সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২ কার্তিক ১৪২৮, ১০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পুকুরে পাওয়া বস্তাবন্দী লাশের রহস্য উদঘাটন

গ্রেফতার বন্ধু ঘাতক

বগুড়া ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৫:৪২ পিএম

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ডোবা থেকে আবু ওবায়দা ওরফে হুমায়ুন কবির (৩০) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারের রহস্য উদযাটন হয়েছে । হত্যাকান্ডের মুলহোতা ভ্যান চালক হারুন অর রশিদ (৩৪) কে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত হারুন দুপচাঁচিয়া উপজেলার ইসলামপুর খাঁ পাড়ার মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে। প্রতিবেশী মাদক সেবনকারী বন্ধু কবিরকে লাথি মেরে হত্যা করে মরদেহের সাথে ৬টি ইট বস্তায় ঢুঁকিয়ে পুকুরের ফেলে দিয়েছিল সে। বুধবার দুপুরে বগুড়ায় নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবত্তী এই তথ্য জানিয়েচেন।

তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে দুই বন্ধু মিলে ভ্যা যোগে দুপচাঁচিয়া বাস ষ্ট্যান্ড এলাকায় মাদকদ্রব্য ক্রয় করতে আসে। মাদকদ্রব্য ক্রয় শেষে আবারও পুনরায় তারা হারুনের বাড়িতে যায়। এরপর সেখানে হুয়ামুন কবির বেশী পরিমানে বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করে মাতলামি শুরু করে। এরপর প্রসাব করার জন্য ঘনঘন হুমায়ুন কবির টিউবওয়েল পাড়ে যাওয়ার সুবাদে এবং হারুনের বাড়িতে কেউ না থাকায় তাকে কয়েকটা লাথি মারে। এতে হুমায়ুন কবিরের নড়াচড়া বন্ধু হয়ে যায়। এরপর তাকে রশি দিয়ে বেধেঁ টিউবওয়েলের পাইপের সাথে বেঁেধ রাখে। হারুন অর রশিদ মৃত্যু নিশ্চিত জেনে হুমায়ুন কবিরের মরদেহ একটি বস্তায় তুলে তার মধ্যে ৬টি ইট ভরে বস্তাবন্দি করে।
ওইদিন গভীর রাতে বস্তাবন্দি মরদেহ হুমায়ুন কবিরের বাড়ির পাশে একটি পুকুরের পানিতে ফেলে যায় হারুন অর রশিদ। এদিকে এর দুইদিন পর হারুন নিহত হুমায়ুন কবিরের মোবাইলে ফোন দিয়ে পরিবারের নিকট ১ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করলে হুমায়ুন কবিরের পরিবার ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর সকালে নিহতের মরদেহ পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করে। এরপর মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদকে গ্রেফতার করা হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন