বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ০২ ভাদ্র ১৪২৯, ১৮ মুহাররম ১৪৪৪

আন্তর্জাতিক সংবাদ

সুইডেন, ফিনল্যান্ডকে কড়া হুঁশিয়ারি এরদোগানের

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১ জুলাই, ২০২২, ৬:১১ পিএম | আপডেট : ৮:৪৩ পিএম, ১ জুলাই, ২০২২

সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান। তিনি বলেছেন, তুরস্ক যে ৭৩ জন ‘জঙ্গি’কে চাইছে, তাদের না দিলে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোর সদস্য পদ পাওয়া এখনও বন্ধ করতে পারে তারা।

বৃহস্পতিবার ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষে এরদোগান বলেন, সুইডেন তাদের হাতে ৭৩ জনকে তুলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরা সকলেই হয় কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) বা যুক্তরাষ্ট্র-প্রবাসী ধর্মীয় নেতা ফতেউল্লাহ গুলেনের সমর্থক। ফতেউল্লাহ ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পিছনে ছিলেন বলে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দাবি।

মাদ্রিদে ন্যাটোর শীর্ষবৈঠকের পর এরদোগান বলেছেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে তুরস্কের দশ দফা চুক্তি হয়েছে। এটা পুরোপুরি তাদের কূটনৈতিক সাফল্য। সন্ত্রাসবাদের বিপদ নিয়ে তাদের উদ্বেগ মেনে নিয়েছে দুই দেশ। এরদোগান বলেছেন, ‘যদি সুইডেন ও ফিনল্যান্ড এই চুক্তি থেকে পিছনে সরে যায়, তাহলে তুরস্কের পার্লামেন্ট এই চুক্তিকে অনুমোদন করবে না। তাহলে ওরাই বিপদে পড়বে।’

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। না করলে, আমরাও চুক্তি পার্লামেন্টে পাঠাবো না।’ গত মে মাসে এরদোগান জানিয়েছিলেন, তুরস্কের জাতীয় সুরক্ষার পক্ষে বিপজ্জনক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন চালিয়ে গেলে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোর সদস্য হতে দেবে না তুরস্ক।

এ বিষয়ে সুইডেনের বিচারমন্ত্রী বলেছেন, সুইডেনে স্বাধীন বিচারবিভাগ এই আইন রূপায়ণ করে। কোনো সুইডিশ নাগরিককে অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দেয়া যায় না। যারা সুইডেনের নাগরিক নয়, অন্য দেশ চাইলে তাদের হাতে দেয়া যেতে পারে। কিন্তু তা সুইডেনের আইন এবং ইউরোপীয় রীতি মেনেই।

ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, অন্য দেশের হাতে কাউকে তুলে দিতে গেলে তাদেরও আইন মেনে এগোতে হয়। সেক্ষেত্রে নিজেদের আইন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির কথা মাথায় রাখতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনীতিক কোনোভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন না। সূত্র: ডয়চে ভেলে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন