ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭, ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

জীবকূলের এক মহাবিপর্যয়!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০৩ এএম

করোনাভাইরাস মহামারী ছড়িয়েছে ২১৩টি দেশে। আর এতে গণমৃত্যুর সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। এবার জীবক‚লের আরও এক বিপর্যয় দেখল গোটা বিশ্ব। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া দ্বীপের বালির চরে আটকে পড়ে অন্তত ৩৮০টি তিমির মৃত্যু হয়েছে। মাত্র কয়েক ডজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীরা।
বালির চরে আটকে এভাবে গণহারে তিমির মৃত্যু আগে কখনও হয়নি। তাসমানিয়ার ‘পার্কস অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ সার্ভিস’-এর ম্যানেজার নিক ডেকা জানান, ‘৪৬০টি তিমির গোটা দলটাই ম্যাকোয়্যার হেডস অংশের অগভীর অংশে আটকে গেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বালি-কাদার থকথকে চরায় মাঝে মধ্যেই আটকে যায় তিমি বা ওই ধরনের ভারী চেহারার বড় সামুদ্রিক প্রাণী। কিন্তু এবার সংখ্যাটা অস্বাভাবিক রকমের বেশি। গত ১০ বছরে এতগুলো তিমিকে একসঙ্গে আটকে পড়তে দেখা যায়নি। অন্তত ৩৮০টি তিমি মারা গেছে। ইতোমধ্যে ৫০টিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও ৩০টির মতো জীবিত অবস্থায় আটকে রয়েছে।’
জীববিজ্ঞানী, অভিজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় মৎস্যজীবীদের ৬০ জনের দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কাজ চলছে। তিমিরা সাধারণত দলনেতাদের পিছন পিছন ঝাঁক বেঁধে যে কোনও জায়গায় যায়। সেই কারণে কোথাও বিপদ এলে দলনেতারা অর্থাৎ পাইলট তিমিরাই আগে আক্রান্ত হয়। বাকি তিমিরা কিন্তু নেতাদের ফেলে রেখে চলে যায় না।
তিমিরা দল বেঁধেই থাকে। সেই কারণেই এখানেও সমস্ত তিমিই যে বিপদে পড়ে আটকে রয়েছে, তা নয়। স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের কারণেই তারা নিজেদের সরিয়ে নিয়ে যায়নি দল থেকে। এর আগে ২০০৯ সালে শেষবার এত সংখ্যক তিমিকে আটকে পড়তে দেখা গেছে তাসমানিয়ার বালির চরে। সেবার প্রায় ২০০ তিমি আটকে ছিল। ২০১৮ সালে ১০০টিরও বেশি পাইলট তিমি মারা গিয়েছিল।
সামুদ্রিক ডলফিন প্রজাতির এই পাইলট তিমিরা সাধারণত লম্বায় সাত মিটার। তবে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে এই ঘটনা স্বাভাবিক বলেই জানিয়েছে স্থানীয় পরিবেশ দফতর। সূত্র : সিএনএন/বিবিসি নিউজি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন