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে আরবি বিষয়সমূহে আরবি মাধ্যম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


কুরআন-হাদিস, ফিকহ-উসূল, বালাগাত-মানতেক-ফারায়েজ, উসূলে তাফসীর, উসূলে হাদিস, আরবি সাহিত্য বিভাগের রেফারেন্স গ্রন্থসমূহ আরবি-ফারসী ভাষায় রচিত। মাদরাসার ফাজিল অনার্স-মাস্টার্সে, দাখিল-আলেম স্তরের পাঠ্য বিষয়সমূহ ও ধর্মিয় বিষয়ের উচ্চতর গবেষণামূলক গ্রন্থসমূহও আরবি ভাষায় রচিত। এসব বিষয়ের মূল ও রেফারেন্স কিতাবসমূহ ক্রয়, যথাযথ সংরক্ষণ ও তাহা সরবরাহ করার জন্য একজন লাইব্রেরিয়ানের আরবি ভাষা জানা অতিব জরুরী।

তাই বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ প্রণয়ন কালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সকলে মাদরাসার সহকারী গ্রন্থাগরিক/ক্যাটালগার পদে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা হিসেবে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড/ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মাদরাসাসমূহ হতে ফাযিল ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আরবি বিষয়ে ¯œাতক (সম্মান) ডিগ্রি ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা করা থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন যা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিবসহ শিক্ষা পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞগণ পর্যালোচনা করেই বিষয়টি অনুমোদন করেছেন।

সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতগণ কোরআন, হাদিস, ফিকহ্ ও আদিবসহ অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ সম্বন্ধে অভিজ্ঞ নন, যার ফলে মাদরাসার সহকারী গ্রন্থাগরিক/ক্যাটালগার পদে তাঁদের নিয়োগ দেয়া হলে মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ ব্যপক সমস্যার সম্মুখিন হবেন। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতগণের মধ্যে একটি মহল অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বাস্তবসম্মত এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যা এ দেশের মাদরাসা শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারেন না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিব মহোদয় সহ শিক্ষা পরিবারের সকল স্তরের দায়িত্বশীলগণ বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় রেখে অনুমোদিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বহাল রাখবেন এটাই আমরা প্রত্যাশা করছি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (11)
মো. আব্দুল্লাহ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:২৭ এএম says : 0
জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ড লাইব্রেরিয়ানরা মাদ্রাসার কুরআন, উলুমুল কুরআন, তাফসির, উসুলুত তাফসির, হাদিস, উলুমুল হাদিস, উসুলুল হাদিস, ফিকহ, উসুলুল ফিকহ, ফতোয়া, ফারায়েজ, মানতেক, বালাগাত, নাহু, সরফ, সিরাত, তারিখ, আদব ও আরবি ভাষার কিতাবসমূহের ক্যাটালগ তো দূরের কথা নাম পড়তেই পারবে না বিধায় তারা মাদ্রাসা লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান হওয়ার যোগ্যতা রাখেনা
Total Reply(0)
সাইদুল ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৩৭ এএম says : 0
মাদ্রাসা শিক্ষা এ দেশে খুবই প্রাচীন। এবং এই মাদ্রাসা শিক্ষার রয়েছে স্বতন্ত্র এবং সমৃদ্ধ এক ইতিহাস। রয়েছে আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য। তার মধ্যে একটা হচ্ছে ধর্মীয় বিভাজন। মাদ্রাসা শিক্ষার মুল কিন্তু ইসলাম ধর্ম৷ মানে ইসলাম ধর্মের জ্ঞানসমৃদ্ধ ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠান এটা। এখানে যদি অন্য ধর্মের লোকেরা সুযোগ পায় ঠিক একইভাবে ভিন্নধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের সুযোগ পাওয়াটা উচিৎ। কিন্তু তা হয় না৷ হতে পারেও না। কারণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সৃষ্টিই হয়েছে ধর্মের উৎকর্ষ সাধনে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মানে বিশেষ প্রতিষ্ঠান।
Total Reply(0)
korban ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৮:০২ এএম says : 0
Boi ar nam banglay lekha thakbe. keno porte parbe na? Tachara degree/Fazil samoman.
Total Reply(0)
Md.Samiul Islam ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৯ এএম says : 0
সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সচিবমহোদয় । মাদরাসা লাইব্রেরিয়ান এ মাদরাসা থেকে ফাযিল /কামিল কমপ্লিট করা ছাত্র ছাড়া সম্ভব নয় । সাধারণ ছাত্ররা আরবি না জানলে কিভাবে যথাযথভাবে লাইব্রেরিয়ান এর দায়িত্ব পালন করবে?
Total Reply(0)
Ariful Islam ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:০৮ এএম says : 0
আরবি কিতাব গুলো পুরোপুরি আরবি ভার্সনে করা হচ্ছে যার ফলে জেনারেল ভাইয়ের কিতাবের মর্মার্থ বুঝা দূরের কথা আরবি ভাষা পড়া ও দুষ্কর হয়ে পড়বে এবং accession register, cataloguing, classification ইত্যাদি তাদের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব।
Total Reply(0)
ফজলুল ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:৫০ এএম says : 0
ফাযিল কামিল বহাল থাকা উচিৎ
Total Reply(0)
Fakrul islam ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০১ এএম says : 0
যিনি এই বিষয়ে মামলা করেছেন, তিনার এই বিষয়ে গ্রন্থাগার বিষয়ে ডিপ্লোমা নেই। উনি সেজন্য ব্যাপারটি না বুজে গায়ের জোরে টাকার বিনিময়ে উকিলের সাথে চুক্তি করে নাকি স্থগিতাদেশ আনতে সক্ষম হয়েছেন, যা ফেসবুক এর মাধ্যমে জাতি জানতে পেরেছে, তিনি সমগ্র বাংলার উকিল তথা বিচার বিভাগককে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। আইনজীবীদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করায়, এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আশা করে আবু বকরের এই আচরণের ব্যাপারে আদালত এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তার ফেইসবুক আইডিতে সে দুইটা বিকাশ নাম্বার দিয়ে সহজ সরল মনা ছাত্রদের থেকে অর্থ নেওয়ার ধান্ধায় লিপ্ত।
Total Reply(0)
মামুন ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:০৫ পিএম says : 0
ফাযিল ও স্নাতক সমমান হওয়ার কারণে নিয়োগের ক্ষেত্রে ও সবার সমান সুযোগ পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার।
Total Reply(0)
এ রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৩৭ পিএম says : 0
এমপিও নীতিমালা২০১৮ মাদরাসা তা ঠিকই আছে, জেনারেলরা অযৌতিক দাবি করে বসলে হবে না
Total Reply(0)
mazharul islam ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৭ পিএম says : 0
#মাদ্রাসা গ্রন্থাগারগুলোতে ইসলামি ডিগ্রিধারী গ্রন্থাগারিক কেন প্রয়োজন:- আমরা জানি গ্রন্থাগার এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে পাঠক তার কাঙ্ক্ষিত চাহিদা পূরণ করার জন্য এসে থাকে। সেজন্য একজন গ্রন্থাগারিককে জ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হয়।অন্যথা পাঠকের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। আবার এটাও সত্য একেকটা ফুলের যেমন একেকটা ঘ্রাণ, ঠিক তেমনি একেকটা মানুষ একেকটা বিষয়ে পারদর্শী। মাদ্রাসা লাইব্রেরিগুলোতে সাধারণত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অধিক আসে। এতে যদি স্কুল পড়ুয়া সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত গ্রন্থাগারিক নিয়োগ করা হয়, তাহলে সেই মাদ্রাসায় শিক্ষায় শিক্ষিত পাঠকদের ইসলাম সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারবে না।আর জবাব না দিতে পারাটা স্বভাবিক;কারণ ইসলাম সম্পর্কে তার কোনো গভীর জ্ঞান নেই। অপরদিকে মাদ্রাসার লাইব্রেরিগুলোতে যে বিভিন্ন এ্যারাবিক কিতাব রয়েছে, সেগুলো পড়া এবং সেগুলো আরবীতে ক্যাটালগ কার্ড তৈরি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। আর যদি মাদ্রাসার গ্রন্থাগারগুলোতে ইসলামি ডিগ্রিধারী গ্রন্থাগারিক থাকে, তাহলে সেই মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ইসলাম সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারবেন।এর মাধ্যমে তিনি পাঠকের পাঠ চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।আর গ্রন্থাগারের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্ঞানের প্রসার সাধন এবং পাঠকের পাঠ চাহিদা পূরণ করা। কাজেই বাস্তবতা নিরিখে এবং পাঠকের কাঙ্খিত খোরাক পূরণ করার জন্য মাদ্রাসাগুলোতে ইসলামি ডিগ্রিধারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগ করা অবশ্যই প্রয়োজন।
Total Reply(0)
Soiyod ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:১১ পিএম says : 0
Quickly ai rite er solve chai.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন