ঢাকা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ০২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

ইসলামী জীবন

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ৭ মে, ২০২১, ১২:০৪ এএম

প্রশ্ন : বিদেশ ভ্রমণের সময় আমি রোজা রাখিনি। দেশে ফেরার পর এখন রাখতে চাই। কীভাবে রাখবো, তারাবীর নামায পড়তে হবে কি না?
উত্তর : রমজানে রোজা ছাড়ার যে কয়েকটি কারণ পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে একটি সফরে থাকা। সফর অর্থ কমপক্ষে ৪৮ মাইল দূরে (কি.মি হিসাবে ৭২) ভ্রমণ করা। এর জন্য শর্ত হলো, কোথাও ১৫ দিনের কম থাকা। ১৫ দিন থাকার নিয়ত করলে লোকটি আর মুসাফির থাকে না, মুকিম হয়ে যায়। তখন তাকে রোজা রাখতে হবে। বিদেশ ভ্রমণের সময় আপনি কী বুঝে শুনে রোজা ছেড়েছেন? সফরের রোজা ছাড়লে পরবর্তী সময় তা কাযা করা যায়। কাযা অর্থ রমজানের পর এক রোজার বদলে এক রোজা রাখা। আপনি কাযা রোজা একাধারে একাধারেও রাখতে পারেন, বিরতি দিয়েও রাখতে পারেন। রমজান ছাড়া অন্য রোজার তারাবী নেই। সুতরাং কাযা রোজার জন্য তারাবী পড়তে হবে না।
প্রশ্ন : লাইলাতুল কদর ২৭ রমজান বলে আমরা জানি। তবে শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলির যে কোনো একটি লাইলাতুল কদর হতে পারে বলে হাদীসে আছে। প্রশ্ন হলো, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলি আমাদের কীভাবে কাটানো উচিত?
উত্তর : আসলে হাদীসে যেমন আছে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা তেমনই। আপনি প্রতিটি বেজোড় রাতে সামান্য হলেও কিছু নফল নামায, তেলাওয়াত, দান-খয়রাত, তওবা-ইস্তেগফার, দোয়া-দুরুদ ও বিশেষ মোনাজাত করুন। বলা তো যায় না লাইলাতুল কদর কোনদিন। যে জন্য নবী করিম সা. রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদেই থাকতেন। এখনো লাখো মানুষ এ জন্যই ইতেকাফ করে। বেজোড় রাতগুলিতে বেশি এবাদত করতে না পারলেও জামাতে এশা ও ফজর পড়লে আল্লাহ তায়ালা তাকে লাইলাতুল কদর পাওয়া লোকদের অন্তর্ভূক্ত করবেন বলে হাদীসে আছে। ২৭ তারিখ বেশি সম্ভাবনা থাকায় আমলে মগ্ন থাকা ভালো। লাইলাতুল কদরে বিশেষ কোনো আমলের কথা কোরআন হাদীসে নেই। একটি দোয়া মহানবী সা. বেশি বেশি করতে বলেছেন। যার বাংলা অর্থ ‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনার ভালো লাগে। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন