ঢাকা, রোববার, ১৬ মে ২০২১, ০২ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮, ০৩ শাওয়াল ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

সৈয়দপুরের শেরেবাংলা সড়ক যেন মরণফাঁদ

নজির হোসেন নজু, সৈয়দপুর (নীলফামারী) থেকে | প্রকাশের সময় : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০১ এএম

সৈয়দপুরের গুরত্বপূর্ণ শেরে বাংলা সড়কটির পিচ কার্পেটিং ওঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। দেখলে মনে হয় এ যেন সড়ক নয়, মরণফাঁদ। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের এসব খানাখন্দ পানিতে ভরে গিয়ে বিঘœ ঘটে যান চলাচলে। এভাবে বিপদের শঙ্কা নিয়েই যানচলাচল করছে এই মহাসড়কে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শহরের তামান্না সিনেমা হতে ওয়াপদা মোড় পযন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ কি.মি.। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৮ সালে সৈয়দপুর পৌরসভার মাধ্যমে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটি সংস্কার করা হয়। কিন্তু সংস্কারের দু’বছর পার না হতেই দেখা দেয় অসংখ্য খানাখন্দের। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ ছিল অতি নিম্নমানের। সড়ক সংস্কার কাজে পাথর-পিচের মিশ্রণ অনেক দূর থেকে গরম করে আনায় ঠান্ডা হয়ে যায়। ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ওই মিশ্রনেই কার্পেটিং করা হয়।

এছাড়া ওই সড়ক দিয়ে জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, ঠাকুরগাঁওর দেবীগঞ্জ উপজেলার অসংখ্য মানুষ এবং যানবাহন সৈয়দপুরে আসা-যাওয়া করে। এমনকি রেলপথে আমদানি করা গম, চাউল, পাথর ও কংক্রিটের মালামাল সৈয়দপুর রেল স্টেশনে নামিয়ে বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। এসব যানবাহনের নিয়মিত চলাচলের কারণে সড়কটির অনেক স্থানে দেবে গেছে।

গোলাহাট এলাকার মোছা. পায়েল নামের এক গৃহিণী জানান, বাজার থেকে বাসায় যেতে রাস্তায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এলাকার নাম শুনেই চালকরা বলে রাস্তা খারাপ ওই দিকে যাব না। আর যে চালক যায় তাকে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়।

সৈয়দপুরের ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আলম জানান, শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি এবং বর্ষায় জলকাদায় নাকাল হতে হচ্ছে পথচারীদের। অনেক সময় রিকশা-সিএনজি চালিত অটোরিকশা উল্টে পড়ে আহত হচ্ছে যাত্রীরা। যার কারণে পৌরবাসীর ভোগান্তির শেষ নেই।

সৈয়দপুর মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবী জানান, আমি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তাই ওই কাজের ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। তিনি আরও জানান, সড়কটি সংস্কারে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন