বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৪ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

মৃত্যুর ৩৯দিন পর কিশোরীর লাশ উত্তোলন

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ জুন, ২০২১, ১:৪৩ পিএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মৃত্যুর ৩৯দিন পর সেই কিশোরীর লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সোমবার দুপুরে কবরস্থান থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ১২মে রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে ১৩ মে তাকে দাফন করা হয়েছিল।


জানা যায়, উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামের মো. স্বপন মিয়ার মেয়ে স্বর্ণা আক্তার (১৬) বাবা মায়ের ডিভোর্সের পর মেয়ে স্বর্ণা ও অন্য সন্তানদের নিয়ে উচাখিলা বাজারে পরিত্যক্ত সরকারি একটি ভবনে বসবাস করতেছেন।

এঅবস্থায় স্বর্ণা গত ১২মে রাতে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হাসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়েছে যক্ষার জীবাণু শরীরে ছড়িয়ে পড়া এবং এই জীবাণু ব্রেইনের রক্তনালীতে বাসা বাঁধার কারণে স্ট্রোকে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ১৩মে স্বর্ণার মরদেহ দাফন করেন উচাখিলা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ইসলামপুর মাদ্রাসার কবরস্থানে ।

কিন্তু গত ২৪মে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি মামলা করেন নিহত কিশোরীর বাবা স্বপন মিয়া। এতে আসামি করা হয় উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, তার ভাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মঞ্জুরুল হক, তরুণীর মাসহ ৫ জনকে। গত ৩১ মে আদালতের নির্দেশে মামলাটি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় নথিভুক্ত হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়- মায়ের সহায়তায় উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তরুণীটিকে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে। এতে অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে গর্ভপাত ঘটানো হয়। কিন্তু তাতে রক্তক্ষরণ শুরু হলে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর ১২ মে রাতে মারা যায় সে। মৃত্যুর পর উচাখিলা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ইসলামপুর এলাকায় দাফন করা হয়।

পরে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল দুপুরে লাশ উত্তোলন করা হয়। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাশপিয়া তাসরিনের উপস্থিতিতে গোয়েন্দা পুলিশ স্বর্ণার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, মৃতুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Md. Faruk Hosen ২১ জুন, ২০২১, ২:৪৮ পিএম says : 0
আদওকি মৃত্যুর কারণ উদঘটন হবে?
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন