ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

উন্নয়ন হয়নি দীর্ঘদিনেও

কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মো. বদরুজ্জামান খান সবুজ, গৌরনদী (বরিশাল) থেকে : | প্রকাশের সময় : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০২ এএম

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা। সরকারি এ বিদ্যালয়ের টিনের ঘরটি দেখে অনেকেই থমকে দাঁড়ান। ভাবেন এটি কিসের ঘর? কোন সাইনবোর্ড নেই। যদি শোনেন এটি একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুল। চমকে গিয়ে প্রশ্ন করবেন তাহলে এই অবস্থা কেন? প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিন পরেও বিদ্যালয়টিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। গড়ে ওঠেনি পাকা ভবন। বিদ্যালয়ে মাঠ থাকলেও সামান্য বৃষ্টিতে পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১০ বছর পূর্বে কর্মরত শিক্ষক ও স্থানীয়দের অনুদানের টাকায় কাঠ ও টিন দিয়ে ওই বিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হয়েছিল। শুরু থেকে ওই টিনের ঘরে কোনমতে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করে আসছিলেন শিক্ষকরা। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০১৪ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ৯৬ শিক্ষার্থী ও ৪ শিক্ষক রয়েছেন।
কুতুবপুর গ্রামের জামাল চাপরাশি জানান, বৃষ্টি হলে স্কুলের টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে। এই ভাঙা ঘরে পুনরায় কিভাবে ক্লাশ চলবে এ নিয়ে অভিভাবকরা চিন্তিত। স্কুলে পাকা ভবন ও মাঠ ভরাটের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন অভিভাবকরা।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হায়দার জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্কুল ঘরটি বহুবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্কুলটিতে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়নি। তীব্র গরমের সময় শিক্ষার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নানাবিধ সমস্যার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এ স্কুল ছেড়ে অন্য স্কুলে চলে যাচ্ছে।
কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক খুকু মনি জানান, স্কুলে পাকা ভবন না থাকায় আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে নানাবিধ সমস্যায় আছি। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে স্কুলটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সংস্কারের জন্য দেড় লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে ফ্লোর পাকা করা হবে। দ্রুত পাকা ভবন নির্মাণের জন্য তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফয়সাল জামিল বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিদ্যালয়টি সংস্কারের জন্য সরকারি দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নতুন পাকা ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন