রোববার, ০৩ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯, ০৩ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ ভাতা না দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ২৬ মে, ২০২২, ১২:০১ এএম

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন সুলতানার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণার্থীদের যাতায়াত ভাতা না দিয়ে উল্টো বিভিন্ন ফি বাবদ ৩৫০ টাকা আদায় করার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। মহিলা বিষয়ক অধিদফতর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জন্য তিন মাসের আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ শেষে ১২ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও না দিয়ে উল্টো প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে এ টাকা আদায় করা হয়।

মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে জানা যায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় বিনা মূল্যে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তিন মাস মেয়াদে ২ ট্রেডে (ফ্যাশন ডিজাইন ও ক্রিস্টাল সোপিচ) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। মাসে ২০ দিন করে তিন মাসে মোট ৬০ দিন এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এ জন্য প্রতিটি ব্যাচে ২৫ জন ফ্যাশন ডিজাইন এবং ২৫ জন ক্রিস্টাল সোপিচ বিষয়ে মোট ৫০ জনকে নির্বাচিত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব প্রশিক্ষণার্থী নারীকে দৈনিক যাতায়াত ভাতা হিসেবে ২০০ টাকা করে ১২ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধের কথা বলা আছে নীতিমালায়।
প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা প্রশিক্ষণার্থী ৫০ নারীর কাছ থেকে ভর্তি ফরম বাবদ-৫০ টাকা, ভর্তি ফি বাবদ-১০০টাকা, সার্টিফিকেট বাবদ-১২০ টাকা ও নিজ বাসার আয়া বাবদ-৮০ টাকাসহ মোট জন প্রতি ৩৫০ টাকায় আদায় করেন। ২০ দিন আগে গত গত ২৬ এপ্রিল ভাতার ১২ হাজার টাকার মাস্টাররোলের কাগজে স্বাক্ষর নিলেও আজও ভাতা মেলেনি।
অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্পের উপজেলা সদস্য সচিব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা জানান, ভর্তি ফি বাবদ আমার দফতরে কেন টাকা নিবে? যে বলছে তাকে সামনে নিয়ে আসেন। আমার দফতরে ভর্তি ফি বাবদ কোন টাকা নেওয়া হয় না। আপনার কি মনে হয়? আমি ভিক্ষুক। আমি কেন টাকা নেব এ রকমের ফালতু কথা বলবেন না। এখানে বোর্ডে ইউএনও থাকে। কোন শালায়ও বলতে পারবেনা আমি টাকা নিছি। আপনি কেমন সাংবাদিক হইছেন? সামনে আইসেন। যাতায়াত খরচ এর কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনি ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখেন ওয়েবসাইট সবার জন্য ওপেন আছে। তাদের ভাতা চেকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। আপনি পটুয়াখালী জেলার যে কোন উপজেলায় খোঁজ নেন কোন ভাতা দিয়েছে কিনা। এখন পর্যন্ত বাজেট হয়নি।
এ বিষয়ে প্রকল্পের উপজেলা সভাপতি ও ইউএনও তানিয়া ফেরদৌস বলেন, আপনাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানতে পেরেছি। ঘটনার অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps