শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৭ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

‘অবিলম্বে’ ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে সউদী আরবের প্রতি আহ্বান জাতিসংঘের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ অক্টোবর, ২০২১, ৫:৫৪ পিএম

সউদী কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে আটক করা বন্ধ করতে হবে এবং তাদেরকে ‘অবিলম্বে’ মুক্তি দিতে হবে। রোববার জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ অন আরবিট্রারি ডিটেনশন এই আহ্বান জানিয়েছে।

ওয়ার্কিং গ্রুপ জানতে পেয়েছে যে, সউদী আরবে মোহাম্মদ আল খোদারি এবং হানি আল খোদারি নামের দুইজন ফিলিস্তিনি নাগরিক বৈষম্যমূলক ভিত্তিতে তাদের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে যে, ওই দুজন পুরুষ এপ্রিল ২০১৯ থেকে বন্দী হয়ে রয়েছেন। প্রতিবেদনে সউদী কারাগারে ফিলিস্তিনিদের আটকে রাখাকে ‘স্বেচ্ছাচারীতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে সউদী সরকার ‘মোহাম্মদ আল খোদারি এবং হানি আল খোদারিকে গ্রেফতার ও আটকের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে।’

‘মোহাম্মাদ আল খোদারি এবং হানি আল খোদারির নির্বিচারে আটক করায় তাদের অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, কারণ সউদী আরবে তাদের আটক ‘অযৌক্তিক, বেআইনি, অনুপযুক্ত এবং অপ্রয়োজনীয়’। সউদী আরব কর্তৃক না মানা এবং চরম লঙ্ঘনের কারণে সুষ্ঠু বিচার পাওয়া তাদের মৌলিক অধিকার।

জাতিসংঘের সংগঠন সউদী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে, তারা ৬০ জন ফিলিস্তিনির বিরুদ্ধে ‘বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা’ নিয়েছে, যারা একসঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের আইনজীবী পাওয়ার অধিকার ছিল এবং তারা যে অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন, তা তারা অস্বীকার করেছেন। মোহাম্মদ সালেহ আল-খোদারি (৮৩) সউদীতে হামাস আন্দোলনের প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৯৩ সালে নিযুক্ত হন। আটক থাকা সময়ে তিনি তার ডান হাত নাড়ানোর ক্ষমতা আংশিকভাবে হারিয়ে ফেলেছেন এবং বর্তমানে তার ছেলের উপর নির্ভর করছেন, যিনি তার সাথে আটক রয়েছেন, তাকে খাওয়ানো এবং সাহায্য করার জন্য।

গত আগস্ট মাসে সউদী ফৌজদারি আদালত বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি ও জর্ডানীয় বন্দীর বিরুদ্ধে শাস্তি জারি করে। যাদের মধ্যে দু’একজন খালাস পেয়েছেন এবং অনেকের ২২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন