ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

পাকিস্তানে বড় ধরনের আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত

উত্তেজনার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিন্ধুর পানি-অস্ত্র ব্যবহার নিয়েও ভাবছে ভারত। সুব্রামানিয়ানের হুমকি-

প্রকাশের সময় : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার পাকিস্তানকে মারাত্মক আঘাত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য সুব্রামানিয়ান স্বামী গত শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন। সুব্রামানিয়ান স্বামী রাজ্যসভায় বিজেপির সংসদ সদস্য। সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পাকিস্তানকে মারাত্মক আঘাত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক সিদ্ধার্থ নাথ সিং জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদির সরকার সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন। ভারতের সংবাদমাধ্যম জি নিউজের অনলাইন সংস্করণে প্রচারিত প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়। সিদ্ধার্থ নাথ সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথা শোনার পর সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই। একই সঙ্গে মনোহর পারিকরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উরি হামলার শোধ নেয়ার যে অঙ্গীকার করেছেন তা কথার কথা নয়।
অন্য দিকে, কাশ্মীরের অশান্ত পরিবেশ ও উরি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আবারো উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তান সম্পর্ক। ঠিক এ সময় সিন্ধুর পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে ভারত। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সিন্ধুর পানি বন্ধ করে দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন। সিন্ধু নদের পানি বণ্টনের বিষয়টি ভারত সরকারের বিবেচনায় আছে জানিয়ে বিকাশ বলেছেন, যেকোনো সহযোগিতামূলক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন উভয়পক্ষের সুসম্পর্ক এবং সহযোগিতা। সিন্ধু নদের উৎসমুখ ভারতে। পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে তা মিশেছে আরব সাগরে। ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের পানি বণ্টন নিয়ে চুক্তি সই হয়। ওই চুক্তি অনুসারে সিন্ধু নদের শাখা শতদ্রু, বিপাশা ও ইরাবতি নদী পড়ে ভারতে। আর সিন্ধু, চিনাব ও ঝিলম পড়ে পাকিস্তানে। চুক্তি অনুযায়ী ভারত সিন্ধু নদের মাত্র ২০ শতাংশ ব্যবহার করে। আর যদি নদের পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয় ভারত তবে মারাত্মক সমস্যায় পড়ে যাবে পাকিস্তান। দেশটি সেচ থেকে শুরু করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য পাকিস্তান সিন্ধুর এসব শাখার ওপর নির্ভরশীল। বিকাশ স্বরূপ বলেন, যেকোনো চুক্তি চালু রাখার জন্য পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা কোনো একমুখী প্রেম নয়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েক মাস ধরেই ভারতশাসিত কাশ্মীরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। আর চলতি মাসেই কাশ্মীরে এক হামলায় ১৭ জন ভারতীয় সেনাসদস্য নিহত হন। এ ব্যাপারে পাকিস্তানকে দায়ী করছে ভারত। আর এ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এখন অবনতির দিকে। গত সপ্তাহে কাশ্মীরে এক হামলায় ১৭ জন ভারতীয় সেনাসদস্য নিহত হন। আর এজন্য পাকিস্তানকেই দায়ী করছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ আরো বলেন, আমাদের এত কাগজপত্র করার প্রয়োজন নেই। সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতার কথা সারা বিশ্বই জানে। বিবিসি, জি নিউজ, সিএনএন, ওয়েবসাইট।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (5)
masum ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ৬:০০ এএম says : 7
ফখরুল সাহেব বল্লেন আওমীলিগ নয় দেশ চালাচ্ছে অন্যভাবেঅন্ন কেহ তাহলে সে বলে দিক সে কে
Total Reply(0)
রুম্মান ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ২:১২ পিএম says : 0
কোন হুমকিতেই কাজ হবে না।
Total Reply(0)
Emran ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ২:১৩ পিএম says : 0
dekha jak ki hoy
Total Reply(0)
momen ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ৩:৪৬ পিএম says : 0
যে বড় ধরনের আঘাত হানে সে কখনও বলেনা, বাচা গেল যুদ্ধ হবেনা।
Total Reply(0)
করিম ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ৩:৫৮ পিএম says : 0
যে বড় ধরনের আঘাত করে সে কখনও তা বলে বেড়ায়না।যেমন হিটলারের সত্তর হাজার কামান দ্বারা রাশিয়া আক্রমন,জাপানে আনবিক বোমার আক্রমন।
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন