ঢাকা সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪ মাঘ ১৪২৭, ০৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন সাংবাদিক তানভীর তারেক

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

বিনোদন সাংবাদিক, উপস্থাপক, গায়ক, সুরকার সঙ্গীত পরিচালক তানভীর তারেক প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ভূষিত হলেন। গত ৩ ডিসেম্বর তথ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষনা করে। তালিকায় সুরকার হিসেবে তানভীর তারেকের নাম রয়েছে। তানভীর তারেক মাসুদ পথিক পরিচালিত ‘মায়া দ্য লস্ট মাদার’ সিনেমায় ‘আমার মায়ের আচল’ গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। গানের সঙ্গীতায়োজনও করেছেন তানভীর তারেক। গানটি লিখেছেন হেদায়েত উল্যাহ মামুন। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ সঙ্গীত জীবনে নিয়মিত অধ্যবসায়ে ধৈর্য্য ধরে থাকার পর অবশেষে এই প্রাপ্তিতে ভীষণ আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত, আবেগাপ্লুত তানভীর তারেক। তারই এই সাফল্যে তার স্ত্রী বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী অণিমা রায়ও বেশি উচ্ছ্বসিত। জীবনের এই সেরা প্রাপ্তি প্রসঙ্গে তানভীর তারেক বলেন, ‘যেহেতু এই গানে বিজয়ের মাস, ভাষা আন্দোলন’সহ দেশের নানা প্রাসঙ্গিক বিষয় উঠে এসেছে, তাই গানটি নিয়ে আমি অত্যন্ত আশাবাদী ছিলাম। আমাকে পুরস্কৃত করায় আমার আশা পূরণ হয়েছে। আমার গর্বের বিষয় হচ্ছে, অনেকেই রোমান্টিক গান বা অন্য কোন ঘরানার গানের জন্য পুরস্বারপ্রাপ্ত হন। আমি দেশের গানের সুর করার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি। আমি গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি আমার বাবাকে এবং প্রয়াত শ্রদ্ধেয় আইয়ুব বাচ্চু ভাইকে। বাচ্চু ভাইয়ের কারণেই সাউন্ডটেকের কর্ণধার সুলতান মাহমুদ বাবুল ভাই আমাকে অনেক কাজ করার সুযোগ দিয়েছিলেন। এ কারণেই আমি আজকের তানভীর তারেক। তাই আমার এই পুরস্কার আমি বাবুল ভাইকেই উৎসর্গ করলাম।’ তানভীর তারেকের স্ত্রী অণিমা রায় বলেন, ‘আমাদের বিয়ের পর থেকেই আমি দেখে আসছি, মায়াময় সুর সৃষ্টির জন্য তানভীর দিন রাত অনেক শ্রম দিয়েছে। সুর সৃষ্টির নেশা থেকে কখনোই দূরে সরে যায়নি। অনেক কষ্ট ও সাধনার পর আমার সংসার আনন্দে ভরে উঠেছে। এই প্রাপ্তির আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার নয়। শুধু অনুভব করা যায়।’ তানভীর তারেক জানান, মাসুদ পথিকের নতুন আরেকটি সিনেমার জন্য তিনি গান করছেন। তানভীর তারেক ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ, রশিদ উন নবী, কবির বকুল ও গায়ক-সাংবাদিক সঞ্জীব দে’র প্রতি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন