মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬ আশ্বিন ১৪২৮, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আগে ছিলাম ছোট জেলখানায় এখন আছি বড়টায়

ভিডিও কনফারেন্সে শেখ হাসিনা কর্মকর্তাদের মনোভাবে ইতিবাচক বদলেছে ষ সবাই যেন করোনা টিকা পায় সে পদক্ষেপ নিয়েছি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৯ জুলাই, ২০২১, ১২:০৩ এএম

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সরাসরি কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে না পারার আক্ষেপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনার কারণে আমি কিন্তু বলতে গেলে এক রকম বন্দি জীবনই কাটাচ্ছি। তার আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়। এখন আছি বড় জেলখানায়। কারণ এই গণভবন থেকে আর বের হতে পারি না। হ্যাঁ, একটু বড় জেলখানা এটা হলো কথা। একটু লিবার্টি আছে। দোতলা থেকে নিচে নামতে পারি, মাঠে হাঁটতে পারি এই পর্যন্ত। গতকাল রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহের বার্ষিক কর্মসম্পাদনা চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পর্যায়ক্রমে দেশের সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের কোন মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে বাদ না থাকে। সেভাবে কিন্তু আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি যে জিনিসটা এখন লক্ষ্য করি, প্রত্যেকটা সরকারি অফিসারদের ভেতরে- আগে যেমন ‘সরকারি মাল দরিয়া মে ডাল’ মনোভাব ছিল, এখন সেটা নেই। আজকে প্রত্যেকে কিন্তু নিজে নিজের কাজকে নিজের বলে গ্রহণ করছেন, আপনার দায়িত্বটা আপনি নিজে গ্রহণ করছেন এবং বাস্তবায়ন করবার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কাজ।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর থেকে এ পর্যন্ত আমি যেটা লক্ষ্য করেছি, সর্বক্ষেত্রে আমাদের যারা প্রশাসনে আছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আছেন অথবা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে আছেন সকলের ভেতরে কিন্তু এ পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, সকলে কিন্তু আমাদের দেশের কাজগুলো যেগুলো জাতির জন্য, যেগুলো মঙ্গলের জন্য, জনগণের জন্য সেই কাজগুলোকে গুরুত্বসহকারে করেছেন। অর্থাৎ আপন বলে গ্রহণ বা দায়িত্ব বলে গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন বলেই এত অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২০-২১ এর ভেতরে যে উন্নতিটা, এর ভেতরেই কিন্তু আমাদের অর্জনগুলো হয়েছে। আজকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ একটা সম্মানজনক অবস্থায় এসেছে। জনগণের সেবা করা সরকারের দায়িত্ব সে কথা স্মরণ করিয়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কে? সরকার হচ্ছে জনগণের সেবা করবে। আমাদের লক্ষ্য যারা সেবা করবে তাদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলা, তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনসেবা করা, অর্থাৎ জনগণের সেবামূলক প্রশাসন গড়ে তোলা। সরকারে থেকে শুধু সরকারের সুযোগ সুবিধা ভোগ করবো তা নয়, এখানে আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্বটা হচ্ছে জনগণের প্রতি। জনগণের কল্যাণে, জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা। সেই কথাটা চিন্তা করে আমরা সকল কর্মকাণ্ড, আমাদের যেমন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ, বাজেট দেই বা প্রশাসনে যে সকল কর্মকাণ্ড আমরা পরিচালনা করি, সেগুলো যেন গতিশীলতা পায়, সেগুলো যেন জনগণের কল্যাণমুখী হয়, জনগণ যেন তার সুফলটা ভোগ করতে পারে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের কল্যাণে কাজ করা, তাদের জীবন মান উন্নত করা, আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা দেওয়া যান্ত্রিকীকরণ করা কৃষিকে বা শ্রমের মূল্য দেওয়া এটাতো আমাদের দায়িত্ব, তাদেরকে সেভাবে সম্মান দেওয়া এবং সেভাবে কাজ করা, সেটাই তো বড় শিক্ষা এবং বড় দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী হয়ে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর আর্দশ নিয়েই আমার পথ চলা এবং সেভাবেই আমাদের সংগঠন কাজ করেছে, আমরাও প্রচেষ্টা চালিয়েছি। যখন সরকারে এসেছি বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেবক হিসেবে কাজ করেছি। প্রধানমন্ত্রীত্ব আমার জন্য অন্য কিছু না, শুধু একটা সুযোগ। সুযোগটা হলো মানুষের জন্য কাজ করা, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই আদর্শটা বাস্তবায়ন করা। এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্থ হয়েছে। বাংলাদেশকে আমরা যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, সেখানে একটা বিরাট ধাক্কা লেগেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এত বাধার মধ্যে এ রকম একটা অস্বাভাবিক পরিবেশের মধ্যে সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন, সে জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ এইটুকু কাজ যদি আমরা না করতে পারতাম তাহলে হয়তো বাংলাদেশের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে দাঁড়াতো। তিনি বলেন, এটা ঠিক যেহেতু এটা বিশ্বব্যাপী সমস্যা। এখানে আমাদের একার কিছু করার নাই। তারপরও আমাদের প্রত্যেকের চেষ্টা রয়েছে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং আর্ত-সামাজিক অবস্থা গতিশীল রাখতে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করেছি। ভ্যাকসিন আসছে। আমাদের দেশের সকলেই যেন ভ্যাকসিনটা নিতে পারে তার জন্য যত দরকার আমরা তা ক্রয় করবো এবং আমরা সেই ভ্যাকসিনটা দিব। কোন মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে বাদ না থাকে। সেভাবে কিন্তু আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা চাচ্ছি, আমাদের দেশের মানুষ যেন কোনো রকম ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, করোনার এই পরিস্থিতিতে সকলে যেন স্বাস্থ্যবিধিা মেনে চলেন সেদিক দৃষ্টি দিতে হবে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কৃতি কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (9)
Mamun Khan ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:০৮ এএম says : 0
আপনি ১০০ বছর ক্ষমতায় থাকেন সমস্যা নেই, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খেয়াল রাখবেন, ঘুষ, চাঁদা, রাস্তার কাজে দুই নাম্বারি, এগুলো নিজে তদারকি করবেন, মধ্যবিত্ত, গরীবদের সমস্যা নিজেই পর্যালোচনা করবেন...ইত্যাদি। ক্ষমতায় থেকে দলের নয় সমস্ত বাংগালীর প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকবেন।
Total Reply(0)
Md Jahangir Kobir ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:০৮ এএম says : 0
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি যদি মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষগুলো বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখত, কারণ আমরা খুবই কষ্টে জীবনযাপন করিতেছি যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
Total Reply(0)
B.K Azad ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:০৯ এএম says : 0
সারা পৃথিবীতে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ২য় । বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানীর প্রধান বাজার হচ্ছে ইউরোপ। ১৪ দিন গার্মেন্টস বন্ধ থাকলে ওরা টাকা দিয়ে কাপড় কিনবে যার থেকে খুশি তার থেকে কিনবে। ১৪ দিন কেনো ২ দিন ওয়েট করার সময়ও ওদের কাছে নেই। রপ্তানী আদেশ বাতিল করলে ভিয়েতনাম চায়না অথবা ভারত এই দেশ গুলিতো আছেই ওখানে অর্ডার করবে। আপনার জন্য বসে থাকার সময় ওদের হাতে নেই। ইউরোপের লোকেরা হার্টলেস ওদের কাছে জীবন মৃত্যু আবেগ এসবের কোনো স্থান নেই। ওদের কথা একটাই টাকা হলে আমি যেকোনো জায়গা থেকে মাল কিনবো তোমার থেকে নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আর গার্মেন্টস বন্ধ থাকলে শুধু মালিকের নয় শ্রমিকের ও সমস্যা। শিল্প কারখানায় কাজ করে কোটি শ্রমিকের পেট চলে। গরিবের পেটে সরকার যেনো লাথি না মারে।
Total Reply(0)
Momotaz Begum ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:১০ এএম says : 15
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিসন্দেহে প্রসংশার দাবিদার। উনার কথা মতো সকল নেতা কর্মীরা কাজ করলে দেশ উন্নতির চরম শিখরে পৌছে যেত।
Total Reply(0)
Zakir Chowdhury ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:১০ এএম says : 0
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু আপনার অর্থ সচিব মহোদয় উদার সেহেতু আমাদের অনলাইনে আবেদনকৃত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় গুলোকে স্বীকৃতি এবং এমপিওভূক্তি করতে কেন এতো গরিমিসি...? প্লিজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় গুলোর প্রতি একটু সদয় হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরতদের একটু নির্দেশ দিন।
Total Reply(0)
Fariya Khanom ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:১১ এএম says : 0
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি যে, আপনার দলের নেতা কর্মীদের দুর্নীতির দিকে লক্ষ্য করুন। তাদের দুর্নীতির কারণে দেশ আজ মহা লুটপাটে পরিনত হয়েছে।
Total Reply(0)
Tamima Tammi ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:১১ এএম says : 1
১২ বছর আগের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
Total Reply(0)
Anjuman Rahman ১৯ জুলাই, ২০২১, ৪:১২ এএম says : 1
প্রধানমন্ত্রী বলিষ্ট নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে উন্নত দেশে পরিনত করার আপ্রাণ চেষ্টায়রত এর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে সহায়তা করার জন্য সবাইকে সনির্বন্ধ আহব্বান জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
মোঃ+দুলাল+মিয়া ১৯ জুলাই, ২০২১, ৫:১২ এএম says : 0
কিছু কিছু বলতেছে দেশ 96 নববইর পরে দেশ উন্নয়ন হয়েছে।যাদের 96 পরে জন্ম গ্রহন হয়েছে তাহারা অবশ্যই 96পরে কি হয়েছে এই গুলি দেখছে।কিন্তু 96 আগে দেশে কি ছিল এবং 96 আগের সরকার গুলি কি কাজ করেছেন সেটা জানেন না,96 এর আগেই আসলে গার্মেনটস জন্ম হয়েছে ,96এর আগেই বিদেশে কাজের বেবসতা করা হয়েছিল ,সে গুলি থেকেই উন্নয়ন,সে গুলি কে করেছে এবং কি কে পদক্ষেপ নিয়েছে সেটাও জানতে হবে,যেমন গ্রাম এর কথা বাবা যদি জায়গা জমিন রেখে যায় ছেলে মেয়েরা সেই গুলি চাষাবাদ করেই উন্নয়ন করে,আবার শহরের কথা বাবার যদি একটি বাড়ি থাকে একটি ফেক্টরী থাকে ছেলে মেয়েরা সে গুলি পরিচালনা করেই একটির মধ্যে 10টি করে,সেই হিসেবে উন্নয়ন হয় নাই,আরও বেশি হবার কথা,কিন্তু 96 আগে উন্নয়ন হয় নাই কি করে যাদের বয়স 30/অথবা 35 হয়েছে তাহারা বুজবে ,আসলে তাহারা জানে না বয়স অনুসারে বলতে পারবে না,যখন তাহারা তাদের মা বাবা কে জিজ্ঞাসা করবে,তাহারা বলতে পারবে উন্নয়নের রাস্তা কে করেছিল ,গার্মেনটস কে আবিষ্কার করেছে এবং বিদেশে যাইয়া কাজ করে দেশের জন্য রেমিটেনস পাঠানের বেবসতা কে করেছিল,না জানিয়ে এক তরফা কথা বললে হয় না,একটি কথা হলো আমার বাবা কি করেছে,আমি দেখিলাম কিন্তু দাদা কি করেছে দেখি নাই,তাই বলে দাদার ইতিহাস ভুলে যাবে সেটা উচিত নয়।সত্যি যদি আমি মনে করি আমার দাদা কি করেছে অবশ্যই আমার বাবা কে জিজ্ঞাসা করতে হবে,কিন্তু বর্তমানে কিছু মানুষ পুর্বের কিছু না জানিয়া যাচাই বাচাই না করিয়া এক তরফা কথা বলেন,সেটা জানার দরকার আছে,যেমন মুক্তি যোদ্ধারা যদি যুদ্ধ করে দেশ সাধীন না করতেন আমরা বাংলাদেশ দেখতাম না,তদ্রূপ 96 আগের সরকার রাস্তা দেখাইয়া যাওয়াতেই গার্মেনটস এবং বিদেশি রেমিটেনস,অবশ্যই তাহা সরণ করতে হবে।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন