শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯, ০১ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ডানপন্থী ও রক্ষণশীল প্রবণতা তীব্রতর হচ্ছে ইউরোপে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ এপ্রিল, ২০২২, ১২:৩০ এএম

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইউরোপের ডানপন্থি ও রক্ষণশীল প্রবণতা তীব্রতর হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এই শতাব্দীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম হতে পারে। ফ্রান্সের উগ্র ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মেরিন লে পেন একটি শক্তিশালী নির্বাচনী আবহাওয়া তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। অন্যদিকে কোরআন পোড়ানোকে কেন্দ্র করে সুইডেনে চলছে ব্যাপক সহিংসতা। মধ্যে ও পূর্ব ইউরোপজুড়েই নাৎসিদের কর্মকাণ্ড বেড়েছে। ভেঙে যাচ্ছে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের দীর্ঘ নিরপেক্ষতার ঐতিহ্য। কারণ দেশ দুইটি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার চিন্তা করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের পর পশ্চিমারা মস্কোর সাথে সব বিষয়ে সম্পর্ক পুনর্র্নিমাণ করবে। এর মাধ্যমে ইউরোপ স্থায়ীভাবে রাশিয়া থেকে বিভক্ত হয়ে পড়তে পারে। সম্পর্কের পরিবর্তন যে শুধু ভৌগোলিক সীমান্ত বা সামরিক ক্ষেত্রে হবে তা নয়, ধারণা ও আদর্শগতভাবে হবে। এর মাধ্যমে পুরোনো চিন্তায় ফিরে যেতে পারে ইউরোপ। পশ্চিমা সভ্যতার মূল ধারায় চলে যেতে পারে অঞ্চলটি। একদিকে ইউরোপ রাশিয়ার আগ্রাসনের কাছে নতি স্বীকার করবে না, অন্যদিকে ন্যাটোর সম্প্রসারণও বন্ধ করবে না। এর মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে আক্রমণাত্মক রক্ষণশীলতা। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতকে ইউরোপীয় সভ্যতার পতনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা উচিত নয়। কারণ ইউরোপীয়রা বুঝতে পেরেছে যে রাশিয়ান চ্যালেঞ্জটি সত্যিই পশ্চিমা সভ্যতার শক্তিরভিত্তিকে স্পর্শ করেছে। ইউক্রেনসহ মধ্যে ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে ন্যাটোতে যোগ দিতে বা সদস্যপদ চাইতে বাধ্য করা হয়নি। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ইইউকে ময়দানে টেনে নেয়নি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিজেদের সভ্যতাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ইউরোপের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারবে না। গ্লোবাল টাইমস।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps