রোববার, ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রোগ হওয়া আগে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

শহরের তুলনায় গ্রামে অসংক্রামক রোগ বেশি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:২৩ পিএম | আপডেট : ১২:৪৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারি, ২০২২

রোগ হওয়া আগে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করার তাগিদ দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, শহরের তুলনায় গ্রামে অসংক্রামক রোগ বেশি।

তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগ যেহেতু সংক্রামক রোগের মত চমক সৃষ্টি করতে পারে না। সে কারণে রোগীরা অবহেলিত থেকেই যায়। এখন থেকে এই অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরকারেরও চেষ্টা করা উচিত।

শুক্রবার ( ২৮ জানুয়ারি) প্রথম জাতীয় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনের সমাপনী দিনের প্রথম পর্বে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকার প্যান প্যাসেফিক সোনারগাও হোটেলে ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ সম্মেলন আজ শেষ হবে। বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামসহ ৩০ টি দেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

ডায়বেটিস, উচ্চরক্তচাপ -এগুলোকে নিরব ঘাতক আখ্যা দিয়ে সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এই সব রোগ হওয়ার আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা করতে হবে। শহরের তুলনায় গ্রামে অসংক্রামক রোগ বেশি। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলে আমাশয় রোগ বেশি। মন্ত্রী নিজেও আমাশয় রোগে ভোগার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি যখন হাওরে ছিলাম তখন দেখেছি আশ্বিন কার্তিক মাস আসলেই একটি মানুষও বাকি থাকতো না আমাশয়হীন।
দেশে জরুরী কোনো আঘাত আসলে সেই পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা আমাদের এখনো কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য দেশে জরুরী কোনো আঘাত আসলে তা রুখতে সক্ষমতা অনেক ভালো। আমাদেরও সেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণ অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে কাজ করছেন। কমিউনিটি ক্লিনিকে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে কমিউনিট ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এখান থেকে বিনামূল্যে ৩২ ধরনের ওষুধ ফ্রি দেয়া হয়। এটা বড় ব্যাপার।
গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে আমাদের কাজ করতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তবে এই মুহুর্তে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওমিক্রণ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। ওমিক্রণ নিয়ন্ত্রণে আসলে এটা নিয়ে কাজ করতে হবে। এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করছেন। দেশের মানুষের জন্য তার দায়বদ্ধতা রয়েছে। ইতোমধ্যে চিকিৎসকদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা বাড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স থেকে সরকার যে বাড়তি টাকা পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই টাকা জনগনের কল্যাণে খরচ করতে হবে। রেমিট্যান্সের মাধ্যমে যে টাকা আসছে এটা প্রবাসীদের পরিশ্রমের ফল। মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ অমেরিকায় কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। তাদের পরিশ্রমের ফলে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল থাকে। যেকারণে তাদের পরিবারের কল্যাণে এই টাকা ব্যয় করতে হবে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডা. রশিদ ই মাহবুব। বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য প্রফেসর ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. এমএ ফায়েজ, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. এবিএম মাকসদুল আলম, গ্লাসগো ক্যালেডনিয়ান ইউনিভাসিটির ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা.জেমস মিলার, ওজিবিএসএর সভাপতি প্রফেসর ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন