বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৪ কার্তিক ১৪২৮, ১২ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

মহানগর

ই-কমার্স রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট

অর্থ ফেরত চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০১ এএম

ই-কমার্স ব্যবসাকে তদারকির লক্ষ্যে ‘ই-কমার্স রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন এ রিট করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের চেয়ারম্যান ও ই-ক্যাবকে বিবাদী করা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল ডিভিশন বেঞ্চে রিটটির শুনানি হবে। আর এ কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটের আইনজীবী। এর আগে অন্য একটি মামলায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানিতে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির আদালতকে বলেন, আমাদের দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিষয়টা এমন যে, প্রথমে তারা অফার দেবে একটা মোটরসাইকেল কিনলে আরেকটি মোটরসাইকেল ফ্রি। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেইটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে এমন অফার আসে এবং গ্রাহক সে মোটরসাইকেল পায়। কিন্তু এক পর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিক সংখ্যক যেমন, ৮টা মোটরসাইকেল কিনলে আরও ৮টা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয় তখন সে টাকা চলে যায়। কিন্তু মোটরসাইকেল আর আসে না।’
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির আদালতকে আরও বলেন, আমাদের এখানে লোভের শিকার হয়ে এবং ই-কমার্সের প্রতিষ্ঠানের প্রতারণায় গ্রাহকরা প্রতারিত হচ্ছেন। তখন হাইকোর্ট বলেন, আপনারা তো পাবলিক ইন্টারেস্টের মামলা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা তারা যেন এক্ষেত্রে লোভ কমান।’ এদিকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচার বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়।

ই-মেইল ও ডাকযোগে গতকাল সোমবার মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন এবং ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের দু’জন গ্রাহকের পক্ষে ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের বিষয়টি উল্লেখ করে জনস্বার্থে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক, প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ১৮ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার এই নোটিশ পাঠান। নোটিশের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন