মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ইসলামী প্রশ্নোত্তর

এক লোক তার বাড়ির একটি ফ্লাট বন্ধক রেখে ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছে এক ব্যাক্তির কাছ থেকে। সেখানে ৫ বছরের চুক্তি লিখিত হয়, বাড়ির মালিক ৫ লক্ষ টাকা ৫ বছর শেষে ফেরত দিয়ে দিলে সেই ফ্লাট সে ছেড়ে দিবে। এখন প্রশ্ন হলো, সেই বন্ধককৃত ফ্লাটটি থেকে ভাড়া দিয়ে যে অর্থ আসবে তা কি সুদ হবে বা নিজেরা ফ্ল্যাটে থাকাটা কি ইসলামে বৈধ হবে?

গাফফার সুজন
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১ জুলাই, ২০২১, ৮:০১ পিএম

উত্তর : কোনো কর্তন ছাড়া এ ধরনের বন্ধক জায়েজ নয়। ৫ বছরের জন্য অগ্রিম ভাড়া হিসাবে টাকা দিলে এটি নিজে ব্যবহার কিংবা অন্যকে ভাড়া দিয়ে আয় করা জায়েজ হতো। এক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রশ্ন থাকতো না। যদি ৫ বছর পর পুরো টাকাই ফেরত দেবে, তাহলে এটি ঋণের বিনিময়ে সুদ হিসাবে গণ্য হলো। যা শরীয়তে জায়েজ নেই। বন্ধক নাম দিলেও এটি আসলে সুদি লেনদেন। বন্ধকের জন্য টাকা কর্তন যাওয়া জরুরি।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
inqilabqna@gmail.com

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Khalil ৫ জুলাই, ২০২১, ৭:৩৫ এএম says : 0
আমি বাবার সাথে থাকি আমার উপর কুরবানি ওয়াজিব কিন্তু বাবা ঋণ গ্রস্থ এখন বাবার তার নামে কুবানি দিতে বলে এখন আমার নামে না দিলে কি গুনাহ হবে নাকি দুজনের নামে দিতে হবে বাবার নামে না দিলে সে রাগকরে একন আমি কি করবো
Total Reply(0)
mozahar ৮ জুলাই, ২০২১, ৬:২৯ পিএম says : 0
আমি একজন হাজি মানুষ। নির্মাণ কাজের জন্য আমি ও আমার বন্ধুর পরিবার মিলে এপার্টমেন্ট বানানোর দায়িত্ব নিয়েছি, যা খরচ হবে শুধু তাই ব্যয় হবে এভাবে মৌখিক চুক্তি হয়েছে। সহকর্মী ও গ্রাহকরা নির্দিষ্ট অংশের অর্থের বিনিময়ে আমাদের নির্মাণ পরিচালনার কাজ দিয়েছে। আমি সকলের সভাপতি বা প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ফ্লাট মালিকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিজেদের ফ্ল্যাট নির্মাণ করলে এবং যাদের থেকে অর্থ নিচ্ছি তাদের না জানিয়ে নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করে দিচ্ছি। যে পরিমাণ অর্থ খরচ হওয়ার কথা তার থেকে তাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছি। আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নিজেদের লাভের জন্য নিয়মভঙ্গ করে অতিরিক্ত স্থাপনা নির্মাণ করছি। অস্বচ্ছ থাকার কারনে মানুষ আমাদের অতিরিক্ত অর্থ নিজেরা আত্মসাৎ করছি বলে মনে করছে৷ অতিরিক্ত অর্থ খরচের জন্য তারা হিসাব জানতে চায়, কিন্তু তাদের অংশের হিসাব না দিয়ে আমরা শুধু বলি টাকা দেন কাজ করে দিবো৷ উদাহরণ স্বরূপ ভালো লিফ্ট মেশিন এর কথা বলে কম দামে এ লিফ্ট কিনে বাড়তি অর্থ নিজেরা নিলে কি তাদের দাবির কারণে আমরা জাহান্নামী হতে পারি? যে পরিমাণ অর্থ খরচ হওয়ার কথা তার থেকে তাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে কোন অন্যায় করা হবে কি? আর যদি নির্মাণ কাজের অতিরিক্ত অর্থ আমি না নিয়ে, আমাকে না জানিয়ে বন্ধুর পরিবার গ্রহণ করে কিন্তু আমি সকলের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে সমর্থন করি তাহলে ফ্ল্যাট মালিক ও গ্রাহকদের সাথে কোন অন্যায় করা হবে কি? এতে যদি কনো অন্যায় হয় তাহলে কোন কোন অন্যায় করা হবে? এক্ষেত্রে আমার করনীয় কি? পক্ষপাতিত্ব বা পক্ষপাতিত্ব করা কি ইসলামে বৈধ? এই কাজ গুলোতে কোন অন্যায় করা হলে করনীয় কি? অনুগ্রহ করে বিস্তারিত জানাবেন৷
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন