ঢাকা, রোববার, ১৩ জুন ২০২১, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ০১ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

বিশ্বের নজড় কাড়ছে গাজার ছোট্ট নাদিন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ মে, ২০২১, ৩:৫০ পিএম

ইসরাইলি বিমান হামলায় তার বাড়ি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চোখের সামনে বোমাবর্ষণে আত্মীয় ও প্রতিবেশীর মৃত্যু দেখছে দশ বছর বয়সী মেয়েটি। এই ‘যুদ্ধ’ থামানোর ক্ষমতা তার নেই। ধ্বংসস্তূপের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়ে অসহায় কান্নায় ভেঙে পড়ে গাজার নাদিন-আবদেল-তাইফ বলছে, ‘কী করব আমি? আমার কী ক্ষমতা আছে? আমার বয়স মাত্র ১০ বছর…।’

নাদিনের ওই কান্নার ভিডিও সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল হয়েছে। নজড় কাড়ছে সারা বিশ্বের। রোববার পর্যন্ত গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় দুই শতাধিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন। তার মধ্যে অন্তত ৫৩ জনই শিশু। ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে, গাজায় সর্বনিম্ন ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেই চলেছে ইসরাইল। ইসরাইলেও দুই শিশুর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তার মধ্যে একজনের বয়স ৬ বছর।

ভিডিও-তে সংবাদমাধ্যম ‘মিডিল ইস্ট আই’-কে ছোট্ট নাদিন কাঁদতে কাঁদতে বলছে, ‘কী করব আমি, বলুন? ওই ধ্বংসস্তূপ সরাবো? আমার সত্যিই ভয় করছে। আমার লোকেদের জন্য আমি সব কিছু করতে পারি। কিন্তু কী করা উচিত এখন, সেটাই তো বুঝতে পারছি না। আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই যাতে লোককে সাহায্য করতে পারি। কিন্তু কিছুই করে উঠতে পারছি না।’

তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আমি যখনই এসব দেখি, আমার কান্না পায়। শুধু ভাবি, কেন আমাদের উপরই হামলা হচ্ছে? বাড়ির লোকেরা বলে, আমরা মুসলিম বলে ওরা আমাদের ঘৃণা করে। এখানে এত শিশু থাকে। কেন শিশুদের উপর বোমাবর্ষণ করছে ওরা?’

ভিডিওতে নাদিনের কান্না আর অসহায়ত্ব একদিনেই দেখেছে ৪০ লাখের বেশি মানুষ। পাষাণ হৃদয়ও গলে যাবে সেই শিশুর আকুতি শুনে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পোস্ট করেছে। ক্যাপশনে লিখেছে, ‘শিশুটির আর্তনাদ - আমি জানি না এখন আমি কি করব।’ সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
মোঃ+দুলাল+মিয়া ১৭ মে, ২০২১, ৫:৩১ পিএম says : 0
মুসলিম বলে এরা আমাদের ঘৃণা মোটেই করে না,কোনও করে জানে ,এরা দেখতেছে আমরা মুসলমানেরা ঐক্যবদ্ধ নেই।আমাদের মাঝে একে অপরের বিরুদ্ধে। মুসলিম দেশ গুলি একেকজন একেক দিকে ,যাঁর যাঁর সারথের জন্য সে চলে,কেউ কাউকে সাহায্যে সামনে আসে না,এই গুলি দেখে ইহুদি কাপেরেরা আমাদের উপর এই রকম করতে সাহস পায়,মুসলিম হলে ধর্ম শান্তির ধর্ম যেখানে আছে শান্তি, কিন্তু আমাদের মাঝে কিছু মুসলিম আছে,তাঁরা ইহুদিবাদের সেবা করে ,এই জন্যই আজ এই অবস্থা। তবে ইনসআললাহ একদিন অবশ্যই মুসলিমদের জয় হবে,
Total Reply(0)
Dadhack ১৭ মে, ২০২১, ৫:৫৩ পিএম says : 0
If we have muslim ruler in the world then they will never dare to touch muslim any where in the world. সূরা নিসা: আয়াত: :75: "আর আপনার কি হল যে আপনি আল্লাহর পথে লড়াই করেন না এবং পুরুষ, মহিলা এবং শিশুদের মধ্যে যারা দুর্বল, দুর্ব্যবহার ও নিপীড়িত, তাদের কান্নাকাটি:" হে আমাদের রব! এই জনপদ থেকে আমাদের উদ্ধার কর, যার লোকেরা অত্যাচারী; এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদের রক্ষা করুন যিনি রক্ষা করবেন এবং আমাদের থেকে আমাদেরকে উত্থাপন করুন যিনি সাহায্য করবেন। Surah: Nisa: Ayat: 74: “সুতরাং যারা আখেরাতের বিনিময় দুনিয়ার জীবন বিক্রয় করে তারা যেন আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করে আর যে আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করবে অতঃপর সে নিহত হোক কিংবা বিজয়ী অচিরেই আমি তাকে দেবো মহা পুরস্কার” (যে ব্যক্তি মুসলমানদের কষ্টের বিষয়ে চিন্তা করে না সে তাদের নয়),[হাকিম] অর্থ তিনি তিনি আমাদের প্রিয় নবী [সা।] - এর উম্মত নন. সূরা: আল-আনফাল:আয়াত:73: “এবং যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তারা একে অপরের মিত্র, [এবং] যদি আপনি [সমগ্র বিশ্বের মুসলমানগণ সম্মিলিতভাবে] তা না করেন [যেমন: মিত্র হয়ে যান, যেমন ঐক্যবদ্ধভাবে এক খলিফা] (সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রধান মুসলিম শাসক) ইসলামী একেশ্বরবাদের ধর্মকে বিজয়ী করার জন্য, পৃথিবীতে ফিতনা [যুদ্ধ, ধর্ষণ, ব্যভিচার, খুন, শিরক] এবং নিপীড়ন থাকবে এবং একটি মহান দুষ্টামি এবং দুর্নীতি বিশ্বের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে পড়বে।”
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন