ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

টারজান ভিসায় সর্বনাশ

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টায় বাংলাদেশি গ্রেফতার ৩,৪৫৫

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

‘টারজান ভিসা’ নামে কাগজে-কলমে কিছু নেই। কিন্তু বাস্তবে আছে। উন্নত জীবনের আশায় বাংলাদেশিরা টারজান ভিসার ঝুঁকি নিচ্ছে। টারজান ভিসা মানেই কখনো আকাশপথে, কখনো দুর্গম পাহাড়-জঙ্গলের মধ্য দিয়ে বিপৎসংকুল যাত্রা। আবার কখনো নৌকায় চড়ে উত্তাল সাগর পাড়ি দেয়া। এডগার রাইস বারোসের ফিকশনের নায়ক টারজানের রোমাঞ্চকর জঙ্গুলে জীবনের চেয়েও অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও রোমহর্ষক এ যাত্রা। সবকিছু জেনেও বাংলাদেশিরা এক শ্রেণির দালালের খপ্পরে পড়ে টারজান ভিসার যাত্রী হিসেবে ইউরোপ-আমেরিকার পথে পাড়ি জমাচ্ছে। পথিমধ্যে অনেকেরই মৃত্যু ঘটছে। অনেকে আটকা পড়ছে গহীন জঙ্গল বা বিপদসঙ্কুল কোনো দুর্গম স্থানে। সেই বিপদসঙ্কুল স্থান থেকেও দালালচক্র বাংলাদেশিদেরকে জিম্মি করে তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর দিয়ে যত মানুষ ইউরোপে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন, সেই তালিকায় গত চার বছর ধরে সবসময় শীর্ষ দশে থাকছে বাংলাদেশ। এ বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর এই সময়ে অন্তত তিন হাজার ৪৫৫ জন বাংলাদেশি এভাবে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। অনেকে স্বপ্নের পথ পাড়ি দিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন দুর্গম কোনো গহীন অরণ্যে। এর মধ্যে বসনিয়ার মিলার ক্যাম্পে আকটা পড়েছেন কয়েকশ বাংলাদেশি। তারা এখন দেশে ফিরে আসার আকুতি জানাচ্ছেন।

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার যুবক মো. শহীদ তাঁতের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু যে আয় তাতে পরিবারের দুঃখ-কষ্ট যেন শেষ হয় না। অবশেষে দালালের প্রলোভনে পড়ে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে মালয়েশিয়ায়, পরে ইরাক। কোথাও ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলো না তার। ইরাকে আরেক বাংলাদেশি দালাল তাকে স্বপ্ন দেখালেন ইউরোপের। জীবনের সব সাফল্য নাকি সেখানেই। শুরু হলো এক বিস্ময়কর যাত্রা। তুরুস্ক-গ্রিস-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া-অস্ট্রিয়া হয়ে জার্মানি পৌঁছালেন শহীদ। কিন্তু সেখানে গিয়েই পুলিশের হাতে গ্রেফতার। আড়াই বছর আগে দেশে ফিরলেও ঘোর কাটেনি শহীদের।

কুমিল্লার চান্দিনার মো. শাহীনের গল্পটাও একই রকম। সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ওমান-ইরান-তুরস্ক-গ্রিস-মেসিডেনিয়া-সার্বিয়া-ক্রোয়েশিয়া-হাঙ্গেরি-অস্ট্রিয়া হয়ে জার্মানি গিয়েছিলেন। নাটোরের আবু বকর ২০০৭ সালে গিয়েছিলেন দুবাই। সেখান থেকে ওমান-ইরান-তুরস্ক হয়ে গ্রিস। সেখানে ভাগ্য বদলাতে না পেরে সার্বিয়া-হাঙ্গেরি-অষ্ট্রিয়া হয়ে জার্মানি। কিন্তু হঠাৎ একদিন পুলিশ তাদের ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে, ক্রোয়েশিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশ করতে গিয়ে বসনিয়ার জঙ্গলে কয়েকশ’ বাংলাদেশির আটকা পড়ে আছে। জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা-আইওএম ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক তাদেরকে সহায়তা করছে। ডাইভারসিটি ভিসা বন্ধ হওয়ার পরও থেমে থাকেনি অসংখ্য তরুণের ‘আমেরিকান ড্রিম’ পূরণের প্রাণান্তকর চেষ্টা। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, উন্নত ও তুলনামূলক উদার সমাজের কারণে তরুণদের এখন ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিও মোহ কম নয়। এ মোহকে কাজে লাগিয়ে তাদের অবৈধভাবে অভিবাসনের পথে টেনে নিচ্ছে মানব পাচারকারী ও দালালরা। ‘বৈধ চেষ্টায় লাভ নেই’-দালালদের এমন প্ররোচনায় ধোঁকা খেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বিপৎসংকুল পথে পা বাড়ায় বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রত্যাশী টারজানরা। আমেরিকা বা ইউরোপ মহাদেশের কোনো উন্নত দেশে চাকরি দেয়ার নাম করে অভিবাসনপ্রত্যাশী তরুণদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করে মানব পাচারকারীরা। এজন্য শুরুতে আকাশপথে ভিসা পাওয়া সহজ এমন কোনো দেশে বৈধভাবে আকাশপথে নিয়ে যাওয়া হয় তরুণদের। মানব পাচারের ট্রানজিট এসব দেশ থেকে শুরু হয় ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা। যে যাত্রায় ডিঙ্গাতে হয় দুর্গম পাহাড় বা কয়েকশ মাইল জঙ্গল। ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ সাগর পাড়ি দিতে হয় অনিরাপদ নৌযানে করে। কিন্তু অনেকের ভাগ্যেই গন্তব্যে পৌঁছা আর হয়ে ওঠে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপের পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ডুবে মারা যাওয়ার খবর আন্তর্জাতিক অভিবাসন-সংশ্লিষ্টদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসনের পথটি আরো ঝুঁকিপূর্ণ। এ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে এখন পর্যন্ত কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তার কোনো পরিসংখ্যান নেই। তার পরও যারা যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত পৌঁছতে পারে, শেষ রক্ষা হয় না তাদেরও। ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। বেশ কিছুদিন যন্ত্রণাদায়ক জেলজীবন পার করার পর তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে অবৈধপথে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া কয়েকজন তরুণকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় মার্কিন কর্তৃপক্ষ। ওই তরুণরা সেখানকার কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় তাদের নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এলএ টাইমস। প্রতিবেদনে বাংলাদেশী টারজান ভিসার যাত্রীদের অবর্ণনীয় যন্ত্রণাদায়ক যাত্রার বিশদ বিবরণ দেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধপথে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢাকা থেকে প্রথমে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া দুবাই, দোহা অথবা আফ্রিকার কোনো দেশে। সেখান থেকে সরাসরি ব্রাজিল। যন্ত্রণাদায়ক যাত্রার শুরু হয় সেখান থেকেই। কিছু দূর সড়কপথে গিয়ে গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পাড়ি দিতে হয় একের পর এক দেশের সীমান্ত। পথে বিপদ বলতে শুধু জঙ্গলের বৈরী আবহাওয়া বা বুনো জন্তু-জানোয়ার নয়, এড়াতে হয় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সীমান্তরক্ষী, মাদক পাচারকারী বা অপহরণকারী গোষ্ঠীর সদস্যদের চোখও। জঙ্গল ও পাহাড়-পর্বতের মধ্য দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাড়ি দিতে হয় ব্রাজিল, বলিভিয়া, পেরু, একুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও গুয়াতেমালার সীমান্ত। সবশেষে মেক্সিকো পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে। অর্ধাহার-অনাহার বা মানব পাচারকারীদের নির্যাতনে এ দীর্ঘ যাত্রাপথে অনেকের মৃত্যুও হয়। যারা বেঁচে থাকে তাদের অভিজ্ঞতাও মৃত্যুর চেয়ে কম ভীতিকর নয়।

অনেকটা একই ঘটনা ঘটে ইউরোপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ক্ষেত্রেও। দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে এখন প্রচুর বাংলাদেশী ভূমধ্যসাগরের বিপৎসংকুল পথ পাড়ি দিচ্ছেন। ইউরোপযাত্রায় এ পথই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, এ পথ ধরে ইতালির পথে যাত্রা করা প্রতি ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় উপক‚লরক্ষীদের হাতে আটকও হচ্ছে অনেক। এর পরও থেমে নেই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল।

টারজান ভিসায় ইউরোপ প্রবেশের জন্য ফ্রি ভিসা নিয়ে দুবাই বা দোহায় ট্রানজিট দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শুরুতেই নিয়ে যাওয়া হয় লিবিয়ায়। কেউ কেউ কাতার হয়ে দালালের মাধ্যমে তুরস্কে যায়। স¤প্রতি কোনো কোনো চক্র বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া পৌঁছতে ভিন্ন রুট ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে মানব পাচারকারীরা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কলকাতা, মুম্বাই, দুবাই, মিসর, বেনগাজি হয়ে ত্রিপোলিতে নিয়ে যায় বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে। আবার সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় দক্ষিণ সুদানের মরুভূমি পাড়ি দিয়েও লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। সেখান থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় গাদাগাদি করে নিয়ে যাওয়া হয় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের পথে। যদিও অনেকেরই জন্য ইউরোপ শেষ পর্যন্ত অধরাই থেকে যায়।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা থেকে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ যেতে স্বেচ্ছায় মানব পাচারের শিকার একেক বাংলাদেশীকে হাতবদল হতে হয় কমপক্ষে পাঁচবার। এ পথগুলো দিয়ে শুধু লিবিয়া পৌঁছতেই জনপ্রতি খরচ হয় ৫-৯ লাখ টাকা করে। প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী সব স্থানে অর্থ পরিশোধ করা না হলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মুক্তিপণ ও অপহরণের মতো ঘটনাও ঘটে। আবার কখনো কখনো মানব পাচারকারী চক্রের হাতে নির্দয়-নিষ্ঠুর পরিণতি বরণ করে নিতে হয়। এখন পর্যন্ত অনেক মানুষের মৃত্যুর কারণ হলেও মানব পাচারকারী চক্রগুলো ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মূল চক্রগুলো লিবিয়া, দুবাই বা তুরস্কে বসে মানব পাচার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয় না।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২০ লাখেরও বেশি মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করেছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশী রয়েছেন ১৯ হাজারেরও বেশি। যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে অনুপ্রবেশের প্রবণতা দেখা যায়, সেসব দেশের তালিকায় শীর্ষ দশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ, অবৈধ ও বিপৎসংকুল এ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অনেক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। গত বছরের ৯ মে তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃত্যু হয় ৩৭ বাংলাদেশীর। ইউরোপে অভিবাসনের আশায় অবৈধপথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছিলেন তারা।

এ প্রসঙ্গে বায়রার যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান ইনকিলাবকে বলেন, দালালদের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন দেশের কারাগারে আটকে পড়া প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি যুবকরা দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। এতে দেশের ভাব-মর্যাদা চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। এতে বর্হিবিশ্বে শ্রমবাজারের বিরুপ প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বিএমইটি থেকে বর্হিগমন ছাড়পত্র ও স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করেই কর্মী প্রেরণ করছে। কিন্ত এক শ্রেণির দালালচক্র লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে ইউরোপ ও পশ্চিমা দেশে পাচারের লক্ষে বাংলাদেশিদের ভারত-দুবাই রুট দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বায়রা নেতা বিদেশে মানবপাচার বন্ধ করতে ইমিগ্রেশনসহ বিভিন্ন রুটে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (8)
Harisul Alam ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৩ এএম says : 0
দালালদের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন দেশের কারাগারে আটকে পড়া প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি যুবকরা দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে।
Total Reply(0)
মাজহারুল ইসলাম ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৩ এএম says : 0
দালালদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
Total Reply(0)
ডালিম ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৪ এএম says : 0
এভাবে যে কত মানুষ স্বর্শান্ত হচ্ছে তার কোন হিসেব নেই
Total Reply(0)
সঞ্জয় ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৫ এএম says : 0
নিউজটি করায় দৈনিক ইনকিলাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি
Total Reply(0)
আবদুল মান্নান ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৬ এএম says : 0
এই পথে গিয়ে কত মানুষ যে জীবন হারাচ্ছে, তারও কোন হিসেব নেই
Total Reply(0)
কে এম আরিফুল ইসলাম ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:৫৬ এএম says : 0
এখন পর্যন্ত অনেক মানুষের মৃত্যুর কারণ হলেও মানব পাচারকারী চক্রগুলো ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
Total Reply(0)
Jack Ali ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:৪১ এএম says : 0
If our country ruled by the Law of Allah then this young people should not leave our Beloved Mother Land.. O'Allah appoint a Mulsim leader who will rule By The Law Of Allah only then we will get back all our right back and leave in our Beloved Mother Land without fear and oppression.
Total Reply(0)
Gm Arif ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ৮:১৯ এএম says : 0
তাহলে বৈধভাবে যাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন