ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

নভেম্বরেই আসছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে শুরু হতে পারে করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান। গতকাল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, নভেম্বরের শুরুতে টিকা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়ে দেশটির একটি হাসপাতালকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অক্সফোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে কোভিড টিকা তৈরির কাজ করছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত যে কয়টি ভ্যাকসিন শেষ ধাপের পরীক্ষায় পৌঁছেছে তার মধ্যে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের শেষ ধাপের কাজও চ‚ড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়ার দৌড়ে অক্সফোর্ড ছাড়াও ফাইজার এবং বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনও প্রথম সারিতে রয়েছে।

দ্য সান জানিয়েছে, লন্ডনের একটি হাসপাতালকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই টিকা দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ২ নভেম্বরে থেকে ব্রিটেনের সাধারণ নাগরিকদের ওপর এ টিকার প্রয়োগ শুরু হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। তবে দেশটির স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, সবকিছু ঠিকঠাকভাবে চললে ওয়ারউইকশায়ারের জর্জ এলিয়ট হাসপাতাল এনএইচএস ট্রাস্টকে ডিসেম্বরের প্রথম থেকে কর্মীদের টিকা দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের ব্যাচ উৎপাদনের কাজ শুরু হলেও এখনও শেষ ধাপের ট্রায়ালগুলো চলছে এবং ভ্যাকসিনটি এখনও জনসাধারণের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর বলে বিবেচিত হয়নি। এ প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্টনি ফাউসি ইতিমধ্যে বলেছেন যে, একাধিক সম্ভাব্য ভ্যাকসিনগুলি নিরাপদ কিনা তা ডিসেম্বরের শুরুতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এদিকে, গতকাল দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনটি প্রাপ্তবয়স্কদের দেহে করোনার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বরাত দিয়ে দৈনিকটি বলছে, বয়স্কদের দেহে ভ্যাকসিনটি অ্যান্টিবডি ও টি-সেল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এতে বলা হয়, গত জুলাইয়ে ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সী সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক একদল স্বেচ্ছাসেবীর দেহে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করেছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন। তবে পাশাপাশি সতর্ক তরে দিয়ে বলা হয়েছে, এখনও নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়নি টিকাটি। খুব শিগগিরই বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। গত জুনে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যাস্কল সোরিওট বলেন, করোনার বিরুদ্ধে তাদের তৈরি ভ্যাকসিনটি প্রায় এক বছরের মতো সুরক্ষা দিতে পারবে। সূত্র : মিরর।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন