ঢাকা, রোববার, ২০ জুন ২০২১, ০৬ আষাঢ় ১৪২৮, ০৮ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

রাজশাহীতে ভ্রাম্যমান র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৯৭টি

এরমধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ২৭ জন

রাজশাহী ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৬ জুন, ২০২১, ৭:০৬ পিএম

রাজশাহীতে হুহু করে বাড়ছে করোনা রোগী। প্রতিদিনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে করোনা টেস্টের জন্য বাড়ছে নমুনার সংখ্যা। নমুনা পরীক্ষা করতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় রাজশাহীর করোনা সংক্রমণের হার জানতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন।

তাই রোববার রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে নগরীর পাঁচটি পয়েন্টে শুরু হয় র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট। সিভিল সার্জন অফিস ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় এই বুথগুলো পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি বুথে নগরীর প্রথমিক ভাবে ২ শত করে মোট এক হাজার ফ্রি টেস্ট করা হবে। তবে কতদিন এই পরীক্ষা চলবে তা নিশ্চিত নয়।

রাজশাহী নগরীর ৫টি স্থানে বিশেষ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৯৭টি। এরমধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ২৭ জন। সংক্রমণের হার ৯ শতাংশ। সকাল দশটায় একযোগে নগরীর সাহেব বাজার,লক্ষীপুর মোড়, সিএন্ডবি মোড়,হড়গ্রাম বাজার ও তালাইমারীতে দ্রæততম সময়ের করোনার এ পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর একটায় পরীক্ষা কার্য্যক্রম শেষ হয়। এসময় জনসাধারণের কাছ থেকে নমুনা নিয়ে টেস্ট করা হয়। ৭ থেকে ১০ মিনিটে দেয়া হয় ফলাফল। নগরবাসী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। একাধিক নমুনা প্রদানকারী ব্যক্তি জানিয়েছে, উপজেলা পর্যায়ের পাশাপাশি ৩০ টি ওর্য়াড কার্যালয়ে এ কার্য্যক্রম চালু করা হোক।
এর আগে রোববার সকাল ১০ টার দিকে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে রাজশাহী স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা টেস্ট কার্যক্রম শুরু করেন।ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,রাজশাহী পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী সিভিল সার্জন কাউয়ুম তালুকদারসহ স্বাস্থকর্মীরা।

পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান,টেস্টের বেশিরভাগ নেগেটিভ এসেছে। এ হার বলে দেয় নগরীতে প্রকোপ কম। আমরা আশাবাদী জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মানলে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

সিভিল সার্জন কাউয়ুম তালুকদার জানান, কি পরিমাণ সংক্রমণ আছে সেটাই দেখতে এই কার্যক্রম। সাধারণ মানুষের মাঝে সংক্রমণ কতটা ছড়িয়ে গেছে এর মাধ্যমে তার ধারণা পাওয়া গেল।

এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে এখনও করোনাভাইরাস পরীক্ষার সক্ষমতার চেয়ে প্রায় কয়েক গুন বেশী নমুনা জমা রয়েছে। কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ডাঃ সাবেরা গুলনাহার বলেন,রোববারও ৬'শ ২০টি নমুনা উদ্বৃত্ত রয়েছে।এগুলো দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, বর্তমানে আরটিপিসিআর, র্যাপিড এন্টিজেন ও জেন এক্সপার্ট এই তিন পদ্ধতিতে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার কার্য্যক্রম চলছে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন