সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫ আশ্বিন ১৪২৮, ১২ সফর ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি বন্ধ

আমদানিকারকরা অসন্তুষ্ট হলেও খামারিরা খুশি

কক্সবাজার ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ১১ জুলাই, ২০২১, ১২:০১ এএম

দেশীয় খামারিদের কথা বিবেচনা করে মিয়ানমারের সাথে একমাত্র করিডর শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে মিয়ানমারের পশু আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এতে করে স্থানীয় পশু আমদানিকারকরা বিপাকে পড়লেও খুশি খামারিরা। দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে পশু আসছিল। প্রতিটি গরু-মহিষের বিপরীতে ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় করে বৈধ করা হতো। এখন তা বন্ধ করে দেয়া হল। গত সোমবার রাতে এ তথ্য জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে পশু আমদানি করে আসছিল করিডোর দিয়ে। এখন সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় খামারিদের কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, উপজেলায় ছোট-বড় আড়াই শতাধিক পশুর খামার রয়েছে। এরমধ্য অর্ধশতাধিক বড়। এসব খামারে ১৮ হাজার গরু-মহিষ-ছাগল রয়েছে। তবে এই উপজেলায় কোরবানি পশুর চাহিদা ৮ হাজারের মতো।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, গত রোববার বিকেলে জেলা চোরাচালান নিরোধ টাস্কফোর্স কমিটির একটি জুম মিটিংয়ে সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে মিয়ানমারের পশু আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কেউ এ আদেশ অমান্য করলে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে।
টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক কর্মকর্তা মো. আব্দুন নুর বলেন, জেলা চোরাচালান নিরোধ টাস্কফোর্স কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার থেকে মিয়ানমারের পশু আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে ওই বৈঠকের আগে মিয়ানমার থেকে যেসব পশু এসেছে সেগুলোর ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। কাস্টমস সূত্র জানায়, চলতি বছরের মে ও জুন মাসে মিয়ানমার থেকে ২৫ হাজার ৮৬৮টি গরু ও ৪ হাজার ২৫৮টি মহিষ এসেছে। এরআগে মার্চ-এপ্রিল মাসে ১১ হাজার ৮৮৬টি গরু ও ২ হাজার ৪২৪টি মহিষ এসেছিল। টেকনাফে পশু ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, সামনে কোরবানি ঈদ, এসময় হঠাৎ করে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার লোকসান গুনতে হবে। অধিকাংশ ব্যবসায়ী কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে লাখ লাখ টাকা দাদন দিয়েছেন। খামারিরা বলেন, তারা খুশি মিয়ানমারের পশু আসলে খামারে উৎপাদিত তাদের পশুগুলো বিক্রি হবে না।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন