বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯, ২৯ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

মহানগর

নগদ সেবা গৃহকর্মীদের জন্য নগদায়নে মাশুলবিহীন করা হবে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ মে, ২০২২, ১১:৫৭ পিএম

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, জাতীয় অগ্রগতির স্বার্থে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ডিজিটাল সাম্য-সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের অভাবনীয় রূপান্তরের ধারাবাহিকতায় গৃহকর্মীদের অবদানও বাদ যাবে না।

মন্ত্রী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে গৃহকর্মীদের অর্জিত আয়ের নিরাপদ লেন-দেন নিশ্চিত ও সাশ্রয়ী করতে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ সেবা’ গৃহকর্মীদের জন্য নগদায়নে মাশুলবিহীন করার ঘোষণা দেন।

মোস্তাফা জব্বার আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গৃহকর্মীদের ক্ষমতায়নে ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনায় তাদেরকে অন্তর্ভূক্তি’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন। বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ এ সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সেলিনা আক্তারের সঞ্চালনায় ও শাহীন আনামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মুসলিমা মৌ প্রমূখ বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী ডিজিটাল যুগের জন্য ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আয়োজকদের উদ্দেশে বলেন, ‘যাদের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অন্তর্ভূক্তি করতে চান, তাদের স্মার্টফোন আছে কীনা এবং স্মার্টফোন তারা চালাতে পারে কিনা সেসব বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। আমি মনে করি গৃহকর্মীদের এ বিষয়ক দক্ষতা ও সামর্থ অর্জনে গৃহকর্তারাও সহায়তা করতে পারে।’

ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার বলেন, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা দেশের কাতারে আছে। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দেশের আর্থিক খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। মোবাইল ফিনান্সিয়লাল সার্ভিস বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এখন তৃণমূলে যেতে বাধ্য করছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, গৃহকর্মীদের নিয়ে সমীক্ষা জরীপ কাজটি খুবই কঠিন, তা সত্ত্বেও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ গৃহকর্মীদের জীবন-মান উন্নয়নে কিছুটা হলেও অবদান রাখবে। তিনি আয়োজকদের এ কাজের প্রশংসা করেন। মন্ত্রী ভবিষ্যতে এর পরিধি তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রযোজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, গৃহকর্মীদের মর্যাদার প্রতি স্বীকৃতি দিতে হবে সবার আগে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে নিজেরা গৃহকর্মীদের প্রতি কতটা মানবিক সেটা আগে দেখতে হবে। মর্যাদা, স্বীকৃতি এবং ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভূক্তি এ তিনটি বিষযে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি গুরুত্ব প্রদান করেন।

আয়োজকরা জানান, ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভূক্তির জন্য নারী-পুরুষের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাস করাই এ সমীক্ষার মূল লক্ষ্য।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps