ঢাকা, বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮, ২৯ রমজান ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

পুরো ঢাকাকে হাসপাতাল বানালেও জায়গা হবে না

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৭ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০১ এএম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে আশঙ্কাজনকভাবে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। টিকার প্রথম ডোজ নিয়েও অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর কারণ হলো টিকা নেয়ার পর তারা বেপরোয়া চলাচল করতে শুরু করেছিলেন। তারা ভেবেছিলেন, টিকা নিয়ে করোনা প্রতিরোধী হয়ে গেছেন। একই সঙ্গে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, এভাবে চলতে থাকলে পুরো ঢাকা শহরকে হাসপাতাল বানানো হলেও মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, যারা কক্সবাজার-বান্দরবান গেছেন এবং বিয়ে-শাদীসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন তারা বেশি সংক্রমিত হয়েছেন। এখন তারা নিজের পরিবারের সদস্যদের সংক্রমিত করছেন। সর্বোপরি সমাজকে করোনা সংক্রমিত করেছেন।

গতকাল মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটে নির্মিত কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল পরিদর্শনে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দুই ডোজের। প্রথম ডোজ নিলেই অ্যান্টিবডি হয় না। টিকা নিয়ে যারাই আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের বেপরোয়া চলাচলই দায়ী।

জাহিদ মালেক বলেন, এক বছর ধরে মহাখালী কাঁচাবাজারের ওই স্থাপনা ডিএনসিসি আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করত। পাশাপাশি এই সেন্টারে বিদেশগামী মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হতো। এখন এই স্থাপনাটিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। এখানে ২০০টির বেশি আইসিইউ শয্যা স্থাপন করা হচ্ছে। একসঙ্গে এক হাজার ২০০’র বেশি মানুষ করোনা চিকিৎসা নিতে পারবেন। এতদিন এক লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ বর্গফুট আয়তনের ফাঁকা এ মার্কেটটি করোনার আইসোলেশন সেন্টার এবং বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার ল্যাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এখন করোনা হাসপাতাল চালু হলে বিদেশগামীদের জন্য এক পাশে পৃথকভাবে জায়গা রাখা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে ঢাকার সব হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করছি। আড়াই হাজার শয্যাকে পাঁচ হাজার করা হয়েছে, এরচেয়ে বেশি বাড়ানো সম্ভব না। প্রতিদিন যদি ৪-৫ হাজার রোগী বাড়ে তাহলে সারা শহরকে হাসপাতাল বানালেও সামাল দেয়া সম্ভব না।

জাহিদ মালেক বলেন, গত কয়েক মাস আগেও করোনা সংক্রমণের হার ৬০০ এর মধ্যে নেমে এসেছিল। মৃত্যুর হারও অনেক কমে গিয়েছিল। এখন মৃত্যু এবং সংক্রমণের হার ১০ থেকে ১২ গুণ বেড়েছে। এই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সরকার ঘোষিত লকডাউন সবাইকে মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের জনগণের জন্যই লকডাউন। আমি আশা করি, জনগণ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবেন। প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে, জনগণ সচেতন হচ্ছে। তবে সতর্ক না হলে মনে রাখতে হবে, পাঁচ হাজার শয্যার পর হাসপাতালগুলোতে এক ইঞ্চি জায়গা নেই আর শয্যা স্থাপনের।##

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (5)
Md Sohel Hossain ৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:০৪ এএম says : 0
এদেশ পাপে ভরে গেছে। যার ফল এই করোনা।কৈ এখন লগি বৈঠানিয়ে তারাতে পারেনা।তাদেরতো অনেক সক্তি।
Total Reply(0)
রুহান ৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:০৫ এএম says : 0
শুধু নির্দেশনায় কাজ হবে বলে মনে হয় না। করোনা মোকাবিলায় এখন প্রয়োজন কঠোর পদক্ষেপ নেয়া বা যথাযথ কঠিন লকডাউন দেয়া।
Total Reply(0)
Sayeed Ahmed Sabbir ৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:০৬ এএম says : 0
মাননীয় স্বাস্হ্য মন্ত্রী, পুরো শহরকে হাসপাতাল বানানো লাগবে না। হাসপাতাল গুলোর সক্ষমতা বাড়ান আর মন মানসিকতার পরিবর্তন আনুন।
Total Reply(0)
S.M. Shakinoor Rahman ৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:০৬ এএম says : 0
এখন এসে কোরোনার ভয়াবহতা টের পেয়েছেন সাস্থ মন্ত্রী. বাহ্ বাহ্ খুব এ গেয়ানী মন্ত্রী
Total Reply(0)
MA Mannan ৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:০৮ এএম says : 0
মাঝে করোনা কম ছিল, তখন কি করেছেন। স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা সমাধানের জন্য। এখন লকডাউন বৃদ্ধি করে, সরকারের গদি রক্ষা করতে,করোনার আতঙ্ক ছড়াতে খুব পারেন।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন