ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৮ আষাঢ় ১৪২৮, ১০ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ডা.শাহাদাত হোসেনের মুক্তি দাবি চট্টগ্রামের ১০১ জন চিকিৎসকের

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ৫:৩৩ পিএম

ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)'র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও চাঁদাবাজির মামলা সহ অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ১০১ জন বিশিষ্ট চিকিৎসক। শনিবার এক বিবৃতিতে চিকিৎসকবৃন্দ বলেন, ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সৎ ও বিনয়ী ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের একজন স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের সাথে তার  দীর্ঘদিনের পথচলা । ব্যক্তি জীবনে ক্লীন ইমেজের অধিকারী ডা. শাহাদাত হোসেন । তিনি ইতিমধ্যেই তার নানামুখী জনস্বার্থ ও মানবিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীর কাছে জনতার মেয়রে পরিণত হয়েছেন। চট্রগ্রামের রাজনীতি ও বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ মুক্তির আন্দোলন থেকে দূরে রাখতেই তাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো মামলায় গ্রেফতার করে অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জোর করে ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার জন্য যে কোনো পন্থায় ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়। সেজন্য ডা. শাহাদাত হোসেনের মতো জনপ্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার, হয়রানি করে যাচ্ছে। কিন্তু এতো নির্যাতন নিপীড়ন করেও তাকে দমানো যায়নি।  বারবার গ্রেফতার ও কারাবরণ উপেক্ষা করে তিনি রাজপথে জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে সরব থেকেছেন। চট্টগ্রামে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে তিনি বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। করোনাকালীন এই দুর্যোগে তিনি অবিরাম অসহায় মানুষকে খাদ্য, ঔষধ এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন এবং একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসাবে চট্টগ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এজন্যই একটি কুচক্রী মহল তাকে হেয় প্রতিপন্ন এবং জনবিচ্ছিন্ন করতে মিথ্যা, আজগুবি মামলা দিয়ে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে টার্গেট করেছে।
নেতৃবৃন্দ কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে ডা. শাহাদাত হোসেনকে মুক্তি দিয়ে করোনাকালে বিগত সময়ের মত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ডা এ এ গোলাম মুর্তাজা হারুন, ডা মোঃ আবু জাফর, অধ্যাপক ডা আবদুল আলীম, ডা আবদুল মান্নান, ডা মোঃ আবুল কালাম, অধ্যাপক ডা সাইফুদ্দিন মোঃ তারেক, ডা মর্তুজা রেজা হাসান, ডা মোঃ জিয়া উদ্দিন, অধ্যাপক ডা জসীম উদ্দিন, অধ্যাপক ডা তমিজ উদ্দিন আহমেদ, ডা খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ডা আশরাফুল কবির ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা সানাউল্লাহ শেলী,ডা মিয়ান জসিম উদ্দিন, ডা শাহানা বেগম, অধ্যাপক ডা আব্বাস উদ্দিন,ডা শেখ মুজিবুর রহমান, ডা কামরুন্নাহার দস্তগীর, ডা কামরুল আহসান, ডা আবদুল মোত্তালিব, ডা একেএম জাফর উল্লাহ, ডা কামরুল হাসান, ডা এবিএম ইয়ামিন, ডা বদিউল আলম বাদল, ডা আবদুর রব, ডা রকিব উল্লাহ, ডা মোতাহার হোসেন, ডা মোঃ টিপু সুলতান, ডা রাজীব চৌধুরী,ডা আবদুল গফুর, ডা অজয় দেব, ডা নাইমুর রশিদ, ডা মোঃ ইয়াছিন, ডা ফয়েজুর রহমান, ডা খুরশিদ উল আলম টিপু, ডা জসীম উদ্দিন আহমেদ, ডা আনিসুল হোসেন, ডা মোহাম্মদ আইয়ুব, ডা এ এ রাইহান উদ্দিন, ডা নিয়াজ আহমেদ, ডা জাহাঙ্গীর আলম, ডা বেলায়েত হোসেন ঢালী, ডা ইফতেখারুল ইসলাম, ডা কাজী মাহবুব আলম, ডা শাহাবুল হুদা, ডা সৈয়দ মাহতাব উল ইসলাম, ডা এস এম সরোয়ার আলম, ডা ফেরদৌস আরা সালমা, ডা আবদুর রাজ্জাক সিকদার, ডা এনামুল হক, ডা হোসনে আরা বেগম, ডা মেজবাহ উদ্দিন, ডা জাহিদ হাসান, ডা এ কে এমন হারুন, ডা ফজলে রাব্বী শিহাব, ডা মোহাম্মদ এহসান, ডা মিরাজুল ইসলাম,ডা নুরুল করিম চৌধুরী,ডা শামীমা সুলতানা, ডা রাহাত খান, ডা রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা মীর ওয়াজেদ আলী, ডা রিফাত আক্তার, ডা দেলোয়ার হোসেন, ডা রিজওয়ানুল হক, ডা আবদুল্লাহ আল মন্জুর, ডা খন্দকার জিয়াউর রহমান, ডা কাজী শামীম আল মামুন, ডা ইমরোজ উদ্দিন, ডা ময়নাল হোসেন, ডা সোয়াইবুল করিম, ডা গিয়াস সাগর, ডা কমর উদ্দিন চৌধুরী, ডা আবুল কালাম আজাদ, ডা শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন,ডা নুরুল আবছার খান, ডা ইফতেখার মোঃ আদনান, ডা তানভীর হাবীব তান্না, ডা রানা চৌধুরী, ডা বেলাল উদ্দিন , ডা ইয়াছিন আরাফাত, ডা নুরুল আজিম, ডা মোদাচ্ছির রহমান, ডা মিনহাজুল আলম, ডা শাকির উর রশিদ, ডা মোঃ মইনুদ্দিন, ডা ওমর ফারুক পারভেজ, ডা জুনায়েদ রায়হান, ডা আরাফাত উর রহমান,ডা আরফান খান নিবিড়, ডা মীর কাসেম মজুমদার, ডা মেহেদী হাসান, ডা মোহাম্মদ শাহীন, ডা রকিবুল হাসান তান্না, ডা তৌকিরুল ইসলাম, ডা ইমরান হাসান, ডা জাহেদ ঈমন, ডা ওয়াসিফ কামাল নাদিম, ডা রাহুল মজুমদার, ডা নাভীম কবির প্রতীক, ডা নয়ন খান প্রমূখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন