রোববার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পণ্য কিনতে ভিড়

খুলনা ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ১২:০২ এএম

খুলনার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তেল, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্য। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এমন পরিস্থিতিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। দরিদ্রদের পাশাপাশি অবস্থাপন্নদেরও ভিড় করতে দেখা গেছে বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে।

গতকাল রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, খুলনার মহানগরীর টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাক ও বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের দীর্ঘলাইন। বাজারমূল্য থেকে টিসিবি পণ্যের দাম কম হওয়াতে তীব্র গরমেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনছেন ক্রেতারা। মহানগরীর আলমনগর মোড়ে বিক্রয়কর্মী আলমগীর জানান, তারা প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ টাকা, ডাল ও চিনি ৫৫ টাকা, আটা ১৮ টাকা করে বিক্রি করছেন। বাজারে এসব পণ্যের দাম অনেক বেশি থাকায় ক্রেতারা দীর্ঘসময় অপেক্ষা করেও পণ্য কিনছেন। বিক্রি শুরুর আগে থেকেই ক্রেতারা দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। পণ্য কিনতে আসা হেদায়েত জানান, বাজারে সয়াবিন তেল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৬৫ টাকা, ডাল ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
টিসিবিতে পণ্যের দাম অনেক কম। এখানে একটু অপেক্ষা করে পণ্য কিনলেও কিছু টাকা বাঁচানো যায়। টিসিবির ট্রাকে পণ্য কিনতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যাংকার বলেন, গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে খুবই কষ্টের। তারপরও কম দামে পাওয়ার আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনি। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক সময় পণ্য না কিনেও বাড়ি ফিরতে হয় কারণ ডিলাররা বলে দেন স্টক শেষ। নগরীর বিভিন্ন স্থানে টিসিবি’র বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে অনেক অবস্থাপন্ন পরিবারের সদস্যদের দেখা গেছে মুখ কাপড়ে ঢেকে পণ্য কিনতে এসেছেন। কেউ বা বোরখা পড়ে এসেছেন।
টিসিবির আঞ্চলিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, খুলনায় তালিকাভুক্ত ডিলার রয়েছেন ৫২ জন। ৪৫টি পয়েন্টে বাই রোটেশন করে বিক্রি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে পণ্য বিক্রি হবে বলে বরাদ্দ কম। এবার ৫শ’ লিটার তেল, ৬শ’ কেজি চিনি ও ৫শ’ কেজি ডাল প্রতিদিন প্রতি ট্রাকে দেওয়া হচ্ছে। রোটেশন করে বিক্রি করার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিদিন একই স্থানে পণ্য বিক্রি করা হলে একজন প্রতিদিন নিবে, সেক্ষেত্রে সকলে কিনতে পারবে না। ট্রাকের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য প্রধান কার্যালয়ে জানানো হয়েছে। নির্দেশ পেলেই ট্রাক ও বরাদ্দ বাড়ানো হবে। মানুষের সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। এটা দূর করার চেষ্টা চলছে বলে জানান টিসিবির এই কর্মকর্তা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন