ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

সম্পাদকীয়

 হেফাজতে রায়হানের মৃত্যু : তার অসহায় পরিবারের কী হবে?

আফতাব চৌধুরী | প্রকাশের সময় : ২২ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

সিলেট বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ১০ অক্টোবর শনিবার শারীরিক নির্যাতন, নিপীড়ন এবং হাত পায়ের নখ তুলে রায়হান নামক এক যুবককে হত্যা করার ঘটনায় সিলেটের শত শত মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, আলোচনা করেছি। সকলেই ন্যক্কারজনক, মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে যে বা যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে বা অন্যরা এভাবে বিনা বিচারে মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করার সাহস না পায়। বিভিন্ন সূত্র এবং মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পোশাকধারী লোকেরা এস.আই আকবরের নেতৃত্বে মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য ৩ মাস বয়সের শিশু কন্যার পিতা, বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তানকে যেভাবে পিটিয়ে, হাতের নখ উপড়ে ফেলে হত্যা করেছে তা অবশ্যই ঘৃণিত, নিন্দিত, অমার্জনীয় অপরাধ এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লংঘন । বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির চারদিকে রয়েছে বেশ ক’টি মসজিদ, রয়েছে জেলা প্রশাসকের বাংলো ও কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও বাসস্থান, জেলা ও দায়রাজজ আদালত এবং ক’টি পত্রিকা অফিস। লোকে লোকারণ্য এর অবস্থান। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই এ ফাঁড়িতে কর্মরত পোশাকদারী লোকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, নিরীহ পথযাত্রী রিক্সা, সিএনজি এবং প্রাইভেট কারের যাত্রীদের নামিয়ে নানা অযুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আমরা হর হামেশাই পেয়ে থাকি। একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে এসব অভিযোগের জবাব দিতে বিব্রত বোধ করি। মুষ্টিমেয়, দুর্নীতিবাজ, সুবিধাভোগী ও নৈতিকতা বিবর্জিত কিছু মানুষের কু-কর্মের জন্য সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষু্ণ্ণ হোক বা আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি হোক, তা কোনোভাবেই সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিকরা মেনে নিতে পারেন না।

সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, দেশের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে এবং সরকারের ভাবমর্যাদা সমুন্নত রাখতে দুর্নীতিবাজ, লুটেরা এবং দুষ্কৃৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অনাগত প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে না হয়। নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন জাতি গড়ার প্রত্যয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এক সংবাদ সম্মেলনে গত ১৪ অক্টোবর সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি প্রদানে দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। আমরা দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে তার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

রায়হানের পরিবার আজ অসহায়। তার যৎসামান্য আয়েই চলত পরিবার। সে-ই ছিল পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। তার বাবা নেই, আছেন বিধবা মা, কুড়ি বছরের বিধবা স্ত্রী আর ৩ মাস বয়সের শিশু কন্যা। তাদের দেখাশুনা বা লালন পালনের দায়িত্ব নেবে কে? আমরা আশা করি, সরকার তাদের ভরন-পোষণ বা স্থায়ী মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করবে। অনাথ শিশুটি খেয়ে-পড়ে ও লেখা-পড়া করে যাতে মানুষ হতে পারে তার ব্যবস্থা করবে সরকার, এ প্রত্যাশা আমাদের।

এ জাতীয় অমানবিক ঘটনা দেশের প্রায় সর্বত্রই অহরহ ঘটলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য বা দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন অবনতি ঘটেনি। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র। জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, বিচারও হবে। কেউই ছাড় পাবে না। বিচারের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। হাইকোর্টের মন্তব্য: দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীরা বরগুনা জেলা শহরে একজনকে কুপিয়ে মারলো, উপস্থিত জনগণ সে দৃশ্য দেখে ভিডিও করলো কিন্তু কেউ বাধা দিল না বা যুবককে বাঁচাতেও এগিয়ে এলো না। সমাজটা কোথায় যাচ্ছে? হ্যাঁ আমরাও বলি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এত অবনতির কারণ কী? কেন আজ কিছু মানুষ অমানুষের মতো অপরাধ করে চলেছে। দেশে একটা সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও কেন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে? মানুষ নামের এসব নরপশুর দৃষ্টান্তুমূলক শাস্তির ব্যবস্থা কি করা যায় না, যাতে অন্যরা এ জাতীয় অপরাধ করতে সাহস না পায়?

রাজধানী ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া খুন, অপহরণ, ছিনতাই, রাজনৈতিক হত্যাকান্ড এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডই প্রমাণ করে, দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। দেশের এ হাল-অবস্থায় সাধারণ মানুষ তাদের জান-মালের নিরাপত্তাজনিত কারণে অসহায় ও বোবা হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের জনসাধারণ নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও শংকিত অবস্থায় দিন গুজরান করছেন। এ নিয়ে প্রশাসন, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে চলেছেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তেমন মাথা ব্যথা আছে বলে মনে হয় না। টু-পাইসের ব্যাপারটা গোটা পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে ফেলেছে। তারা দেখেও দেখে না, শুনেও শুনে না বলে সাধারণ মানুষের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। নিজেরটা হয়ে গেলে অন্যদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজনীয়তা তারা উপলব্ধি করে না বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা বুঝতেও চায় না যে, তাদের দায়িত্ব কী? কেন তাদের বেতন, ভাতাসহ আনুষঙ্গিক অনেক বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে? অপরাধ বাড়ছে, অপরাধী সর্বদাই সক্রিয় রয়েছে। আবার এসব অপরাধ ও অপরাধীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে তারা, যাদের দায়িত্ব অপরাধ প্রতিহত করা, অপরাধীদের দমন করা। এ অভিযোগ প্রায় সর্বত্রই। অপরাধ প্রবণতা এতই বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, কে কখন কীভাবে আক্রান্ত হবে, কার সম্পত্তি কে দখল করবে, কে কখন লাঞ্চিত হবে, কে কখন অপহৃত হবে, এ আশংকায় সাধারণ মানুষের চোখে ঘুম নেই। এ অপরাধ প্রবণতা রোধে কেউই সক্রিয় হয়ে এগিয়ে আসছে না। সবাই যেন নীরব দর্শক।

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যতদূর অবনতি হয়েছে তা বুঝতে পান্ডিত্য বা বুদ্ধির প্রয়োজন হয় না। দেশে একটি সরকার আছে। বিধিবদ্ধ আইনের আশ্রয়ে চলছে প্রশাসন। তাদের সহযোগিতায় আছে পুলিশ বিভাগ। অথচ প্রকাশ্যে প্রাণহানি, খুন, উৎখাত ইত্যাদির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় চলছে অস্ত্রের মহড়া, ছিনতাই, রাহাজানি এবং তারপর খুন। রাজপথে বসছে বাজার, ফুটপাত দেওয়া হচ্ছে লিজ, রাজপথের উভয় পাশে যানবাহনের অবৈধ স্ট্যান্ড, এদের সরাবার উদ্যোগ তো নেই-ই বরং দৈনিক, সাপ্তাহিক ভিত্তিতে আদায় করা হচ্ছে চাঁদা। এখানে চাঁদাবাজ কারা, কে তাদের দেখবে, কে গ্রেফতার করবে, বিচার করবে কে? যারা করবে তারাই তো এসব অপরাধে জড়িত বলে সাধারণ মানুষের ধারণা।

অপরাধী, দুস্কৃতকারী, সন্ত্রাসী, খুনীদের কোন কোন সময় গ্রেফতার করা হলে প্রতিবাদ, মিছিল, সভা হয়, বিবৃতি প্রদান করা হয়- এটাও ঠিক। এতে অপরাধীরা ঘৃণার পরিবর্তে আশ্রয়প্রাপ্ত ও উৎসাহিত হয়। রাজনীতি ও দলীয় গোষ্ঠিস্বার্থকে বিভিন্ন অঙ্গনে অনুপ্রবেশ করানো হচ্ছে। হাসপাতাল, ক্লিনিক, এমনকি কারাগার পর্যন্ত এখন আর নিরাপদ নয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীকে মারপিট করে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সত্য সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিককে শুধু ভয় দেখানো হচ্ছে না খুনও করা হচ্ছে। সাগর-রুনি তার একমাত্র দৃষ্টান্ত নয়, আরো আছে। পরিস্থিতির অবনতির এর চেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত আর কী হতে পারে? ধর্ষণ করে খুন করা হচ্ছে, পুলিশ বিভাগের বড় কর্তাদের অফিস ও বাসার সামনে চলছে মদ, জুয়া, ছেঁড়া টাকা, পাউন্ড-ডলারের অবৈধ ব্যবসা, পতিতারা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে দেহ ব্যবসা, নেই কোন প্রতিকার, নেই প্রতিরোধ। আছে আইন, নেই প্রয়োগ ।
আমরা সবাই বলে থাকি, দেশের সার্বিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলাজনিত স্বাভাবিক পরিবেশ ও সুষ্ঠু পরিস্থিতি। অথচ সেরূপ পরিস্থিতির নিশ্চয়তার জন্য প্রচেষ্টা কি চালানো হচ্ছে? যদি হয়ে থাকে, তবে ফলাফল কোথায়? আসলে আমরা মুখে যা বলি কার্যক্ষেত্রে তাতে বিশ্বাসী নই। দেশের জনগণকে সকল শক্তির, সকল ক্ষমতার উৎস বলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের আশ্রয় দেওয়া হয়। কিন্তু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা কোনদিনেই রাজনৈতিক প্রত্যয় ও অঙ্গীকারে বলিয়ান নয়। তারা লোভী, ভোগ ও সুবিধাবাদী। এ সুবিধাবাদের কারণে তারা দল বদল করে, লেবাস পরিবর্তন করে। তারা অপরাধ করে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে থাকে। জুলুম ও জালেমকে যেখানে আমাদের ঘৃণা করা উচিত, সেখানে আমরা কেবল নীরবই থাকি না, তাদের পক্ষে কথা বলি, নিরপরাধ বলে বিবৃতি, বক্তৃতা দিয়ে থাকি। এটা কি স্ব-বিরোধিতা নয়? আমাদের মনে রাখতে হবে, ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ আর শাস্তির কঠোর বিধানই সন্ত্রাসের একমাত্র জবাব। একথা অবশ্য আমরা মাঝে মধ্যে বলে থাকলেও কার্যক্ষেত্র তার প্রতিফলন ঘটাতে পারি না। ন্যায় ও নীতির অনুসরণে আইনের প্রতি আস্থাশীল জনসাধারণ সহযোগী শক্তিতে পরিণত হয়।

অন্যদিকে পরিস্থিতির অবনতি লক্ষ করে ও ব্যবস্থা গ্রহণের সময় ক্ষেপণ করা হলে অবনতি দ্রুত হয়। প্রতিপক্ষ দুঃসাহসী ও শক্তিশালী হয়, পরিস্থিতি এ সময় আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণই বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। পরিস্থিতিকে সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়া প্রজ্ঞার পরিচায়ক নয়। জনগণকে যতই অসহায় মনে করা হোক না কেন, জনগণই ক্ষমতার উৎস। জনগণের শক্তি অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে যে নৈরাজ্য নেমে আসে তা কারো জন্য কল্যাণকর হতে পারে না- ইতিহাস এর সাক্ষী। কোন শক্তিধর ব্যক্তি বা গোষ্ঠীই গণজোয়ার ঠেকাতে পারেনি এবং পারবেও না। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সারাদেশে বর্তমানে যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে তাতে সহজেই বলা যায়, পরিস্থিতি নৈরাজ্যের দ্বারে উপনীত। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় বের করতেই হবে।

এই লেখাটি যখন শেষ পর্যায়ে ঠিক তখন আমার মনে হলো, সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সলের কথা, তিনি আমেরিকাতে গিয়েছিলেন সরকারি সফরে। ওয়াশিংটন বিমান বন্দরে ভিভিআইপি লাউঞ্জে সেখানকার এক সাংবাদিক বাদশাহকে প্রশ্ন করেছিলেন: বাদশা ফয়সল, আপনারা বলেন, ইসলাম খুব সুন্দর ধর্ম, শান্তির ধর্ম কিন্তু আমরা দেখতে পাই আপনাদের দেশে বিভিন্ন শহরে এমনকি মক্কা-মদিনাতেও শিরচ্ছেদ করা হয়। এ ব্যপারে আপনার বক্তব্য কী? প্রতিউত্তরে মহামান্য বাদশাহ বললেন: হ্যাঁ, এটা সত্য, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করে থাকলে সম্ভাব্য কম সময়ের ভিতর সাক্ষী প্রমাণ নিয়ে কুরআন-হাদিসের আলোকে অপরাধের মাত্রানুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়। এতে কারও কারও অপরাধের মাত্রা ঐ পর্যায়ের হলে শিরচ্ছেদ করা হয়। এতে অন্যরা অপরাধ করতে সাহস পায় না। ফলে আমাদের সৌদিআরবে অপরাধ প্রবণতা খুবই কম, এমনকি গভীর রাতে একজন সুন্দরী যুবতী রাস্তা দিয়ে একা হাঁটলেও কেউ কারও গায়ে হাত দেবে না, বস্তাবন্ধি করে কোটি কোটি ডলার, পাউন্ড বা রিয়াল নিয়ে হাঁটলে কেউ ছিনতাই বা ডাকাতি করতে সাহস পাবে না। এতে প্রমাণিত হয়, আমাদের দেশে অপরাধের মাত্রা বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে কম আর আপনিই বলুন, আপনাদের দেশে প্রতি মিনিটে কতটা ছিনতাই, ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনার ঘটে থাকে? বাদশাহ ফয়সলের জ্ঞানর্গভ বক্তব্য শুনে প্রশ্নকারী সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। আমার বক্তব্য, আমাদের দেশেও যদি অপরাধীদের সম্ভাব্য কম সময়ের ভিতরে বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে অপরাধ প্রবণতা অবশ্যই হ্রাস পাবে।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
parvez ২২ অক্টোবর, ২০২০, ৬:১৩ এএম says : 0
হত্যাকারীর যাবতীয় সুযোগ সুবিধা কর্তন করে নিহতের পরিবারকে দেয়া যেতে পারে।
Total Reply(0)
Jack Ali ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ৬:১৫ পিএম says : 0
government is our servant so government will look after his family.
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন