সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

কাল যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩১ অক্টোবর, ২০২১, ৬:১৮ পিএম

আগামীকাল সোমবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে শিশুদের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।

এ তথ্য জানিয়ে রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘ঢাকা শহরের ৮টি স্কুলকে ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই স্কুলগুলোতে তাদের নিজেদের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে।’
'ফাইজার ভ্যাকসিন টেম্বাপরেচার সেনসিটিভ হওয়ায় এই ভ্যাকসিন যে কেন্দ্র ও বুথে দিতে হয় তা এসি রুমে হতে হয় এবং ভ্যাকসিনের ডায়ালুটও এসি রুমে রাখতে হয়। এই দুটি বিষয় বিবেচনা করে যেখানে এই সুবিধা আছে সেখানে সেন্টার করা হয়েছে। আমাদের প্রচুর এসি রুম লাগবে। আমরা প্রত্যেকটি স্কুলে একসাথে ২৫টি করে বুথ স্থাপন করব। আমাদের লক্ষ্য দিনে কমপক্ষে চার থেকে ৫ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া,' যোগ করেন তিনি।
ডা. শামসুল হক আরও বলেন, ‘২৫টা করে বুথ করা যায় একসাথে এবং এসি রুম আছে প্রাথমিকভাবে এমন আটটি স্কুলের তালিকা পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।’

স্কুলগুলো হলো : ১. হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ২. সাউথ পয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ৩. চিটাগং গ্রামার স্কুল, ৪. আইডিয়াল স্কুল, মতিঝিল, ৫. মিরপুর কমার্স কলেজ, ৬. কাকলী স্কুল, ৭. সাউথ ব্রিজ স্কুল, ৮. স্কলাস্টিকা স্কুল মিরপুর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব বলেন, ‘এই আটটা স্কুলে ২৫টা বুথ স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছি। পরে ঢাকায় আরও সেন্টার বাড়ানো হবে। এছাড়া ঢাকার বাইরে ২২টি জেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছি, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
‘টিকা দেওয়ার কার্ড ও বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে শিশুদের। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া টিকা দেওয়া হবে না,’ জানান তিনি।
আগামীকাল একটি কেন্দ্রে টিকা দিয়ে কর্মসূচী শুরু হবে। পরশু (মঙ্গলবার) থেকে আটটি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন ডা. শামসুল হক।
এর আগে, ২১ অক্টোবর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, 'আমাদের স্কুলশিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটির মতো। তাদের জন্য প্রায় তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমাদের হাতে ফাইজারের ভ্যাকসিন রয়েছে।'
‘আমরা এখন অপেক্ষা করছি শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের জন্য। আর নিবন্ধনটা আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হবে। তাদের কাছে তালিকা আসলে তারাই সেটি দেখবে। নিবন্ধনটা সম্পন্ন হলেই টিকা কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন