মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

চান্দিনা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ককে অব্যাহতি

কুমিল্লা থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ৯:২০ পিএম | আপডেট : ৯:৫৭ পিএম, ২৮ অক্টোবর, ২০২১

অবশেষে কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে ইব্রাহিম খলিল মানিককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মানিক ছাড়াও আরও এক যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্যকে দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে লিপ্ত থাকার অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কমিটির সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

গত বুধবার (২৭ অক্টোবর) চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কাজী আখলাকুর রহমান জুয়েল ও প্রথম যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর রহমান সায়েম সাক্ষরিত চিঠিতে ৫নং যুগ্ম আহবায়ক ইব্রাহিম খলিল মানিক, ৮নং যুগ্ম আহবায়ক মো. খোরশেদ আলম ও সদস্য হারুন ভূঁইয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে আওয়ামী পরিবারের সন্তান ইব্রাহিম খলিল মাণিক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি কর্নেল (বরখাস্ত) খন্দকার আবদুর রশিদের আপন বড় ভাই সাবেক এমপি আব্দুল মান্নানের ছেলে খন্দকার মাকসুদুল হাসানের মেয়ে খন্দকার নুসরাত হাসানকে গোপনে বিয়ে করে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন করার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের পদে ইব্রাহিম খলিল মাণিক থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

এবিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে ইব্রাহিম খলিল মাণিক সাংবাদিকদের জানান, গত বছর তিনি প্রেম করে নিজ পরিবারের অগোচরে গোপনে খন্দকার আবদুল মান্নানের নাতনি নুসরাতকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে আমাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। পরে এবছরের ৩ এপ্রিল নুসরাত আমাকে তালাক দেয়। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমি এই দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত পারিবারিকভাবে। আমাকে যখন চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৫নং যুগ্ম আহ্বায়কের পদ দেওয়া হয়, তখন আমি খন্দকার আবদুল মান্নান পরিবারের জামাতা নই। কমিটি গঠনের আগেই আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। আর ওই পরিবারের সাথে আমার বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল, এটা চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কমিটির কেহই জানেন না। অথচ ঘটনাটির প্রকৃত সত্য না জেনে ফেসবুকে আমাকে নিয়ে নানান মন্তব্য করা হয়েছে, পত্রিকাতেও সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটি আমাকে কমিটির সকল পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে মনেপ্রাণে লালন করি। আমি এই দলটিতে থাকতে চাই।

এসময় অব্যাহতি প্রাপ্ত ইব্রাহিম খলিল মাণিক তার বিবাহ বিচ্ছেদের (তালাক) কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন