ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮, ১২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

তবুও বাড়ি ফেরা

দূরপাল্লার বাস ট্রেন লঞ্চ বন্ধ : পথে পথে চেকপোস্টে বাধা ঈদযাত্রায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি : সীমাহীন ভোগান্তি

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৭ মে, ২০২১, ১২:০২ এএম

করোনা সংক্রমণরোধে দূরপাল্লার বাস, ট্রেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ। তারপরেও বিকল্প উপায়ে নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ। বৃষ্টি-মহামারিকে উপেক্ষা করেই যেন বাড়ি ফেরার যুদ্ধে নেমেছেন রাজধানী থেকে সাধারণ মানুষ। সাত সকাল থেকে শুরু করে দিন শেষ করে সন্ধ্যায়ও পথে-ঘাটে জনস্রোত। কেউ পায়ে হেঁটে, কেউবা রিকশায়, মোটরসাইকেল, ভ্যান, পিকাপে করে ঘাটে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। পথে পথে চেকপোস্ট, ব্যারিকেড দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না তাদের। ঘাটে ফেরি ভিড়লেই ওঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন নানা বয়সীরা। শুধু নদীর ঘাট নয় ঈদযাত্রায় মহাসড়কগুলোতেও মানুষের ভিড়। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-মাওয়া, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা- আরিচা, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস বাদে ছুটছে সব ধরনের যান। যেগুলোতে গাদাগাদি করে চলছে শুধু মানুষ আর মানুষ। কোনো বাধাই যেন তাদের বাড়ি ফেরা ঠেকাতে পারেনি।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্তও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, মহামারি কোনো কিছুই বাধ মানাতে পারছে না নদীঘাটের জনস্রোতকে। শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি ভিড়তেই হুড়মুড় করে তাতে পাল্লা দিয়ে উঠছেন শত শত ঘরমুখো মানুষ। সেখানে নেই বিন্দুমাত্র সামাজিক দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যবিধির বালাই। ঈদ করতে যেতে হবে প্রিয়জনের কাছে তাই স্বাস্থ্যঝুঁকিকে থোরাই কেয়ার। বেশি ভাড়া গুণতেও যেন অসুবিধা নেই তাদের।

একই অবস্থা দেখা গেছে সড়ক পথেও। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই হাজার হাজার যাত্রী গাবতলী থেকে হেঁটে সাভারের দিকে যেতে দেখা যায়। এই মিছিলে শামিল শিশু-বৃদ্ধ সবাই। যাদের কেউ উত্তরাঞ্চলে কেউবা আবার যাবেন দক্ষিণাঞ্চলে। গাড়ি না পেয়ে অনেকেই রিকশায় চড়ে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছেন।

পথে পথে চেকপোস্ট থাকলেও মানুষের স্রোত সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা পড়তে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। এদিকে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার ঈদে ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পাশাপাশি সবাইকে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এ কারণে আজ বুধবার ২৯ রোজায়ও চাকরিজীবীদের ঢাকায় রাখতে সরকারি অফিস খোলা থাকবে বলেও জানান তিনি।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে মানুষ বাড়ি ফিরতে মরিয়া। দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেন বন্ধ থাকায় বিকল্প উপায়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা, পিকআপ, মোটরসাইকেলসহ ছোট ছোট যানবাহনে চড়ে যাচ্ছেন তারা। পথে পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যারিকেড দিয়েও এদের আটকানো যায়নি। উল্টো তাদের উপচেপড়া চাপে ফেরির সংখ্যা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। জরুরি পরিষেবার জন্য চালু রাখা ফেরিতে গাড়ির বদলে গাদাগাদি করে মানুষ যেতে দেখা গেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে চাপের কারণে থেমে থেমে চলেছে যানবাহন।

বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ হাজারেরও বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। গত সোমবার ভোর ৬টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত এ সময়ে যানবাহনগুলো পারাপার হয়। সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এরআগে ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩২ হাজার গাড়ি পারাপার হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন, ট্রাক, পিকআপভ্যান, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত যানবাহন ছাড়াও বিপুল সংখ্যক যাত্রীবাহী বাস সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে।

এদিকে গতকাল সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী বেড়েছে যানবাহনের চাপ। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে যানবাহন বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপভ্যানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত গাড়িতে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। এতে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীরা গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময়েও গাড়ি না পেয়ে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও যানবাহন আটকে নেই। তবে মহাসড়কে গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ায় দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার অভ্যন্তরণে বাস চলাচল করলেও আরেক জেলায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তবুও বারবার যানবাহন পরিবর্তন করে ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন জেলায় গেছেন ঘরমুখো মানুষ। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ থাকলেও কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। এতে সংক্রমণ গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারি-বেসরকারি কর্মজীবীদের নিজ কর্মস্থল অধিক্ষেত্রে থাকার অনুরোধ জানিয়ে আসছে সরকার। আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। কিন্তু সেই বিধি-নিষেধকে উপেক্ষা করেই মানুষের স্রোত নামে সড়কে।

রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী, শিমরাইল, উত্তরার আব্দুল্লাহপুর, বাবুবাজার, আশুলিয়া ও টঙ্গী এলাকায় বিভিন্ন যানবাহনের চাপ। শত শত মানুষ ব্যাগ নিয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে গন্তব্যে যাওয়াই তাদের লক্ষ্য। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় ছোট ছোট গাড়িতে কাছাকাছি দূরত্বের পথ পাড়ি দিচ্ছেন যাত্রীরা। পিকআপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা বিভিন্ন গন্তব্যে ডেকে ডেকে যাত্রী তুলছেন। রাজধানীর বাবুবাজার ব্রিজে জনপ্রতি তিনশ’ টাকায় যাত্রী তুলছিলেন মাইক্রোবাস চালক খলিল মিয়া। তিনি বলেন, মাওয়া ও পাটুরিয়ায় ফেরি চালু থাকাবস্থায় এক পরিবারের বা কয়েকজনকে নিয়ে বিভিন্ন জেলায় ট্রিপ দিতাম। এখন দিনে ফেরি বন্ধ থাকায় বাবুবাজার থেকে মাওয়া পর্যন্ত যাত্রী বহন করছি। তিনি বলেন, পুলিশ ঝামেলা না করলে দিনে ৮-১০টি ট্রিপ দিতে পারি। পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বাড়িমুখো মানুষের ভিড় ছিল। শবেকদরের বন্ধের দিন সোমবার ভিড় আরও বেড়েছে। শেষ মুহূর্তে মানুষ যেভাবে হোক বাড়ি যাচ্ছেন। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের প্রাইভেট কারের চালক ইব্রাহিম বলেন, গত কয়েকদিন জুরাইন- পোস্তগোলা থেকে যাত্রী নিয়ে মাওয়া ঘাট পর্যন্ত ট্রিপ মেরেছি। কিন্তু আজ (মঙ্গলবার) পুলিশ ও বিজিবি ধলেশ্বর সেতুতে ব্যারিকেড দিয়ে গাড়ি আটকে দিচ্ছে। তারা কোনো গাড়িই ব্রিজের ওপাড়ে যেতে দিচ্ছে না। তবে মজার বিষয় হলো, সেতুর এপাড়ে যে মানুষগুলোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে তারাই আবার পায়ে হেঁটে সেুত পার হয়ে ওপাড় থেকে আরেকটা গাড়িতে চড়ে মাওয়া ঘাটের দিকে রওনা দিচ্ছেন। বিজিবি-পুলিশের সামনেই এমন ঘটনা ঘটছে।

মানিকগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা জানান, ঢাকার গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাট উথলী পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হলেও যাত্রীদের বাড়ি যাওয়া বন্ধ করা যায়নি। তারা ঢাকা থেকে বিভিন্ন বাইপাস রোডে সিএনজি, অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে চড়ে পাটুরিয়া-আরিচা ঘাটে আসছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বাড়ি যাচ্ছেন যাত্রীরা। এদিকে অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও হাজার হাজার যাত্রীর উপচে পড়া ভিড়ের কারণে রজনীগন্ধা, বনলতা, শাপলা শালুকসহ ৪টি ফেরি দিয়ে দুই আড়াই ঘণ্টা পর পর যাত্রী পারাপার করে চলেছে বিআইডব্লিউটিসি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Md Faruque Ahmed ১২ মে, ২০২১, ১:০১ এএম says : 0
ভারতের পরিস্থিতি খারাপের জন্যে দায়ী সেদেশের সরকার ও মানুষের অতিরিক্ত আত্নবিশ্বাস,অসচেতনতা।ওদের কুম্ভ মেলার প্রায় কোটি মানুষের অবাধ বিচরণ, কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনে অবাধ জনসমাবেশ-ফলে এখন ওদের পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে,ওদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পরেছে এবং মৃতদের সৎকার করে ওরা আর শেষ করতে পারছে না।কে জানে আমাদের দেশের মানুষের অসাবধানতা এবং অসচেতনতা শেষ পর্যন্ত আমাদেরকে সেদিকেই নিয়ে যাবে কিনা।সত্যি এমনটি হলে আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবার যে বেহাল অবস্থা, দেশের মানুষের কি যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দাঁড়াবে -এখন আমরা তা কল্পনাও করতে পারছি না।মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের দেশ এবং দেশের মানুষের উপর সহায় হোন।
Total Reply(0)
Masum Khan ১২ মে, ২০২১, ১:০২ এএম says : 0
এটা অযৌক্তিক দেশের আন্তঃজেলা যানবাহন চালু রেখে শপিং মল চালু রেখে নাড়ির টানে ফেরা কিছু অসহায় কর্মজীবী মানুষকে ঠকাতে এ যেন এক আজিব তামাশা লিপ্ত হওয়া কর্তৃপক্ষের, তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার যানবহন খুলে দেওয়ার।
Total Reply(0)
Toslim Uddin ১২ মে, ২০২১, ১:০২ এএম says : 0
দেশের সব রুটে কি ফেরিঘাট আছে?? সব জায়গায় সব চলছে শুধু দক্ষিণ বঙ্গের দোষ!! পারলে সব কিছু বন্ধ করুক না পারলে সব কিছু খুলে দিক। জনগণ এখনো নিরব আছে তাদের চ্যাতানোর ফল ভালো হবে না।
Total Reply(0)
সজীব ধ্রুব মজুমদার ১২ মে, ২০২১, ১:০৩ এএম says : 0
এই কারনেই আমাদের বলে বাঙ্গালী। যখন লকডাউন দিলো, তখন বলে গরীবের কথা।আবার ঈদ আসায় শপিং করতে হবে!!! তখন আর গরীবের কথা নাই। যখন স্বাস্থ্য বিধি মেনে মার্কেট খুললো, স্বাস্থ্য বিধির পিছনে ডান্ডা দিয়ে দিব্যি সাভাবিক সময়ের মত শপিং!!! এখন সরকার তিন দিনের ছুটির কথা বলেছে, তাতেও শ্রমিকদের সমস্যা। মানে হচ্ছে জনগনকে সাভাবিক ভাবেই চলতে দিতে হবে, কিন্তু সংক্রমন হলে সব দ্বায় সরকার নিবে!!!! এই কারনেই বলি, সব করোনা হাসপাতাল আপাতত বন্ধ করে দেওয়া উচিত সরকারের। আমাদের পিছনে যতক্ষন না লাত্থি পড়ে, আমাদের কোন হুশ হয় না। হোক করোনা, মরুক মানুষ। ইন্ডিয়ার মত অবস্থা হলে তখন হয়তো কিছুটা ভয় পেয়ে যদি একটু স্বাস্থ্যবিধি মানে।
Total Reply(0)
Anamul Haque Monir ১২ মে, ২০২১, ১:০৩ এএম says : 0
উচ্চবিত্তরা বিমান বা হেলিকপ্টারে চড়ে নিজেদের বাড়ি যাবে। আবার অনেক বড় লোকের বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন না ও হতে পারে কারণ ঢাকা শহরে তাদের নিজস্ব বাড়ি আছে যেখানে পরিবারের সবাই নিয়ে থাকে। অন্যদিকে বেশিরভাগ বিত্তবানরা তাদের নিজ এলাকা, আত্নীয় স্বজন থেকে বিচ্ছিন্ন। এরা নাড়ির টান কী বুজবে। যত সব বিপদ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের।
Total Reply(0)
Montosh Roy ১২ মে, ২০২১, ১:০৪ এএম says : 0
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনারা বাংলাদেশ কে বাঁচান। না হয় কেউ বাঁচবেন না।
Total Reply(0)
Mustahid Khan ১২ মে, ২০২১, ১:০৪ এএম says : 0
এটা একটা অনভিজ্ঞ দুরদৃষ্টহীন সিদ্ধান্ত। দরকার ছিলো সমস্ত বাস খুলে দিয়ে, ঢাকার সবকটি বাস স্টেশন, রেইল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনালে ও প্রবেশ ও বাহির পথে সঠিক মনিটরিং সেল বসানো। কঠোর স্বাস্থ্য বিধিমালা প্রনয়ণ করে তার যথাযথ প্রয়োগ করা, না মানলে জেল, জরিমানার ব্যাবস্থা করা। পথের টার্নিং পয়েন্ট গুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে মনিটরিং করা। একথা সবাই জানে ঢাকার মত একটি জনবহুল মেগা সিটি থেকে ঈদ উপলক্ষে লাখ মানুষের ঘর মুখো হওয়াটা ছিল স্বাভাবিক। আর তা জেনেও এমন আংশিক নিয়ম দেওয়া না দেওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
Total Reply(0)
মোঃ আলিফ হোসেন ১২ মে, ২০২১, ১:০৫ এএম says : 0
আমার কথা হলো বাছুর ছেড়ে দিয়ে বলবে তুমি তোমার মায়ের কাছে গিয়ে দুধ খেয়েনা তাহলে কি বাছুর শুনবে? তদ্রুপ মার্কেট গণপরিবন খোলা রেখে মানুষ কে ঘরে থাকতে বললে কয়জন মানুষ শুনবে? আর দেশে কয়জন মানুষ বা সচেতনতা অবলম্বন করে। বেশিরভাগ মানুষ তো গতানুগতিক চিন্তায় চলে। আর তাছাড়া সবকিছু খোলা রাখা মানেই তো মৌন ভাবে আহবান করা মানুষ কে।
Total Reply(0)
Towfique Islam Milon ১২ মে, ২০২১, ১:০৫ এএম says : 0
স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ, বাস,ট্রেন দ্বিগুণহারে চলাচল করলে করোনার ঝুঁকি,মানুষের ভোগান্তি, অর্থনৈতিক ঝুঁকি কমবে। আপনাদের ক্ষমতা চর্চা মানুষের অসুবিধা সৃস্টির জন্য নয়।
Total Reply(0)
শুধুমাত্র আশিক ১২ মে, ২০২১, ১:০৬ এএম says : 0
ঈদে মানুষ বাড়ি যাবে এটা প্রায় সিওর। জীবন গেলেও যাবে। হোস্টেল,মেসে বসে যে ঈদ করবে না এটা আমিও জানি তারাও জানে সরকার ও জানে। সেদিক দিয়ে দূরপাল্লার বাস চলাচল করলে হয়ত দুই সিটে একজন করে আরেকটু সেফলি যেতে পারত। তবে ঈদের সময় বাস চালু থাকলেও লঞ্চ,ফেরীতে এ রকমই ভীড় হয় সেটা ছোট বেলা থেকেই দেখে আসতেছি। সুতরাং দোষ যে আসলে কার বুঝতেছি না।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন