ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে ট্রাম্পের ভিডিও ফ্ল্যাগ ফেসবুক-ট্যুইটারের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

অতীতে একাধিক বার তার পোস্ট ফ্ল্যাগ করেছে টুইটার। তবে বুধবার নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগে যে ভিডিও-বার্তা প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে একযোগে লালসঙ্কেত ঝোলাল টুইটার ও ফেসবুক। ইতিমধ্যে ভোটে জালিয়াতি নিয়ে তার একের পর এক অভিযোগ খারিজ করেছে মার্কিন আদালত।

এবার ট্রাম্পের ভিডিয়ো-বার্তায়ও ফেসবুক-টুইটারের যুগপৎ ওয়ার্নিং পড়ে যাওয়ায় আখেরে তার পক্ষে কত দূর কী করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় তুঙ্গে। নির্বাচনের রাতেও তার একটি পোস্টকে ফ্ল্যাগ করেছিল টুইটার। ফেসবুক আবার বিভ্রান্তি আটকাতে সে পোস্টের উপরে কিছু ব্যাখ্যা দিয়ে রাখে। তবে ট্রাম্পের দাবিতে দুই বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থারই যুগপৎ ওয়ার্নিং, এমন বিষয় স্মরণকালের মধ্যে মনে করতে পারছেন না অনেকে। হোয়াইট হাউসের ডিপ্লোম্যাটিক রুমে রেকর্ড করা ৪৬ মিনিটের ওই ফুটেজে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট অবশ্য বলছেন যে, ৭০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন জনতা আমাকে ভোট দিয়েছেন, এটি শুধু তাদের সম্মানের বিষয় নয়। আমেরিকা যাতে ভবিষ্যতে এই নির্বাচন ও সমস্ত ভোটপ্রক্রিয়ায় বিশ্বাস রাখতে পারে, সেটিও সুনিশ্চিত করা জরুরি।

তার মতে, আমেরিকার গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর সুসংহত হামলা চালানো হয়েছে। তবে ট্রাম্প-প্রশাসনের আধিকারিকদের অনেকে এ অভিযোগ খারিজ করেছেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। স¤প্রতি বার জানান, মার্কিন বিচার দপ্তর নির্বাচনী কারচুপির এমন কোনও প্রমাণ পায়নি যা থেকে নভেম্বরের ভোটের ফলাফল নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি-র অধীনে থাকা সাইবারসিকিউরিটি ও পরিকাঠামোগত নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার প্রধান ক্রিস্টোফার ক্রেবস-ও দাবি করেছিলেন, ভোটগণনায়ও কোনও জালিয়াতি হয়নি। ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ আগে বরখাস্ত করেন তাঁকে। তার পরই অ্যাটর্নি জেনারেলের সা¤প্রতিক বক্তব্য।

সব মিলিয়ে ক্রমে কোণঠাসা হতে থাকা রিপাবলিকান ধনকুবের ক্রমে মরিয়া। অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিঁধতে তার প্রচারের দায়িত্বে থাকা দুই আইনজীবী রুডি গিউলিয়ানি এবং জেনা এলিস বিবৃতি দিয়ে তাই বলেছেন, ভোটে অনিয়ম ও পরিকল্পিত জালিয়াতির প্রমাণের বিষয়ে বোধহয় ওঁর অজানা। সঙ্গে বুধবারের ভিডিয়ো। পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসন সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ক্রিসমাস পার্টিতে অতিথিদের অনেককেই ট্রাম্প বলেছেন, গত চার বছর দুরন্ত কেটেছে। আরও চার বছরের জন্য চেষ্টা করছি। না হলে তার পরের চার বছরে দেখা হবে। অর্থাৎ তিনি ফিরবেনই। আইনি পথে না হলে অন্য ভাবে। এখন না হলে পরের দফায়। চেষ্টা চলবেই। সূত্র : সংবাদসংস্থা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন