ঢাকা বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১ ব্শৈাখ ১৪২৮, ০১ রমজান ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তিন ইউরোপীয় কূটনীতিক বহিষ্কার করল রাশিয়া

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৯:০৯ এএম

রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে কারাবন্দি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করায় দেশটিতে অবস্থানরত জার্মানি, সুইডেন ও পোল্যান্ডের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই কূটনীতিকরা গত ২৩ জানুয়ারি নাভালনির পক্ষে অনুষ্ঠিত ‘অবৈধ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল’। বিবিসির খবরে এ খবর জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে সুইডেন বলেছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’।
এদিকে, রাশিয়ার এই বহিষ্কারকে নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল মস্কোয় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠক করার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই বহিষ্কারাদেশ ঘোষণা করা হয়। ওই বৈঠকেও নাভালনির মুক্তি দাবি করেন জোসেপ বোরেল।

৩ ফেব্রুয়ারি নাভালনিকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন মস্কোর একটি আদালত। ২০১৪ সালের জালিয়াতির একটি মামলায় স্থগিত সাজার শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে নাভালনিকে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নাভালনির সাজার রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক বিক্ষোভের ডাক দেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁর সমর্থনে রাশিয়াজুড়ে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেন। মস্কোয় চলা বিক্ষোভে সহিংসতা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাভালনির সমর্থনে যাঁরা মস্কোর রাজপথে নেমেছেন, তাঁদের বেদম মারধর করছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে তারা গ্রেপ্তার করেছে।

একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, শুধু মস্কোতেই সাড়ে ৮০০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নাভালনির সাজার রায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। ইউরোপের শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থা কাউন্সিল অব ইউরোপ বলেছে, এই রায় সব বিশ্বাসযোগ্যতার বাইরে। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নাভালনির মুক্তি দাবি করেছেন।
এদিকে নাভালনির বিরুদ্ধে আরও এক মামলায় বিচার শুরু হয়েছে আজ। এবারের মামলাটি করা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া এক সেনাসদস্যের মানহানির অভিযোগে। পুতিনের পক্ষে একটি ভিডিওতে হাজির হওয়া একদল লোককে গত জুনে নাভালনি ‘দেশের লজ্জা’ ও ‘বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্য করে টুইট করেন। ওই ভিডিওতে ৯৫ বছর বয়সী সাবেক এক সেনাসদস্যও ছিলেন। ওই মন্তব্যের কারণে নাভালনির বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন