সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

অগ্রহায়ণের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি বৃদ্ধির আশঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ ডিসেম্বর, ২০২১, ১:০৩ এএম

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ক্ষয়ক্ষতির হিসেব চুড়ান্ত করার আগেই নতুন করে হালকা বর্ষণে বরিশাল কৃষি অঞ্চলের মাঠে মাঠে পাকা ও আধাপাকা রোপা আমনসহ প্রায় ৫ লাখ হেক্টর জমির বিভিন্ন রবি ফসলের ঝুকি আরো বেড়ে গেল। বৃষ্টিপাতে এ অঞ্চলে ৭৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল আক্রান্ত হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়। কিন্তু চুড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষার মধ্যেই নতুন করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাতে জমির ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি করবে বলেই মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদগণ।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক জানান, নতুন বৃৃষ্টিপাত ফসলের ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে পাকা ও আধাপাকা অমনসহ সাথী ফসল, খেশারী এবং শীতালীন সবজি, গোল আলু ছাড়াও বিভিন্ন রবি ফসলের জন্য। পাশাপাশি শীতকালীন সবজির যে সব জমিতে বৃষ্টির পানি জমে ছিল, এ বৃষ্টিপাত সেসব ফসলের বড় একটি অংশ ক্ষতির হতে পারে বলে শংকিত কৃষিবিদগণ।

টানা পাঁচদিন পরে গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার আগে বরিশালে প্রথম সূর্যের দেখা মিললে কৃষকরা কিছুটা আশান্বিত হয়েছিলেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মাথায়ই আকাশে আবার মেঘের ঘনঘটা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার পর থেকে হালকা-মাঝারী বৃষ্টিপাতে কৃষকের আশার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

বৃষ্টির পানিতে আক্রান্ত জমির মধ্যে রোপা আমনই প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর। সাথী ফসল খেশারী ডাল ২৬ হাজার হেক্টর। এছাড়াও শীতকালীন সবজী সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর, সরিষা ২ হাজার ১৫৬ হেক্টর, মুসর ডাল ৫৭৩ হেক্টর, গোল আলু ৩৮৮ হেক্টর, বোরো বীজতলা ২৩৫ হেক্টর, গম ২০৩ হেক্টর এবং বিপুল পারিমাণ জমিতে মরিচ, তরমুজসহ বিভিন্ন ফসল রয়েছে।

কৃৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের সূত্র মতে, আক্রান্ত আমনের জমির বেশীরভাগ ফসলই মাটিয়ে নুয়ে পড়ছে। এসব আধাপাকা ধান চিটা হবার সম্ভাবনাও প্রবল হচ্ছে। গত বছরও ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও ভাদ্্েরর প্রবল বর্ষণের প্লাবনে আমনের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বরিশাল কৃষি অঞ্চলে উৎপাদন ঘাটতি ছিল প্রায় দেড় লাখ টন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন