বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭ আশ্বিন ১৪২৮, ১৪ সফর ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বিশ্বব্যাংকের ৫১০০ কোটি টাকা ঋণ

তরুণদের কর্মস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০২১, ১২:০০ এএম

দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংকট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি প্রকল্পে বড় অংকের ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ ও উদ্যোক্তা তৈরির জন্য ৬০ কোটি ডলার অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ১শ’ কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনের হেড অফিস এই অর্থের অনুমোদন দেয়। গতকাল শুক্রবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগাতে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এই ঋণের টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘অ্যাকসিলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (এএসএসইটি)’ শীর্ষক প্রকল্প। এই প্রকল্পে ৩০ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণে কাজ করবে এই প্রকল্প।
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক দশকে দ্রুত সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধন করে একটি মধ্যম আয়ের স্থিতিতে পৌঁছেছে। দেশে বর্তমান ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ চলছে। এর সুফল পেতে হলে আমাদের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
এ পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পর্যাপ্ত আপগ্রেডেশনের প্রয়োজনীয়তা ও কোভিড পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকা ও কর্মক্ষম থাকার জন্য যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া জরুরি বলে মনে করছে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর। সে কারণেই এই প্রকল্পটিতে ৩০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে রেজিলিয়েন্স, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট (আরইএলআই)’ প্রকল্পে ৩০ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে সংস্থাটি। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে। ২০টি জেলায় ৩ হাজার ২শ’ গ্রামের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা হবে এর মাধ্যমে।
বাংলাদেশ ও ভুটানের দায়িত্বে থাকা বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেন বলেন, করোনা সংকট হাজার হাজার মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত করেছে। বিশেষ করে নারী শ্রমিক, যুবক ও বিদেশফেরত শ্রমিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সহজ শর্তে স্বল্প সুদের (০ দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ) এই ৬০ কোটি ডলারের ঋণ ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
মুহাম্মদ মুফিজুল ইসলাম ২২ মে, ২০২১, ১:৩৩ এএম says : 0
এই অর্থ সহায়তা যেন সঠিক বন্টন হয় এবং কার্যকরভাবে আমরা তরুণরা আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও দেশের অর্থনীতি তে অবদান রাখতে পারি, এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের উচিত যথাযতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করা, আমরা কথা দিতে পারি এই ঋণ ৩০ বছর নয় ১৫ বছরে পরিশোধ করতে পারবো, ইন শা আল্লাহ!!!
Total Reply(0)
মোঃ+দুলাল+মিয়া ২২ মে, ২০২১, ৫:১৩ এএম says : 0
খবরের কাগজে দেখলাম মাথা পিছু আয় ঋন করার কি দরকার। ঠিক আছে ঋন করা যেতে পারে যদি তরুণদের ঠিক মতো বেবসতা করতে পারে।কিন্তু সাপের পোটে চলে গেলে এই ঋন এনে লাভ নাই। যদি শিক্ষাক্ষাতে তরুণ দের কাজে খরছ করা হয়।তবে ঋন নিয়ে লাভ হবে।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন