ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৫ মাঘ ১৪২৭, ০৫ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ইটভাটা মালিকের পারিবারিক দ্বন্দ্বে প্রাণ গেলো পাহারাদারের

শেরপুর জেলা সংবাদাতা | প্রকাশের সময় : ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৩:৩৮ পিএম

শেরপুরের শ্রীবরদীর জেইউবি ইটভাটার পাহারাদার সোহেল ওরফে বাবুর হত্যাকান্ডের ঘটনায় ওই ইটভাটার মালিকের দুইপুত্রসহ ১০জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা হয়েছে শ্রীবরদী থানায়। পুলিশ আজ ২৯ নভেম্বর ভোরে মালিকের দুই পুত্রসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্বজনরা জানান, শেরপুরের শ্রীবরদীর নয়ানী শ্রীবরদীর জনৈক জালালের জেইউবি ইটভাটায় আড়াই বছর যাবত পাহারাদারের কাজ করতো বাবু। জালালের দুই স্ত্রীর সন্তানদের সাথে তিন ছেলের পারিবারিক দ্বন্দ্ব মাস ছয়েক আগে থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। সেসময় জালালের পরম বিশ্বস্ত পাহারাদার বাবুকে নির্দেশনা দেয়া ছিল তার হুকুম ছাড়া তার সন্তানদের কেউই যেনো ইটভাটা থেকে ইট নিতে না পারে। সে অনুযায়ীই কাজ করে বাবু। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে ইটভাটার মালিকের পুত্ররা। ফলে ইটভাটায় এসে ২৪ নভেম্বর ইটভাটা এসে নিখোঁজ হয় বাবু। পরে ২৮ নভেম্বর ইটভাটার ১শ গজ দূরে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গতরাতে ৫জনের নাম উল্লেখ করে ও ৫জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে বাবুর বাবা গোলাপ আলী। পরে আজ ভোরে শ্রীবরদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জালাল উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমান (৪০), হারুনুর রশিদ সাদা (৩৭) ও জেইউবি ইটভাটার ম্যানেজার ও দক্ষিণপোড়াগড়[ গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে ইস্রাফিল মিয়া (৩৫) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে পুলিশ মামলার স্বার্থে পলাতকদের নাম জানায়নি পুলিশ। বাবুর বাবা গোলাপ আলী অভিযোগ করে বলেন, মালিক জালালের নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে তার ছেলেদের রোষানলে পরে বাবু। আর তার জের হিসেবেই লাশ হতে হলো তাকে। একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে পরিবার এখন দিশেহারা। এখন তাদের একটাই চাওয়া বাবু হত্যার সঠিক বিচার।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, এজাহারভূক্ত তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আশা করা হচ্ছে তাদেরকেও দ্রুতই গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন