সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ০৪ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ফের পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারার দাবি বিজেপির

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ মার্চ, ২০২২, ৫:৪৪ পিএম

ভারতের সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সহ একাধিক বিষয়ে সমস্যা দেখা দিলে রাজ্যপালের রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের কার্যকলাপে হস্তক্ষেপ করতে পারে। বস্তুত, বিধানসভা ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রীয় শাসনও বলবৎ করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ভারতে একাধিকবার কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব হয়েছে।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পর থেকেই বিজেপি একাধিকবার পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে। বার বার তারা রাজনৈতিক হত্যার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। যার জেরে আদালতের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা তদন্ত করতে এসেছিলেন। তাদের রিপোর্টে ভিত্তিতে এখন সিবিআই-ও তদন্ত চালাচ্ছে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি একাধিকবার করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। সম্প্রতি এক তৃণমূল এবং একজন কংগ্রেস কাউন্সিলর খুন হওয়ার পর ফের সেই দাবি তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বস্তুত, গত এক সপ্তাহে দুই রাজনৈতিক নেতা সহ চারজন খুন হয়েছেন। পানিহাটির তৃণমূল কাউন্সিলার অনুপম দত্ত ও পুরুলিয়ার ঝালদায় তপন কান্দুকে খুন করা হয়েছে। গত শনিবার বিজেপির আরেক নেতা জগন্নাথ সরকারের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল।

সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সুকান্ত বলেছেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা যে অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে, তাতে ৩৫৬ ধারার দাবি করতেই হয়। এরপর পুরভোটের পরেও দুই কাউন্সিলর খুন হওয়ায় বিজেপি নতুন করে ৩৫৬ ধারার দাবি তুলেছে। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির এই দাবিকে বিশেষ আমল দিচ্ছে না। রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ''কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তুলে বিজেপি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তাদের দাবি কখনোই সফল হবে না।'' অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ''পশ্চিমবঙ্গের উত্তরপ্রদেশের কাছ থেকে শেখা উচিত। সেখানে কীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, তা বোঝা উচিত।''

বিজেপি-তৃণমূলের এই চাপানউতোর এখন আর কেবল বাক-যুদ্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্প্রতি বিধানসভাতেও বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী ৩৫৬ ধারার বিষয়টি তুলেছিলেন। তার বক্তব্য, বিধানসভায় রেকর্ডও হয়েছে। সূত্র: ডয়চে ভেলে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps