ঢাকা শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৩ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

মহানগর

অগ্রাধিকার খাতে সুস্পষ্ট নির্দেশনার অভাব : ঢাবির বাজেট আলোচনায় বক্তারা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৪ জুন, ২০২১, ৮:৩৯ পিএম

করোনাভাইরাস মহামারীর অভিঘাত সামলিয়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবছরের বাজেট। তাই বাজেটে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রসমূহ জরুরী ভিত্তিতে চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা। বাজেটে অগ্রাধিকার ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে বটে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি আয়োজিত ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে পর্যালোচনা গিয়ে এমন মন্তব্য করেছে বক্তারা । করোনাকালীন শিক্ষাখাতে বিশেষ নজর প্রত্যাশা করে জরুরি শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠন, শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। সোমবার সেন্টারের উদ্যোগে ‘বাজেট ২০২১-২২ পর্যালোচনা: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এসব দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি’র ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রতিটি ক্ষেত্রেই মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা অপরিহার্য। এজন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নতমানের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা ও দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের নিকট সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম। এতে বলা হয়, লকডাউন ও বিধিনিষেধের কারণে অর্থনীতি স্থবির। টিকাদান কর্মসূচীর চমৎকারভাবে আরম্ভ হলেও টিকার সংকটে এখন তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে (৭০-৮০%) টিকার আওতায় না আনলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দুরূহ হবে।

বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখিত ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকা দেয়া হবে উল্লেখ করা হয়েছে। মাসে পরিকল্পনা ২৫ লাখ টিকা দেয়ার। এই হারে বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে টিকা দিতে কয়েক বছর লেগে যাবে। বারবার করোনার ধাক্কা সামলাতে গেলে প্রাক্কলিত ৭.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা দুঃসাধ্য হবে বলেই মনে হয়। এছাড়াও মুল প্রবন্ধে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও কৃষি খাতের বাজেটের পর্যালোচনা করে এতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার পাশাপাশি যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতের উপর জোর দেওয়া হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন