ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৮ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

মহানগর

ক্লাব ও মদ নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ জুন, ২০২১, ৩:২৫ পিএম

চিত্রনায়িকা পরীমণির ঘটনায় আবারও সংসদে আলোচনায় এসেছে রাজধানীতে গড়ে ওঠা অবৈধ মদের বার ও ক্লাব নিয়ে। জাতীয় সংসদে এ নিয়ে আজ তুমুল বিতর্ক ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়েছে। শুধু বিরোধী দলের এমপিরাই নয়, এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকার দলীয় এমপিরাও।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) চিত্রনায়িকা পরীমণির ঘটনার সূত্র ধরে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনা শুরু করেন। পরে এ আলোচনায় আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলের এমপিরা অংশ নেন।

আলোচনার শুরুতে চুন্নু বলেন, কয়েক দিন ধরে একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। উত্তরা বোট ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে সেই বোট ক্লাব কে করেছে? এই ক্লাবের সদস্য কারা হন? শুনেছি ৫০-৬০ লাখ টাকা দিয়ে এর সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা এর সদস্য হন? আমরা তো সারাজীবনে এত টাকা ইনকামও করি না।

চুন্নুর বক্তব্যের পর শেখ সেলিম ফ্লোর নিয়ে বলেন, বাংলাদেশে মদ ও জুয়ার লাইসেন্স দিয়েছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আবার চালু করেছিলেন। যারা অপরাধের শুরু করেছেন তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

এ সময় শেখ সেলিমের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য একটা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য (শেখ সেলিম) কোথায় চলে গেলেন? বাংলাদেশে অনেক বিদেশি থাকেন। এছাড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য, ডোমদের জন্য মদের বৈধতা আছে। কোনো মুসলমানের জন্য আইনে অনুমতি নেই। জিয়াউর রহমান যদি মুসলমানদের মদের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সদস্য পদ ছেড়ে দেব।

সাংসদ হারুনের সদস্য পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। উনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে, মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

পরে সাংসদ মসিউর রহমান বলেন, এখানে রাষ্ট্রীয় কিছু বিষয় আছে। বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। ২১ বছরে আইনকে মিসইউজ করে এটা করা হয়েছে। বিদেশিদের অ্যারেঞ্জমেন্টের জন্য এটা করেছে। ক্লাবগুলোতে একজন ডাক্তার দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, দৈনিক মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিল। এখন কোনো মুসলমান যদি মদ খায় সেখানে সরকারের কিছু করার নেই।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
মোঃ+দুলাল+মিয়া ১৭ জুন, ২০২১, ৪:৩৩ পিএম says : 0
আসলে মদ কে খায়,যারা কালো টাকার মালিক তারাই মদ খায়,যারা সতপথে টাকা রোজগার করেন,এবং সতপথে চাকরি করে মাসিক বেতন দিয়ে চলেন,তাহারা ডাল ভাত খাইয়া আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন,তারাই সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলমান,আর যে বেকতি ডেইলি কালো টাকা দিয়ে রুই কাতলা ছাগল গরু খায় এবং কালো টাকা দিয়ে মদ খায়। সে মুসলমান নয়,আবার তাহার জন্ম দেওয়া ছেলে সন্তান তারাও হবে না,হারামের রক্ত যেখানে বেবহার করবে সেটা ও হারাম হবে,কালো টাকা আর শুকর খাওয়া একই কথা,............
Total Reply(0)
আরিফুল ইসলাম ১৭ জুন, ২০২১, ৪:৩৭ পিএম says : 0
বর্তমান সরকার পূর্বের কত আইন সংশোধন করল কিন্তু 'মদের বৈধতা' একটা খারাপ আইন যা বিরোধী দল করে গেছে এটা পরিবর্ত করতে এতো দোহাই কিসের নাকি গোপনে মজা লয় সবাই তাই বন্ধ করতে নাই...????
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন