সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, ২২ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তুরস্ককে কাবুল এয়ারপোর্টের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জুন, ২০২১, ১২:৩৯ পিএম

আফগানিস্তান থেকে ন্যাটো বাহিনীর বিদায়ের পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রধান ভূমিকা নেবে তুরস্ক। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি ও রয়টার্সের।
মার্কিন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেছেন, এই সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বৈঠকের মাধ্যমে একমত হয়েছেন যে কাবুল বিমানবন্দরের সুরক্ষায় তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কাজ চলছে। চলতি বছরের ১১ই সেপ্টেম্বরের আগেই তা শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা ‘রয়টার্স’-এর খবরে জ্যাক সুলিভান বলেছেন, দুই নেতার মধ্যে বৈঠক তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে এস ৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধান করতে পারেননি। এই বিতর্কের কারণে ন্যাটোর দুই জোটের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল।
আমেরিকার জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, “নেতাদের স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে যে কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে তুরস্ক কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেবে এবং আমরা এখন সেদিকে কীভাবে অগ্রসর হবো সে বিষয়ে কাজ করছি।”
সোমবার ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকের পর বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ন্যাটো বাহিনী প্রত্যহারের পর আফগানিস্তানে তুর্কি মিশনে পাকিস্তান ও হাঙ্গেরির সম্পৃক্ততা চায় তুরস্ক।
এদিকে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা করতে তুরস্ক যে প্রস্তাব দিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তালেবান। তালেবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন বলেছেন, ২০২০ সালের স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে তুরস্কের উচিত নিজেদের সেনাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা। রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তালেবানের মতামত জানতে চাইলে দোহাভিত্তিক এক মুখপাত্র জানান, ২০ বছর ধরে তুরস্ক ন্যাটোর অংশ ছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী তুর্কি সেনাদের আফগানিস্তান ছাড়তে হবে।
তালেবান মুখপাত্র আরও বলেন, তুরস্ক একটি মুসলিম দেশ। আফগানিস্তানের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে যখন আমরা নতুন ইসলামি সরকার গঠন করবো তখন তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও ভালো সম্পর্ক প্রত্যাশা করি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল জাজিরা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
মোঃ কামরুজ্জামান সুমন ১৮ জুন, ২০২১, ৩:১৬ পিএম says : 0
এরপরও তারা তো একটা সমস্যা সৃষ্টি করে দিয়ে তার দায় দায়িত্ব দিয়ে দিবে তুরস্কের উপরে। আমেরিকাকে বিশ্বাস করতে নেই, ইহুদিদেরকে বিশ্বাস করতে নেই। যেকোনো একটা সমস্যা তৈরী করে সমস্যা বাদে তার দায়-দায়িত্ব তুরস্কের উপরে দেবে।
Total Reply(0)
abulkasemsumon56@gmail.com ২০ জুন, ২০২১, ৯:৫২ পিএম says : 0
এ দায়িত্ব নেওয়া হবে তুরস্কের জন্য সাংঘাতিক বোকামি
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন