ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ছাঁটাই বন্ধ ও স্থায়ী নিয়োগের দাবি কক্সবাজারে মিটার রিডার ও

প্রকাশের সময় : ১৩ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ম্যাসেঞ্জারদের কর্মবিরতি অব্যাহত
কক্সবাজার অফিস: চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধ ও স্থায়ী নিয়োগের দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) অধীনে কর্মরত মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জাররা। এ দাবীতে শনিবার (১২ নভেম্বর) সকাল থেকে তারা সমিতির কক্সবাজার সদর কার্যালয়ের অভ্যন্তরে অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ করছে।
মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারবৃন্দ ব্যানারে প্রায় একশ’ কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা গত মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে পল্লী বিদ্যুতের কক্সবাজার অফিস প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন। প্রতিদিন তারা অফিসে গেলেও কর্মস্থলে যোগদান না করে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় তারা চুক্তি নবায়ন, চাকরি স্থায়ীকরণ ও ২-৩ গুণ কাজের বোঝা না চাপানোর দাবি তুলেন।
শনিবারও আন্দোলনকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন সহকারে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুত সমিতির কার্যালয়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এরপর তারা সেখানে চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধ, চুক্তি নবায়ন, চাকরি স্থায়ী করণসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে শে¬াগান দেন। পরে তারা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সেখানে অবস্থান নেন।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে বিক্ষোভকারীরা বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী চুক্তি অনুযায়ী মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জাররা সর্বোচ্চ ৯ বছর কাজ করতে পারবে। সন্তোষজনকভাবে চাকরি স¤পাদন করলে অন্য সমিতিতে নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ এবং এভাবে ৫৫ বছর পর্যন্ত একজন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার চাকরি করতে পারার বিধান রয়েছে।
তাছাড়া বর্তমান সরকার আমলে ২০১৩ সালে শ্রম সংশোধনী আইনের ৪নং ধারার ১১নং উপধারায় উল্লেখ করেছে, কোন স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের জন্য অস্থায়ী কর্মচারী, দৈনিকভিত্তিক ও চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ দেয়া যাবে না।
এ সংশোধনীর পরই কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীনে কর্মরত ৮৩ জন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারদের মাঝে গণছাঁটাইয়ের আতংক বিরাজ করছে। কারণ, এদের অনেকের চুক্তির তিনবছর মেয়াদ শেষ হলেও কর্তৃপক্ষ চুক্তি নবায়ন ও চাকরি নিয়মিত করছে না। বরং কাজের চাপ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ৫ অফিস থেকে প্রায় ৩০ জন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারের চাকরি নবায়ন করা হয়নি। তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন সময় পার করছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন