ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ব্রেক্সিট প্রস্তাবে শান্তি বিঘ্নিত হবে না উত্তর আয়ারল্যান্ডে

আমেরিকাকে আস্বস্ত করল যুক্তরাজ্য

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

অ্যামেরিকাকে আশ্বস্ত করতে চাইল যুক্তরাজ্য। বিদেশ সচিব ডমিনিক রাব জানালেন, তাদের ব্রেক্সিট প্রস্তাবে উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি বিঘ্নিত হবে না। হুমকি দিয়েছিলেন অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। তিনি টুইট করে জানিয়েছিলেন, গুড ফ্রাইডে চুক্তি উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি এনেছে। ব্রেক্সিটের নামে সেই চুক্তি বানচাল করা যাবে না। ভবিষ্যতে অ্যামেরিকা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির ভিত্তিই হবে, গুড ফ্রাইডে এগ্রিমেন্টকে মানা বা না মানা। ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে পাশে নিয়ে ডমিনিক রাব জানিয়েছেন, গুড ফ্রাইডে চুক্তি হলো চ‚ড়ান্ত বিষয়। তাকে বানচাল করার কোনো প্রশ্নই নেই।

সিএনএন-কে রাব বলেছেন, ‘গুড ফ্রাইডে চুক্তি নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই। আমাদের এ ব্যাপারে কোনো দ্বিধা নেই। চুক্তি বিঘ্নিত হবে না। আপনারা আশ্বস্ত থাকতে পারেন, আমরা চুক্তি পালনে দায়বদ্ধ। ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে আমরা কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে হার্ড বর্ডার নীতি নিয়ে চলব’।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গত সোমবার ইন্টারনেট মার্কেট বিল পাস হয়েছে। এই বিল ইইউ উইথড্রয়াল চুক্তির সরাসরি বিরোধী। এ নিয়ে ইইউ-র দেশগুলি ক্ষুব্ধ। ইইউ-র তরফে ব্রেক্সিট নিয়ে যারা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কথা বলছেন,তারাও মনে করছেন, এই ধরনের বিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে। উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের অঙ্গ, কিন্তু রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ড ইইউ-তে থাকছে। সে ক্ষেত্রে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডের হার্ড বর্ডার তৈরি হবে। কিন্তু গুড ফ্রাইডে চুক্তিতে বলা রয়েছে, ওপেন বর্ডার থাকবে।

যুক্তরাজ্যের পাঁচজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীও ইইউ উইথড্রয়াল চুক্তি ভাঙা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু রাব সব দায় ইইউ-র ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইইউ বিষয়টির রাজনীতিকরণ করছে। সে জন্যই গুড ফ্রাইডে চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আয়ারল্যান্ডের প্রভাব বরাবরই আছে বলে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কারণ, অ্যামেরিকার সাড়ে তিন কোটি মানুষ আদতে আয়ারল্যান্ড থেকে গেছেন। আইরিশ-অ্যামেরিকান রাজনীতিবিদদের সঙ্গেও আয়ারল্যান্ড ঘনিষ্ঠ যোগ রাখে। সূত্র : এএফপি, এপি, রয়টার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন