বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, ০৭ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে

কক্সবাজারে বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ এপ্রিল, ২০২২, ১২:০৮ এএম

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সৌর বিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, আমদানিতব্য জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ ইত্যাদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি আগামী দিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কয়েকটি প্রকল্পে ২৪৫ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার কক্সবাজার ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার ঘিরে যে উন্নয়ন তৎপরতা পরিচালনা করছেন। তার অংশ এই বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প। দেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র এটি। আরো বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প আসছে। কক্সবাজার পর্যটন নগরীর পাশাপাশি শিল্প নগরীতে পরিণত হতে যাচ্ছে। মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা টার্মিনাল, এলপিজি টার্মিনাল, ইন্সুলেশন অভ্ সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন, সোলার মিনি গ্রিড, বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রভৃতি কক্সবাজারের চিত্র পাল্টে দিবে, পরিণত করবে সমৃদ্ধ নগরীতে। বিপুল কর্মসংস্থান সৃজনের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান আরো বাড়বে। কক্সবাজার ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশের সর্ব প্রথম বৃহৎ আকারের গ্রিড সংযুক্ত বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প। প্রকল্পটির মোট বিনিয়োগ ১১৬ দশমিক ৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ প্রকল্পে ১২০মিটার উচ্চতায় এনভিশনের ঊঘ১৫৬ মডেলের ২২ টি টারবাইন স্থাপন করা হবে, প্রতিটি টারবাইনের উৎপাদন ক্ষমতা ৩.০ মেগাওয়াট এবং রোটরের ব্যাস ১৫৬ মিটার।
আইপিপি মডেলে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পটিতে আইপিপি হিসেবে কাজ করছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটির সিওডি হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps