শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, ০৮ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

খেলাধুলা

ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জামাল-তপু-বিপলুরা

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ অক্টোবর, ২০২১, ৭:১২ পিএম

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, তারকা ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও ফরোয়ার্ড বিপলু আহমেদরা। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের পেজে ক্ষমা চেয়ে বৃহস্পতিবার পোস্ট দিয়েছেন তারা।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর সাফের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়ে সূচনাটা ভালই করেছিলেন জামাল ভূঁইয়ারা। যার গোলে জয় এসেছিল তিনি লাল-সবুজ রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরী তপু। প্রথম ম্যাচে গোল করা ছাড়াও পরের তিন ম্যাচে নিজের দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করেছেন তিনি। মধ্যমাঠে ও আক্রমণভাগে জামাল এবং বিপলুরাও খেলেছেন নিজেদের সেরাটাই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই কিছু হলো না। নেপালের বিপক্ষে রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে বাজে রেফারিংয়ের কারণে স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের। গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে লাল কার্ড ও ম্যাচের শেষ দিকে এসে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়ে জামালদের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনলেন উজবেকিস্তানের রেফারি রিসকুলায়েভ আখরল। ফলে বুধবার মালদ্বীপ জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপাল ১-১ গোলে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। আর সাফ থেকে ছিটকে পড়েন তপু বর্মণরা। অথচ ম্যাচের ৮৬ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল বাংলাদেশই। এরপরেই রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সবাইকে হতবাক করে দেয়। পেনাল্টি থেকে সহজেই গোল করে ম্যাচ বাঁচিয়ে নেপাল পেয়ে যায় ফাইনালের টিকিট।

নিজের ফেসবুক পেজে জামাল ভূঁইয়া সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সব সমর্থককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি সবাইকে ভালোবাসি। যদি তাদের হাতে পুরো বিশ্ব তুলে দিতে পারতাম...যেভাবে তারা আমাকে ও পুরো দলকে ভালোবাসা দিয়েছে। তবে এই ফলে আমি হতাশ। আমরা ফাইনালে যেতে পারিনি। দুঃখিত সমর্থক! আশা করছি, আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে পারবো।’

তপু লিখেন, ‘আমরা দুঃখিত,ক্ষমাপ্রার্থী আপনাদের কাছে। সকল ভক্ত, বিশেষ করে মালদ্বীপের প্রবাসী ভক্তদের ভালবাসার প্রতিদান দিতে পারিনি। কতটুকু খারাপ লাগছে আমাদের বলে বোঝাতে পারবো না। কঠিন সময়,সবাই পাশে থাকবেন এই প্রার্থনা করি।’ বিপলু আহমেদ তো চোখের নিচে আঘাত পেয়েও মাঠ ছাড়েননি। ব্যান্ডেজ লাগিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ডান চোখের নিচে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। ডাক্তার বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। কিন্তু আমি ও আমার দলের সবাই ঘুমহীন রাত অতিবাহিত করেছি।’

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন