ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২ মাঘ ১৪২৭, ১২ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

প্রধান অভিযুক্ত শহিদ ৩ বছর পরে গ্রেফতার

পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার

পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০১ এএম

হত্যাকান্ডের ৩ বছর পরে জেলার গলাচিপার চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২০১৭ সালের দুই আগস্ট গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে হত্যাকান্ডের শিকার হন স্বামী, স্ত্রী ও পালিত কন্যা।

ঐ হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সকালে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসামি গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় । এর আগে গত শনিবর সাভার থেকে শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো. মইনুল হাসান জানান, ২০১৭ সালের ২ আগস্ট গলাচিপা আমখোলা ইউনিয়নে এর ছৈলাবুনিয়া গ্রামের নির্জন ঘরে বিভৎস অবস্থায় তিনজনের লাশ পাওয়া যায়। নিহত দেলোয়ার মোল্লা (৬৫), তার স্ত্রী পারভীন বেগম (৬৫) এবং পালিত কন্যা কাজলী আক্তার (১৫) কে বসত ঘরে অজ্ঞাত নামা হত্যাকারীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ইদ্রিস মোল্লা বাদী হয়ে ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট অজ্ঞাত নামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই ঘটনায় দেলোয়ার মোল্লার বোন পিয়ারা বেগম বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা ১৫ জন আসামি করে একটি গলাচিপা আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশ গুরুত্ব সহকারে মামলাটি তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টোবর ঢাকার পল্লবী থানাধীন বাউনিয়াবাধ এলাকা থেকে মোহাম্মদ আবু রায়হানের কাছ থেকে নিহত কাজলী আক্তারের খোয়া যাওয়া নোকিয়া ১২৮০ মডেলের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আবু রায়হান জানান তার বাড়ি বরিশাল জেলার হিজলা থানা এলাকায়। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে তার ফুপুর ননদের স্বামী শহীদ তাকে দেয়।
উল্লেখ্য পূর্ব থেকেই সাক্ষ্য বিচার বিশ্লেষণে শহীদ প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার তদন্তকারী অফিসার গলাচিপা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে সাভারের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. মইনুল হাসান জানান, শহিদ তার নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীর নামের চলাফেরা করত। একটি ভাড়া বাসায় প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিল এবং অটো রিক্সা চালাতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শহিদ হত্যার বিষয় স্বীকার করেছে। পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গ্রেফতার শহিদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড এর আবেদন করবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন