ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২ মাঘ ১৪২৭, ১২ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

৩ ফসলি জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১০ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) নির্মাণের নামে তিন ফসলি কৃষি জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে মানববন্ধন করেছে শত শত কৃষক। পশ্চিম আউলিয়াপুর তিন ফসলি কৃষি জমি রক্ষা কমিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গতকাল সকালে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কৃষক মাওলানা মো. সিদ্দিকুর রহমান, আবদুল হক মোল্লা, মো. মিজানুর রহমান, এইচএম ইলিয়াস, জসিম তালুকদার।
বক্তারা বলেন, মহাসড়ক নির্মাণে তারা জমি দিয়েছেন, রেললাইন নির্মাণে শত শত একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এখন আবার ইপিজেড নির্মাণে সরকার তাদের ৪০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, শেষ সম্বল কৃষি জমি সরকার কেড়ে নিলে তাদের আর কোনো কৃষি জমি থাকবে না।
তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর যে ঘোষণা দিয়েছেন সেটার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে আনোয়ার (৬৫), আবদুল মালেক (৫৫), আবদুস সালাম (৬২), ফারুকসহ আরো একাধিক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাদের তিন ফসলি জমির দুই কিলোমিটারের মধ্যে বাঁশবুনিয়া এলাকায় এক ফসলি জমি কৃষকরা ইপিজেড নির্মাণের জন্য সরকারকে হস্তান্তর করতে চায়। সড়কে পাশে সেই জমি সরকার না নিয়ে তিন ফসলি জমি কী কারণে অধিগ্রহণ করতে চায় তা জানা প্রয়োজন বলে দাবি করেন কৃষকরা। তারা বলেন, আমরা সরকারের উন্নয়নে বিশ্বাসী।
সরকার পটুয়াখালীতে একটি ইপিজেড নির্মাণ করতে চায় এটা খুশির খবর। একাধিক বিকল্প জমি থাকতে মহাসড়কের পাশে কেন এই জমি প্রস্তাব করা হয়েছে তা কারো বোধগম্য নয় বলে জানান তারা। তারা দাবি করেন বলইকাঠী চর, চর মৌশাদী, চর জৈনকাঠী, লোহালিয়া সেতু সংলগ্ন চর এলাকায় হাজার হাজার পতিত জমি থাকতে কি কারণে তিন ফসলি জমি প্রস্তাব করা হয়েছে তা জানতে চান কৃষকরা।
পরে মানববন্ধন শেষে ৮২৮ জনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন