ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সম্পাদকীয়

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০৫ এএম

করোনায় শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

বর্তমানে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্থগিত রয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। যদিও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরকার যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের বইমুখী রাখার চেষ্টা করছে, কিন্তু সেটাও কি সফলভাবে করতে পারছেন? না। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বসবাস করে গ্রামে। ফলে নেটওয়ার্ক দুর্বলতার কারণে তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সঠিকভাবে সেবাটি পাচ্ছে না।

আর যারা এর আওতাধীন আছে তারাই বা এ ব্যাপারে কতটা সফল হচ্ছে তাও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, অনেকেরই স্মার্টফোন নেই। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাব্যবস্থা একরকম ঝিমিয়ে পড়েছে, আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে শিক্ষার্থীরা। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই এখন মুখিয়ে আছে কবে তারা ক্যাম্পাসে প্রত্যাবর্তন করবে এবং নিয়মিত হবে। তাই দ্রুত এ সংকটের মোকাবিলা করতে না পারলে শিক্ষাব্যবস্থা পিছিয়ে পড়বে। যদিও সরকার শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে অটোপ্রমোশনের চিন্তা করছে কিন্তু তা প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর হবে? এ বিষয়ে অতি দ্রুত এবং বিকল্প কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া না গেলে শিক্ষাব্যবস্থায় এক অদৃশ্য বিপর্যয় নেমে আসবে।
মামুন হোসেন আগুন
শিক্ষার্থী
ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

 


নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা করুন
করোনার প্রাদুর্ভাবে অধিকাংশ নিম্নআয়ের মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। তার মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া। নিম্নআয়ের মানুষের এত চড়া দামে নিত্যপণ্য কিনে জীবনযাপন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাজারো সিন্ডিকেটের বেড়াজালে প্রতিনিয়ত এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবারও লক্ষ করা যাচ্ছে, বাজারে পেঁয়াজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আহবান করছি, এই সমস্ত সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ইতোমধ্যেই প্রতিবেশী দেশ ভারত পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছে। ফলে পেঁয়াজের দাম গত বছরের মতো সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাই, নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
আব্দুর রউফ
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন