ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৮ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

করোনার বিস্তার ভয়ঙ্করভাবে ঘটছে

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ জুন, ২০২১, ১২:০০ এএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই, দুই বছর আছে। দলকে দ্বন্দ্ব কোন্দলমুক্ত করে সামনের নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। দলের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য ফিরিয়ে আনতে হবে। দলকে শক্তিশালী করতে হলে প্রয়োজন ইস্পাত কঠিন ঐক্য।

গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাদের বলেন, দলের শৃঙ্খলার ব্যাপারে শেখ হাসিনা কঠোর অবস্থানে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে সম্মেলন করে নতুন কমিটি দিতে হবে। এরপর জেলা সম্মেলন করতে হবে। পকেট কমিটি করা যাবে না। করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ চলছে। প্রয়োজনে ঘরোয়াভাবে সম্মেলন করে কমিটি দিতে হবে।

তিনি বলেন, নিজের অবস্থান শক্ত করার জন্য পকেট কমিটি করা যাবে না। কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ কোনঠাসা হয়ে যাবে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, সাম্প্রদায়িক ও মাদক ব্যবসায়ীদের দলে ও কমিটিতে নেওয়া যাবে না। দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। এসব ব্যাপারে শেখ হাসিনা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে লুটপাটতন্ত্র চালু করেছিল বিএনপি। হাওয়া ভবনের নামে খাওয়া ভবন চালু করে লুটপাটতন্ত্র চালু করেছিল। কোনো দুর্নীতির বিচার হতো না। কোনো নেতা, কোনো কর্মীকে শাস্তির আওতায় আনা হতো না। এই ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু কন্যা জিরো টলারেন্স নিয়ে চলছেন। আমাদের দলের অনেকের সাজা হয়েছে, অনেকে জেলে আছে, দুদক তদন্ত করছে। বিএনপির সময় এটা ভাবাই যেতো না।

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন জিয়াউর রহমানকে খলনায়ক বানানোর চেষ্টা হচ্ছে। বস্তুত পক্ষে আওয়ামী লীগ না, জিয়াউর রহমান তার কর্মেই ইতিহাসের খলনায়ক। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বেনিফিসিয়ারি জিয়াউর রহমান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে বহুদলীয় তামাশার প্রচলন করেছিল বিএনপিবিএনপি এদেশের জন্য কি করেছে যার জন্য জনগণ তাদের মনে রাখবে, আন্দোলনে সায় দিবে? বিএনপি মানুষের উন্নয়ন চায় না। তারা নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে এটাই বিএনপির গাত্রদাহ। ১২ বছর আগের ঋণগ্রস্ত বাংলাদেশ আজ ঋণদাতা বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা ও সুদানকে আমরা ঋণ দিয়েছি। বিএনপি এসব দেখতে পায় না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর বিস্তার ঘটছে। সবাইকে এ ব্যপারে সতর্ক থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। অনেকে থুতনির কাছে মাস্ক পরে থাকেন। এভাবে মাস্ক পরে লাভ কি, লাভ নেই। ভালোভাবে মাস্ক পরতে হবে। করোনা কবে যাবে সেটা আমরা কেউই বলতে পারছি না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে ভালো থাকা যায়, সেটাই সবাইকে করতে হবে।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য আব্দুল মান্নান খান, সাংগঠনিক সম্পাদ মির্জা আজম প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন