ঢাকা বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান-ক্যাটালগার পদে যোগ্যদের নিয়োগ দিন

জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি-মহাসচিবের বিবৃতি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

দাখিল ও আলিম মাদরাসায় সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যাটালগার এবং ফাজিল ও কামিল মাদরাসায় লাইব্রেরিয়ান পদ প্রবর্তন করা মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বহুদিনের দাবি। সরকারের পক্ষ থেকে জনবল কাঠামোতে এ দুটি পদ প্রবর্তন ও বরাদ্দ দেয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। গতকাল এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলেছেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী। তারা বলেন, মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে সরকারের আন্তরিকতায় নতুন শিক্ষানীতির আলোকে কারিকুলাম ও সিলেবাসে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে আরবি বিষয়সমূহে আরবি মাধ্যম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যুক্ত বিবৃতিতে ইসলামী চিন্তাবিদদ্বয় বলেন, কুরআন-হাদিস, ফিকহ-উসূল, বালাগাত-মানতেক-ফারায়েজ, উসূলে তাফসীর, উসূলে হাদিস, আরবি সাহিত্য বিভাগের রেফারেন্স গ্রন্থসমূহ আরবি-ফারসি ভাষায় রচিত। মাদরাসার ফাজিল অনার্স-মাস্টার্স, দাখিল-আলেম স্তরের পাঠ্য বিষয়সমূহ ও ধর্মীয় বিষয়ের উচ্চতর গবেষণামূলক গ্রন্থসমূহও আরবি ভাষায় রচিত। এসব বিষয়ের মূল ও রেফারেন্স কিতাবসমূহ ক্রয়, যথাযথ সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন লাইব্রেরিয়ানের আরবি ভাষা জানা জরুরি। তাই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ প্রণয়নকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সকলে মাদরাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যাটালগার পদে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা হিসেবে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড/ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মাদরাসা থেকে ফাযিল ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা করা থাকতে হবে। যা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত। শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিবসহ শিক্ষা পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করেই বিষয়টি অনুমোদন করেছেন।

তারা আরো বলেন, সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতরা কোরআন, হাদিস, ফিকহ্ ও আদিবসহ অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে অভিজ্ঞ নন। মাদরাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যাটালগার পদে তাদের নিয়োগ দেয়া হলে মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হবেন। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যে একটি মহল অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বাস্তবসম্মত এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যা এ দেশের মাদরাসা শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিবসহ শিক্ষা পরিবারের সকল স্তরের দায়িত্বশীলরা বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় রেখে অনুমোদিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বহাল রাখবেন এটাই প্রত্যাশা। ##

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (37)
মাহবুর ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:২৫ এএম says : 0
মাদরাসা ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাইব্রেরিযান পদে ফাজিল ও কামিল শিক্ষাগত যোগ্যতা যথার্থ । এ দেশের সকল প্রাইমারী স্কুলে মৌলবী শিক্ষক পদ চালু করা একান্ত প্রয়োজন ।কারণ শিশু কাল থেকে বাচ্চাদেরকে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে । তাহলে দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে ।
Total Reply(0)
মাহবুর ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:২৫ এএম says : 0
মাদরাসা ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাইব্রেরিযান পদে ফাজিল ও কামিল শিক্ষাগত যোগ্যতা যথার্থ । এ দেশের সকল প্রাইমারী স্কুলে মৌলবী শিক্ষক পদ চালু করা একান্ত প্রয়োজন ।কারণ শিশু কাল থেকে বাচ্চাদেরকে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে । তাহলে দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে ।
Total Reply(0)
মাহমুদুল হাসান ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৮:১৭ এএম says : 0
বাংলাদেশের সকলপীর মাশায়েখ,আলেম ওলামাদের সাথে সরকারের সাথে দুরত্ব তৈরি করার জন্য কুচক্রিমহন লাইব্রেরিয়ান ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ নিয়ে আদালতে গিয়াছে অযৌক্তিক দাবী নয়ে।যারা চারটি কালিমা পড়তে জানেনা তারা কিভাবে কুরআন,হাদীস, আরবি, ফিকাহ, তাফসীর কিতাবের নাম জানবে এটা সকলের জানা উচিত। নিজ স্বার্থপর ব্যক্তিরাই এধরনের দাবী করে জাতীয় কথা চিন্তা না করে। সরকার এ ব্যাপারে বর্তমান ২০১৮ ঠিক রাখবেন বলে আমরা সকল আলেম সমাজ দাবী যানাচ্ছি।
Total Reply(0)
Md. Abu Taher ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:২৪ এএম says : 0
সাধারন ছাত্ররা আরবি জানেনা এটা ঠিকনা। অনেক সাধারন লাইনের ছাত্ররর আরবী জানে। প্রধান মন্ত্রী কুরান pore. সে সাধারন লাইনের ছাত্রী ছিলেন। তাছড়া লাইব্রেরীর যে কোর্স তা মাদরাসার জন্য আলাদা নয়। তাই সবার জন্য হতে হবে। ধন্যবাদ
Total Reply(0)
মোঃ জায়নুল আবিদীন ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৫৬ এএম says : 0
খুবই যুক্তিসংগত এবং দেশের উলামায়ে কেরাম ও পীর মাশায়েখদের আবেদনের প্রতিফলন, আরবি পড়তে পাড়া আরবি জানা এর পার্থক্য যারা জানেননা তিনারা হয়ত জাহিল নতুবা মাদ্রাসা শিক্ষা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদেরই অন্তর্ভুক্ত।
Total Reply(0)
আলমাস হোসেন ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৪:৪৪ পিএম says : 0
লাইব্রেরিয়ান কোর্স সবার জন্য সমান। আর সাধারন শিক্ষার্থীরা আরবি জানে। সমমান করা হোক
Total Reply(0)
khairul islam ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৭:৫৭ পিএম says : 0
00 মাদরাসা ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাইব্রেরিযান পদে ফাজিল ও কামিল শিক্ষাগত যোগ্যতা যথার্থ,কারণ ইনডেক্স,কেটালগ কিংবা একসেসনিং রেজিস্টার তৈরি সাধারণ শিক্ষিতদের দ্বারা সম্ভ নয়
Total Reply(0)
Md Ashikul Mursalin ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:২৩ এএম says : 0
যদি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছাড়া,সাধারণ শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় নিয়োগের অনুমতি পায় তাহলে বিধর্মীরাও মাদ্রাসায় নিয়োগ পেতে পারে,যেটা ইসলামি শিক্ষার অপমান,আর তারা কখনোই ইসলামি বইয়ের সম্মান দিবেনা,,
Total Reply(0)
মোঃ শহিদুল ইসলাম। ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:১২ এএম says : 0
অবশ্যই আরবি বিষয়য়ে শিক্ষিত হতে হবে। দাবিটি যুক্তিযুক্ত এবংসময় উপযোগী। আমি এ দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করি।
Total Reply(0)
স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার চাই
Total Reply(0)
নাজমুল হক ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:৪০ পিএম says : 0
সাধারণ ছাত্ররা আরবি জানেন না। কথাটা ঠিক না।অনেকে মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করে কলেজ ভর্তি হয়েছে । আবার আলিম পাস করে অনার্স,মাস্টার্স করছে তারা কি আরবি জানেন না । তাদের সাথে এই নীতিমালা বৈষম্য না।
Total Reply(0)
faruq ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:৩৬ পিএম says : 0
অবশ্যই,প্রধানমন্ত্রী,শিক্ষামন্ত্রী,উপমন্ত্রী সহ শিক্ষাপরিবারের সকলের কাছে আমাদের দাবি,কোন প্রতিবন্ধকতায় কান না দিয়ে মাদ্রাসায় সহকারী গ্রন্হাগারীক পদে মাদ্রাসার স্টুডেন্টদের চলমান নিয়োগ অব্যহত রাখতে হবে।
Total Reply(0)
মোঃ জুনাইদ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:১২ পিএম says : 0
যোগ্যতা ভিত্তিক মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হক।
Total Reply(0)
faruq ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:৫৬ পিএম says : 0
দ্রুত হাইকোর্টের দেওয়া স্হাগীত দেশ প্রত্যাহার করে মাদ্রাসায় ২০১৮ নীতিমালা অনুযায়ী সহকারী গ্রন্হাগারীক পদে চলমান নিয়োগের দাবী জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
faruq ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:৫৬ পিএম says : 0
দ্রুত হাইকোর্টের দেওয়া স্হাগীত দেশ প্রত্যাহার করে মাদ্রাসায় ২০১৮ নীতিমালা অনুযায়ী সহকারী গ্রন্হাগারীক পদে চলমান নিয়োগের দাবী জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
faruq ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:১৭ এএম says : 0
দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী গ্রন্হাগারীক পদে নিয়োগ নিয়ে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতায় কান না দিয়ে, প্রধান মন্ত্রী,শিক্ষামন্ত্রী, উপ মন্ত্রী, মহামান্য হাই কোর্ট সহ সকল বিভাগের প্রধানদের দৃষ্ঠি আকর্ষন করছি এবং চলমান নিয়োগ বহাল থাকার দাবী জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ৫ অক্টোবর, ২০২০, ৯:২৫ এএম says : 0
এটা কোন শিক্ষক পদ নয়।এটা সবার জন্য সমান অধিকার।কারণ যারা madrashay লেখাপড়া করেন তারাই শুধু ধর্মকে শ্রদ্ধা করেন না।আমদের জেনারেল লাইনে এমনো লোক যারা ধর্মকে অনেক শ্রদ্ধা করে।আর madrashay অনেক post আছে যেমন বাংলা,গনিত,ইংরেজি। সেখানে কিন্তু অমুসলিমরা আবেদন করে না।তাহলে সমস্যা কোথায়?।এজন্য সবার জন্য উন্মুক্ত হলে আমাদের মুসলিম ভাইয়েরাই সুযোগ পাবে।তাই সবার জন্য সমান অধিকার থাকা উচিত।আমিও এর পক্ষে জোর দাবি জানাই।
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ৫ অক্টোবর, ২০২০, ৯:২৫ এএম says : 0
এটা কোন শিক্ষক পদ নয়।এটা সবার জন্য সমান অধিকার।কারণ যারা madrashay লেখাপড়া করেন তারাই শুধু ধর্মকে শ্রদ্ধা করেন না।আমদের জেনারেল লাইনে এমনো লোক যারা ধর্মকে অনেক শ্রদ্ধা করে।আর madrashay অনেক post আছে যেমন বাংলা,গনিত,ইংরেজি। সেখানে কিন্তু অমুসলিমরা আবেদন করে না।তাহলে সমস্যা কোথায়?।এজন্য সবার জন্য উন্মুক্ত হলে আমাদের মুসলিম ভাইয়েরাই সুযোগ পাবে।তাই সবার জন্য সমান অধিকার থাকা উচিত।আমিও এর পক্ষে জোর দাবি জানাই।
Total Reply(0)
মোঃ জাকারিয়া ইসলাম জাকির ৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৫ পিএম says : 0
কবে থেকে নিয়োগ শুরু কটা যাবে জানতে পারলে খুশি হব
Total Reply(0)
শামসুল আরেফীন ১৩ অক্টোবর, ২০২০, ৮:৫৪ পিএম says : 0
২০১৮ জনবল কাঠামো ঠিক থাকবে ইনশাআল্লা।
Total Reply(0)
Md Dulal Sarker ২২ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৩০ পিএম says : 0
মাদরাসার শিক্ষকরা কি আরবি-ফারসিভাষায় বই ক্রয় করেন। আসলে সংঘাতে/ বিতর্কে না গিয়ে সবাইকে সমান সুযোগকরে দেয়াটা উচিত, কারন তারা ত সবাই জায়গায় সমমান চায়,নিজেকে দিয়ে অন্যকে বুঝতে শিখা উচিত না
Total Reply(0)
Nursat liza ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৪০ এএম says : 0
২০১৮ ইং সালে গ্রন্থাগারিক যে নিয়োগ নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে তা এতটুকু যুক্তিযুক্ত নয়। তার কারন মাদ্রাসায় অধিকাংশ বই জেনারেল শিক্ষার সিলেবাসভুক্ত। আর বাকি যে সব বইয়ের নাম/লেখকের নাম আরবীর পাশাপাশি বাংলায় লেখা থাকে। যেহেতু বাংলা আমাদের মাতৃভাষা সেহেতু শিক্ষার সবৌত্তম বাহন হচ্ছে মাতৃভাষা। এ ছাড়া কোনো ভাষাকে জানতে বা বুঝতে হলে তার মাতৃভাষা ছারা সম্ভব নয়। আবার একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় বিশেষ করে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও অনেক অমুসলিম শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সাথে মাদরাসায় লেখাপড়া করে আসছে। এতে করে মাদ্রাসা শিক্ষার অবমূল্যায়ন হয়েছে কি? বিষয়টি ভেবে দেখবেন। উল্লেখ্য যে,আমাদের দেশেও একসময় মুসলিমদের জন্য ইংরেজী শিক্ষা নিষিদ্ধ ছিল আর এটাও করেছিল এই দেশের তথাকথিত এক শ্রেনীর আলেম সমাজ। তাদের এই ধারনা বাস্তবসম্মত ছিল কিনা বা সেটা এখনো বলবৎ আছে কিনা? প্রশ্নটি থাকলো বিবেকবান জাতির কাছে। সুতরাং ধর্মীয় গোঁড়ামির দোহায় দিয়ে গ্রন্থাগারিক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে খোড়াযুক্তি পেশ করা হয়েছে তা অবিলম্বে সংশোধন করে নতুন নিয়োগ নীতিমালা তৈরি করার জন্য মাননীয় সরকারের সুদৃষ্টি বিশেষভাবে কামনা করছি।
Total Reply(0)
আব্দুল আলীম ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ৬:১১ এএম says : 0
বাংলাদেশে সকল মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মালম্বীরা নিয়োগ পেতে কোন বাধা নাই। মাদরাসা গ্রন্থাগারিক পদটি ধর্মীয় গ্রন্থের সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় অন্য ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় গ্রন্থের মূল্যায়ন করবে না বিধায় পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা একান্ত জরুরী।
Total Reply(0)
toufikur rahman ১ নভেম্বর, ২০২০, ১০:২০ এএম says : 0
দ্রত নিয়োগের আদেশ নিন। কেননা নিয়োগ প্রতাশিতদের বয়স সিমাবদ্ধ, তাই বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ করছি
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ৪ নভেম্বর, ২০২০, ১২:৪২ পিএম says : 0
আমার বিশ্বাস ইনশাআল্লাহ, প্রধানমন্ত্রী,শিক্ষামন্ত্রি এবং মহামান্য হাইকোর্ট বিষয়টি সুবিবেচনা করে সকলের পক্ষে রায় দিবেন।কোননা,কেউ কেউ পক্ষপাতিত্ব করলেও,মহামান্য হাইকোর্ট কোনদিন পক্ষপাতিত্ব করবেন না।ইনশাল্লাহ,সকলের পক্ষে রায় এসে যাবে।
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ১২ নভেম্বর, ২০২০, ২:৫১ পিএম says : 0
মাদ্রাসায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব তারাতারি শুরু হলে খুব ভাল হবে।
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ১২ নভেম্বর, ২০২০, ২:৫৫ পিএম says : 0
মাদ্রাসায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব তারাতারি শুরু হলে খুব ভাল হবে। কারণ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া আবেদন প্রত্তাশিতদের বহুদিনের আকাঙ্খিত দাবি।
Total Reply(0)
মোঃ ওমর ফারুক ১২ নভেম্বর, ২০২০, ৭:৩৮ পিএম says : 0
এরা কি বোঝেনা ' কেন এরকম করতেছে এদের জন্য অনেক ভাইয়ের চাকরির ব্যাঘাত সৃষ্টি করতেছে
Total Reply(0)
Alimul islam ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৫:৩৭ এএম says : 0
মাদ্রাসায় সহকারী গ্রন্থাগার নিয়োগ নীতিমালা 2018 যুক্তিসঙ্গত নয় া তাই নীতিমালাটি সংশোধন করার জন্য অনুরোধ করা হল া
Total Reply(0)
Md Hasinur Rahman ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৭:২৮ এএম says : 0
সাধারনরা আরবি পরতে পারে না বা আরবি বিষয় তাদের ভালো অভিজ্ঞতা নাই তাই এ ক্ষেত্রে মাদ্রাসায় গ্রন্থাগারিক পদে চাকরির দাবি অজুক্তিক
Total Reply(0)
Belal hussain ১৪ নভেম্বর, ২০২০, ৯:৩৬ পিএম says : 0
নিয়োগ চালু হয়েছে কি না জানালে ভালো হয়
Total Reply(0)
মো আবদুল আলিম ১৪ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৩০ পিএম says : 0
হাইকোর্টের রায় আসলে কোন দিকে যাচ্ছ। কেউ জানালে খুব খুশি হব।
Total Reply(0)
Md. Abdul Alim ১৫ নভেম্বর, ২০২০, ৬:০৪ পিএম says : 0
যারা HighCourt এ রিট করেছে তাদের নাম্বার পেতে সাহায্য করুন।
Total Reply(0)
Md. Abdul Alim ১৬ নভেম্বর, ২০২০, ২:৫৭ পিএম says : 0
যেখানে মাদ্রাসা এবং স্কুলের সকল Applicant দের সুযোগে এক পক্ষ চেষ্টা করছে।সেখানে মাদ্রাসার সকল ভাইদের সমথর্ন করা উচিত। কেননা আপনারাও কিন্তু এক sector এ সুবিধা পাচ্ছেন। আর জেনারেল লাইনে যারা তারা আরবি জানে না এটা কিন্তু ঠিক নয়। এমনকি তারা লাইব্রেরি অফিস চালাতে পারবে না এটাও ঠিক নয়। প্র‍য়োজনে সব কিছু শিখে নেবে। এই বিষয়ে তর্ক করা উচিত নয়।মনে রাখবেন,কুরআন পড়া এমন কোন জটিল বিষয় নয় এবং মসলমানদের এর উসিলায় যদি কোরআন শেখা হয় সেটা আরও ভাল।এর সওয়াব আপনারাও পেয় যাবেন।আর এ বিষয়ে আর তর্ক বিতরকো নয়।
Total Reply(0)
তারেক ২০ নভেম্বর, ২০২০, ৯:২৬ পিএম says : 0
তাহলে মাদ্রাসার ছাত্র, ছাত্রীদের আলাদা ভাবে আরবি লাইব্রেরিয়ান কোর্স করার প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশের মুসলিমরা আরবি পড়তে জানা।
Total Reply(0)
তারেক হোসাইন ২০ নভেম্বর, ২০২০, ৯:২৬ পিএম says : 0
তাহলে মাদ্রাসার ছাত্র, ছাত্রীদের আলাদা ভাবে আরবি লাইব্রেরিয়ান কোর্স করার প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশের মুসলিমরা আরবি পড়তে জানা।
Total Reply(0)
মোঃ শাহাদাৎ হোসেন ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৭:৩৯ এএম says : 0
আসসালামু আলাইকুম প্রিয়বন্ধুরা যে মুসলমান সে কম বেশি আর৷ জানেন সুতরাং শুধু আরবি বিষয়ের কথা বলে লাইব্রেরিয়ান পদটি শুধু ফাজিল পাশ ছাত্র ছাত্রী দিকেসমথর্নেেে কোন যুক্তি নেই। যখন একজন মানুষ কোন দায়িত্বেে থাকে তখন সে আসতে আসতে সকল কিছু জনতে পারে এবিষয়ে কাউকে ছোট করে দেখার কিছু নেই। জমিয়াতুল মোদ্দার্রীছিন যেটা করছেন সে নিিছক অমুক কথা বলেছেন তাদের সমথর্ন টি অযুক্তিযুক্তক একটা কখনো কাম্য ছিলনা আপনারা আমাদের অভিভাবক আপনাদের এই সমথর্ন আমাদের হতাশ করেছে কষ্ট দিয়েছে। কারন তারা একটা সংগঠন । বাংলাদেশের যত মুসলমান ছাত্র ছাত্রী রয়েছে সকলে তাদেরই সন্তান জেনারেল শিক্ষা ছাত্র ছাত্রী তাদের সন্তান আরবি বিষয় নিয়ে যারা মাদ্রাসা শিক্ষার লাভ করেছেন তারও আপনাদের সন্তান। এক সন্তান কে অধিকার বনচিত করে । আর একজন কে খুশি করছেন। নবীকরিম সাঃ বলেছেন বিদ্যা অর্জন করতে সুদুর চীন যেতে হলেও সেখানে যাও। আমরা জেনারেল শিক্ষা ছাত্র ছাত্রী আমাদের দোষ কোথায় । জমিয়াতুল মোদ্দার্রীছিন আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ আর এক সন্তানের পক্ষে সমর্থন না দিয়ে সকল মুসলিম সন্তানের প্রতি সদয় হইয়া বৈষম্য দুর করুন। মাদ্রাসায় লাইব্রেরিয়ান পদে আবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া ব্যবস্তা গ্রহণ করুন।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন