মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০২ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তুরস্ক-কাতার যৌথভাবে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা করবে

তালেবানের সঙ্গে খসড়া চুক্তি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ আগস্ট, ২০২১, ১২:০১ এএম

কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা নিয়ে একটি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে তুরস্ক ও তালেবান কর্তৃপক্ষ। চুক্তির খসড়া অনুযায়ী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তুরস্ক ও কাতার যৌথভাবে কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা প্রদান করবে। পাশাপাশি আঙ্কারা তালেবানকে আফগানিস্তানের বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।

মিডল ইস্ট আই (এমইই) এর প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সপ্তাহে আফগানিস্তান থেকে সকল বিদেশি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেয়ার পরপরই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে। তুরস্ক ও কাতার একটি কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে বিমানবন্দরটি পরিচালনা করবে। এক্ষেত্রে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। যেখানে সাবেক তুর্কি সেনা ও পুলিশ সদস্য থাকবেন। চুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, আফগানিস্তানের বৈধ সরকার হিসেবে তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে তুরস্ক। তবে এ চুক্তির ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের সমস্যা রয়ে গেছে। গত বছরের অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কনসোর্টিয়ামকে বিমানবন্দরটির দায়িত্ব দিয়েছিল তৎকালীন ঘানি সরকার। এক্ষেত্রে তালেবানকে আলাদাভাবে তাদের সাথে চুক্তি করতে হবে।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক সপ্তাহ থেকেই তুরস্ক আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহার শেষ হওয়ার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়ার বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তুর্কি স্পেশাল ফোর্সের অতিরিক্ত সদস্য যারা বিমানবন্দরের টেকনিক্যাল খাতে সহায়তা দেয়া তুর্কি কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে, তারা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে এবং বিমানবন্দরের সীমানার বাইরে যেতে পারবে না।

এদিকে আফগানিস্তান থেকে বিভিন্ন দেশের প্রত্যাহার কার্যক্রমের মধ্যেও তুরস্ক কাবুলে দেশটির দূতাবাস খোলা রেখেছে এবং রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের মূল কূটনীতিক কর্মীদের এখনো আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেয়নি। একইসাথে দূতাবাসের নিরাপত্তার জন্য তুর্কি স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরাও নিয়োজিত রয়েছে। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর ২০০২ সালে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেশটিতে আসে তুর্কি সৈন্যরা। তবে তুর্কি সৈন্যরা আফগানিস্তানে সরাসরি কোনো যুদ্ধে জড়িত না থেকে বিমানবন্দর ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বেই ছিলো বলে তুরস্কের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। সূত্র : মিডল ইস্ট আই।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (5)
Farhad Reza ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৬:০৫ এএম says : 0
ভালো সিদ্ধান্ত
Total Reply(0)
Sonia Tarin Tithi ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৬:০৬ এএম says : 0
আফগানিস্তানের তো সমুদ্র বন্দর নেই। বিমান যোগাযোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ।
Total Reply(0)
Md Didarul Alam Bhuyan ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৬:০৬ এএম says : 0
খুব ভালো সিদ্ধান্ত।
Total Reply(0)
Md Pabel Hasan ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৬:০৬ এএম says : 0
বর্তমান সময়ের জন্য এটাই বুদ্ধিমানের কাজ
Total Reply(0)
ফাইজুল ইসলাম ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৬:০৬ এএম says : 0
আলহামদুলিল্লাহ
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন