ঢাকা, মঙ্গলবার , ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

খতিব ও খুৎবা নিয়ন্ত্রণে ইফা ডিজির বক্তব্য ইসলাম প্রচারের বিপরীত ইসলামী নেতৃবৃন্দ

প্রকাশের সময় : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : খতিব ও খুৎবা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইফার ডিজি শামীম আফজালের বক্তব্য ইসলাম প্রচারের বিপরীত। তার বক্তব্য কার্যকর করলে তা সরকারেরই ক্ষতি হবে। তাই শামীম আফজালকে তার এমন অপচিন্তা পরিহার করতে হবে। গতকাল পৃথক পৃথক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেছেন।
খেলাফত মজলিস
খতিবদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রসঙ্গে শামীম আফজালের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বলেছেন, মসজিদের খতিবরা কুরআন সুন্নাহের আলোকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চলার নিয়ম-নীতি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি মাদকসহ সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনগণকে হুঁশিয়ার করেন। কুরআন ও হাদিসে অসংখ্য জায়গায় রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ প্রদত্ত বিধিবিধানকে প্রচলিত রাজনীতির সাথে মিলিয়ে ফেলে শামীম আফজাল ইসলামের ভুল মেসেজ দিচ্ছে। ইসলামি ফাউন্ডেশন, ইসলাম প্রচার ও সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে গঠিত। অথচ শামীম আফজালের ভূমিকা ইসলাম প্রচারের বিপরীত এবং ইসলামের সঠিক বক্তব্য প্রদানে বাধা সৃষ্টি করছে। এ ধরনের বক্তব্য বাস্তবায়িত হলে সরকারের জন্যই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অবিলম্বে শামীম আফজালকে এ ধরনের চিন্তা-চেতনা পরিহার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, বি’বাড়িয়ার ঘটনায় প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যা ওয়াদা করেছে তা বাস্তবায়ন করুন। আলেম-উলামা ও ছাত্রদের হয়রানি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। অন্যথায় আলেম-উলামারা আবারো রাজপথে নামবে।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী জুমার নামাজের খুৎবা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগকে উস্কানিমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন যে, এই উদ্যোগ নেওয়া হলে ইসলামী অঙ্গনে উত্তপ্ত হবে। এ ধরনের উদ্ভট চিন্তা সরকারের একশ্রেণীর লোকদের উর্বর মস্তিষ্কের আবিষ্কার। অথচ সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে এসব ধর্মীয় ইনস্টিটিউশনকে কাজে লাগানো যেতে পারে। কেননা খুৎবায় আল্লাহ-রাসূলের প্রেমে উচ্ছ্বলিত আত্ম-প্রত্যয় সিদ্ধ তৌহিদী জনতার চিত্তকে ইসলামভিত্তিক ন্যায়, সত্য ও সততা প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণের প্রেরণা দেওয়া হয়। মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী বলেন, স্বেচ্ছায় প্রণোদিত এসব ধর্মীয় ইনস্টিটিউশন নিয়ন্ত্রণ বা সংকোচন মোটেই কাম্য নয় বরং এ সবের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটানো অত্যাবশ্যক।
কারণ খতিবরা ইসলামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সন্ত্রাসমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার জন্যে মুসল্লিদের নসিহত করে থাকেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন